× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জানুয়ারি ২৯, ২০২৬, ০৫:০০ পিএম

নির্বাচনে কারচুপির পরিকল্পনার আশঙ্কা করছেন মির্জা আব্বাস 

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জানুয়ারি ২৯, ২০২৬, ০৫:০০ পিএম

ঢাকা–৮ আসনের বিএনপির প্রার্থী ও দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস। ছবি- সংগৃহীত

ঢাকা–৮ আসনের বিএনপির প্রার্থী ও দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস। ছবি- সংগৃহীত

ঢাকা-৮ আসনের বিএনপির প্রার্থী ও দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস বলেছেন, বহু ত্যাগ ও সংগ্রামের মধ্য দিয়ে দেশের মানুষ ভোটাধিকার অর্জন করেছে। এই অধিকার প্রয়োগে সবাইকে ভোটকেন্দ্রে যেতে হবে এবং নিজের পছন্দমতো প্রার্থীকে ভোট দিতে হবে। একই সঙ্গে তিনি আসন্ন নির্বাচনে কারচুপির পরিকল্পনার আশঙ্কার কথা তুলে ধরে বলেন, এমন কোনো পরিস্থিতি মেনে নেওয়া হবে না।

বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) রাজধানীর শাহবাগের আজিজ সুপার মার্কেট অডিটোরিয়ামে এক নির্বাচনি সভায় তিনি এসব কথা বলেন। এরপর তিনি কাটাবন, এলিফ্যান্ট রোড এবং পিজি হাসপাতালের আশপাশে ধানের শীষের পক্ষে ভোট চেয়ে তিনি গণসংযোগ করেন। রাতে তিনি নয়াপল্টনের গাজী ভবন ব্যবসায়ীদের সাথে মতবিনিময় করবেন এবং এর আশপাশে গণসংযোগ করবেন। 

মির্জা আব্বাস বলেন, ‘ডাক্তার হোক, নার্স হোক, রাজনীতিবিদ হোক, কুলি-মজুর যেই হোক ভোট দেওয়ার অধিকার ও দায়িত্ব সবার রয়েছে। দয়া করে ভোট দিতে যাবেন, এই অধিকারটা প্রয়োগ করবেন।’

তিনি বলেন, ‘২০০৮ সালের নির্বাচনের অভিজ্ঞতা থেকে আমি লক্ষ করছি এবারও নির্বাচনকে প্রভাবিত করার একটি পরিকল্পনা হতে পারে।’ তার ভাষায়, আগে ভোট শেষে পোলিং এজেন্টরা সন্ধ্যার মধ্যেই ফলাফল নিয়ে ফিরত, আর এখন বলা হচ্ছে ফল পেতে দুই-তিন দিন লাগবে। এটিকে তিনি কারচুপির সম্ভাব্য লক্ষণ হিসেবে উল্লেখ করেন এবং বলেন, ‘এটা আমরা কোনো পরিস্থিতিতেই মেনে নেব না।’

মির্জা আব্বাস অভিযোগ করেন, সরকারের ভেতরে এমন কিছু লোক রয়েছে যারা এখনো আওয়ামী লীগের হয়ে কাজ করছে। তারা চায় নির্বাচন না হোক, আর নির্বাচন হলে যেন বিএনপি জিততে না পারে। 

তিনি আরও বলেন, একদল লোক আছে যারা দেশের বাইরে থাকে, কিন্তু নিজেদের দেশপ্রেমিক বলে দাবি করে। আসলে দেশে ও বিদেশে থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যারা কথা বলেন, দেশের জন্য যদি এতই প্রেম থাকে, তাহলে দেশে আসেন না কেন? দেশে এসে নির্বাচন করেন, জনগণের সঙ্গে কাজ করেন। অথচ তারা বিদেশে বসে বিএনপিকে কীভাবে ক্ষতি করা যায়, কীভাবে বদনাম ও অপবাদ দেওয়া যায় সেই চেষ্টা চালাচ্ছে।

আব্বাস বলেন, ‘একদল ছেলে-পেলে সকাল, দুপুর, সন্ধ্যা সারা দিন মির্জা আব্বাস কিংবা অন্য কোনো রাজনৈতিক দলের নামই বেশি নেয়। সারা দিন তাদের মুখে মিথ্যা কথার তুবড়ি ফুটতেই থাকে। আবার তারা বলে, তারা নাকি মাদ্রাসায় লেখাপড়া করেছে। তাহলে কি ভবিষ্যতে আমরা আমাদের সন্তানদের আর মাদ্রাসায় পাঠাতে পারব না? মাদ্রাসায় গিয়ে কি মানুষ মিথ্যা বলা শেখে? মাদ্রাসায় মানুষ ধর্মীয় শিক্ষা পায়, সত্য শিক্ষা পায়। সেখানে গীবত কী, মিথ্যা কী এসব শেখানো হয় এবং গিবত ও মিথ্যা বলা নিষেধ করা হয়। অথচ এরা মাদ্রাসায় পড়ে সকাল-দুপুর-সন্ধ্যা মিথ্যা কথাই বলে যাচ্ছে।’

তিনি বলেন, ‘বাবারা, নির্বাচন করেন, ভোট চান। কিন্তু ভোট চাইতে হলে বলুন, আপনি কী করেছেন এবং ভবিষ্যতে কী করবেন। আপনি কোথা থেকে এসেছেন, সেটা আমার দেখার বিষয় না। কথা হলো, আপনি নিজের কাজের কথা বলে মানুষের ভোট চান। অন্যের গিবত করে, অপবাদ দিয়ে সময় নষ্ট করার কোনো প্রয়োজন নেই।’

বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘আমি অন্তত পাঁচবার নির্বাচন করেছি, আপনারা দেখেছেন। এখানে যারা পুরোনো লোক আছেন, আপনারা কি কখনো শুনেছেন যে আমি কারো বিরুদ্ধে কথা বলেছি? আমি সবসময় আমার কথাই বলেছি আমি কী করব, সেটাই বলেছি।’

নির্বাচনি প্রচারের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘ভোট চাইতে হলে নিজের কাজ ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা বলতে হবে, অন্যের বিরুদ্ধে কুৎসা রটিয়ে নয়।’ 

মির্জা আব্বাস বলেন, তিনি ঢাকায় দুটি হাসপাতাল, মুগদা মেডিকেল হাসপাতাল ও একটি ডায়াবেটিক হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করেছেন। পাশাপাশি তার নির্বাচনি এলাকায় চাকরির ব্যবস্থা, খেলার মাঠ, কলেজসহ বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ করেছেন। লিফলেটে এসব কাজের বিবরণ দেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ভোটাধিকার আদায়ের জন্য তিনি যে সংগ্রাম করেছেন, সেটাই তার সবচেয়ে বড় সার্থকতা। মানুষ তাকে ভোট দিক বা না দিক, ভোট দিতে পারাটাই তার শান্তি। তিনি অপপ্রচারের বিরুদ্ধে প্রমাণ চ্যালেঞ্জ করে বলেন, তার বিরুদ্ধে কেউ একটি সুনির্দিষ্ট অভিযোগও প্রমাণ করতে পারবে না।

Link copied!