বিএনপি তিন দিনের মধ্যে দেশের সব স্থানে থাকা ব্যানার ও পোস্টার সরানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশনায় এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তবে সদ্য মরহুম চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে শোক প্রকাশ হিসেবে তার ব্যানার-পোস্টার কিছুদিন রাখা হবে।
শুক্রবার (২ জানুয়ারি) সকালে নয়াপল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ বিএনপি, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের শীর্ষ নেতাদের অংশগ্রহণে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এতে উপস্থিত থেকে গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা দেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।
বৈঠকের পর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে ব্যানার ও পোস্টার সরানোর কাজ উদ্বোধন করেন তিনি।
এই সময় মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক আমিনুল হক, সদস্য সচিব মোস্তফা জামান, দক্ষিণের সদস্য সচিব তানভীর আহমেদ রবীন, যুবদলের সভাপতি মোনায়েম মুন্না, সাংগঠনিক সম্পাদক কামরুজ্জামান জুয়েল, স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি এস এম জিলানী, সহসভাপতি ডা. জাহেদুল কবির জাহিদ, ছাত্রদলের রাজু আহমেদ ও ডা. তৌহিদুর রহমান আউয়ালসহ অন্যান্য নেতা উপস্থিত ছিলেন।
সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে রুহুল কবির রিজভী বলেন, ব্যানার ও পোস্টার রাজনৈতিক মতপ্রকাশের মাধ্যম হলেও এগুলো শহরের সৌন্দর্য ও নান্দনিকতাকে বিঘ্নিত করছে। সঠিক নিয়ম অনুসরণ না করলে কেউ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। তাই আমাদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান নির্দেশ দিয়েছেন এগুলো সরানোর জন্য। তিনি আরও জানান, মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ বিএনপি, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদল স্বেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে কাজটি শুরু করেছে।
রিজভী বলেন, ম্যাডামের মৃত্যুতে শোক প্রকাশের ব্যানার পোস্টার হয়তো কয়েক দিন থাকবে। আমরা ইতোমধ্যে দায়িত্ব ভাগ করে নিয়েছি। কোনো কর্মসূচি শেষ হলে নিজে থেকেই ব্যানার-পোস্টার সরানোর কাজ হওয়া উচিত। আমরা আশা করছি, তিন দিনের মধ্যে সারা দেশ থেকে ব্যানার ও পোস্টার সম্পূর্ণভাবে সরিয়ে ফেলা হবে।
এ উদ্যোগ দেশের প্রধান শহরগুলোতে শুরু হওয়ায় নেতারা মনে করেন, এটি একটি নিয়মনীতি মেনে পরিচালিত স্বেচ্ছাসেবক ভিত্তিক উদ্যোগ। সারা দেশে ব্যানার ও পোস্টার সরানোর কাজ আগামী তিন দিনে সম্পন্ন হওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।


