× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

মেহেদী হাসান খাজা

প্রকাশিত: মার্চ ১১, ২০২৬, ১১:৫৫ এএম

ছাত্রদলের সভাপতি পদে এগিয়ে যারা

মেহেদী হাসান খাজা

প্রকাশিত: মার্চ ১১, ২০২৬, ১১:৫৫ এএম

ছাত্রদলের সভাপতি পদে প্রার্থীরা। ছবি : সংগৃহীত

ছাত্রদলের সভাপতি পদে প্রার্থীরা। ছবি : সংগৃহীত

জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের মেয়াদোত্তীর্ণ কমিটির বিষয়টি সামনে আসার পর বিভিন্ন মহলে আলোচনা-সমালোচনার ঝড় উঠেছে।

ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদ পুনর্গঠনের চূড়ান্ত মুহূর্ত চলছে।অভ্যন্তরীণ সংকট কাটিয়ে ছাত্রদলের নেতৃত্ব রাজপথ কাঁপাতে দক্ষ, যোগ্য ও ত্যাগীদের হাতে নেতৃত্ব দিতে দলীয় হাইকমান্ডের নির্দেশনায় একটি প্রতিনিধি দল কাজ করছে বলে সূত্রমতে নিশ্চিত হওয়া গেছে। ওই সূত্র জানায়, এর মধ্যে সম্ভাব্য কমিটির শীর্ষ পদে সম্ভাব্য বেশ কয়েকজন ছাত্রনেতার নাম জোরালোভাবে আলোচিত হচ্ছে। তাদের অতীত আন্দোলন ও সাংগঠনিক দক্ষতা বিচার করেই খুব কম সময়ের মধ্যে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে। বিএনপি নতুন সরকার গঠনের পর নিজেদের গুছিয়ে নিতে বেশ ব্যস্ত সময় পার করছে। যার কারণে দলীয় হাইকমান্ডের ইচ্ছে করলেও ছাত্রদল পুনর্গঠনের সুযোগ হয়ে উঠছে না। যার কারণে বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এর মধ্যে দলটির অঙ্গ সংগঠন ছাত্রদলকে আরো শক্তিশালী করতে দলের বেশ কিছু সিনিয়র নেতা ও সাবেক ছাত্রদল নেতাদের মাঠে কাজ করার নির্দেশনা দিয়েছেন।  

এদিকে ছাত্রদলের বর্তমান কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের বিরেুদ্ধে সম্প্রতি থেকে শুরু করে বিগত জুলাই বিপ্লবের পর থেকে বেশ কিছু গুরুতর অভিযোগ ওঠে। এর মধ্যে সবচেয়ে বড় বিষয় হলো সম্প্রতি ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটি মেয়াদোত্তীর্ণ। তা ছাড়া বেশ কয়েক মাস ধরে সাংগঠনিক অস্থিরতা, গ্রুপিং, আধিপত্য বিস্তার, দায়িত্বের অবহেলা, ত্যাগীদের যোগ্যতা অনুযায়ী পদ-পদবি থেকে বঞ্চিত রাখা, স্বজনপ্রীতি, নিজস্ব লোকজনদের দলীয় পদবি অতিরিক্ত সুবিধা ভোগ, ছাত্রলীগ কর্মী ও শিবিরের নেতাকর্মীদের সংগঠনে প্রবেশ করানো থেকে শুরু করে বিভিন্ন ধরনের অভিযোগে জর্জরিত জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল। 

সূত্রমতে, ছাত্রদলকে সুসংগঠিত করা, ক্যাম্পাসমুখী ও সংগঠনিকভাবে আরও শক্তিশালী করতে ইতোমধ্যে ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদ, ঢাকা মহানগর উত্তর, দক্ষিণ, পূর্ব ও পশ্চিম ইউনিটসহ কেন্দ্রীয় সংসদের কমিটি গঠন করতে পুনর্গঠনের সিদ্ধান্ত নিচ্ছে দলের হাইকমান্ড, যা রাজনৈতিক মহলেও বেশ আলোচিত হচ্ছে। যদিও এসব বিষয় নিয়ে বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ছাত্রদলের কমিটিতে যোগ্যদের সুযোগ দেওয়া হবে।

দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সূত্র বলছে, বিএনপির চেয়ারম্যান ছাত্রদলসহ সর্বস্তরে যোগ্য, ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতাদের দলে কাজ করার সুযোগ দেওয়ার ‘আহ্বান’ জানিয়েছেন। তিনি নতুন সরকারের নেতৃত্বে উন্নত বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে দক্ষ ও মেধাবী তরুণদের দলের মূল ধারায় যুক্ত করতে প্রবীণ নেতাদের বারবার পরামর্শ দিচ্ছেন। তবে তিনি সংগঠনের নেতৃত্বে আনার আগে যোগ্যতার মূল্যায়ন এবং বিগত দিনগুলোতে যারা দলের জন্য ত্যাগ স্বীকার করেছেন, তাদের দলে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হবে বলে জনিয়েছেন। পাশাপাশি ছাত্রদল পুনর্গঠনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীবান্ধব এবং মেধাবী ছাত্রনেতাদের দিয়ে দলকে ঢেলে সাজানোর নির্দেশ দেন। 

তথ্যমতে, এ ছাড়া ছাত্রদলকে আরও শক্তিশালী করা এবং জনসচেতনতা তৈরির মাধ্যমে আধুনিক ও সুশাসিত বাংলাদেশ গঠনে সহায়তা করার পাশাপাশি তরুণ প্রজন্মের নেতৃত্বই সরকারকে সহায়তা করা, দেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করা এবং ছাত্রদলের মাধ্যমে ডায়নামিক নেতৃত্ব তৈরি হবেএমন যোগ্যদের ছাত্রদলের শীর্ষ পদে আনতে পরিকল্পনা করছেন।  

নতুন কমিটি ঘিরে ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের সভাপতি পদে আলোচনার শীর্ষ রয়েছেন যারা

ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সূত্রে জানা যায়, সংগঠনের নেতাকর্মীদের মধ্যে কমিটি ভাঙার আলোচনা এখন তুঙ্গে। খোদ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ব্যক্তিগতভাবে সম্ভাব্য প্রার্থীদের ওপর নজরদারি রাখতে বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছেন বলে জানা গেছে। তবে কমিটি ভেঙে ফেলার আলোচনা শুনেই তোড়জোড় শুরু করেছেন বেশ কিছু নেতাকর্মী। এর মধ্যে আলোচনায় শীর্ষে রয়েছে বেশ কয়েকজন সভাপতি পদপ্রত্যাশীর নাম।

সভাপতি পদে বহুল আলোচনায় রয়েছেন বর্তমান কমিটির সহসভাপতি ইজাজুল কবির রুয়েল। রুয়েল দীর্ঘদিনের রাজপথের ত্যাগী ছাত্রনেতা। আরেকজন হলেন কেন্দ্রীয় কমিটির সহসভাপতি মঞ্জুরুল আলম রিয়াদ। রিয়াদ রাজপথে ও রাজনীতিতে বেশ সক্রিয়। এ ছাড়া আরেকজনও এগিয়ে আছেন। তিনি হলেন রিয়াদ রহমান (রিয়াদ উর রহমান); তার নামও বিভিন্ন মহলে বেশ আলোচিত। রিয়াদ রহমানের গ্রামের বাড়ি মাগুরা জেলায়। তিনি বরিশাল জেলা, মহানগর ও পিরোজপুর জেলার সাংগঠনিক টিমের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। রিয়াদ বিগত দিনে হাসিনার আমলে অনেক ত্যাগ ও নির্যাতনের শিকার। পাশাপাশি রিয়াদ ছাত্রদলের শীর্ষ নেতাদের মধ্যে মেধাবী এবং হাঁকডাকভাবে বিএনপি পরিবারের সন্তান। তিনিও লবিং লাইনে ব্যাপকভাবে তোড়জোড় করছেন। এই পদে আরেকজনের নাম শোনা যাচ্ছে। তিনি হলেন সহসভাপতি এইচ এম আবু জাফর। জাফরকে সবাই পছন্দ করেন। তিনিও লবিং লাইনে এগিয়ে থাকার চেষ্টা করছেন। যদিও বিগত দিনে তিনি সংগঠনের জন্য সবকিছু বিলিয়ে রাজপথে সক্রিয় থেকেছেন।

এ ছাড়া সভাপতি পদে আলোচনায় এগিয়ে রয়েছেন ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক আমানউল্লাহ আমান। আমানের ওপর বিগত সরকারের আমলে পুলিশ ও ছাত্রলীগ ব্যাপক নির্যাতন করে, যার কারণে তারেক রহমানও তাকে বেশ পছন্দ করেন। আমানের বেশির ভাগ জীবনযাপন কেটেছে জেলে। আমানের আত্মত্যাগের কথা বলতে গিয়ে ভারাক্রান্ত হন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি ও তার মতো ত্যাগী ছাত্রনেতাকে যোগ্য স্থানে দেখতে চাইছেন বলে দলীয় সূত্র নিশ্চিত করেছে।

ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটি পুনর্গঠনকে ঘিরে সংগঠনটির রাজনীতিতে নতুন করে আলোচনায় উঠে এসেছে একাধিক নাম। সম্ভাব্য সভাপতি প্রার্থীর তালিকায় যাদের নাম ঘুরছে, তাদের মধ্যে অন্যতম হলেন বর্তমান কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান। তাকে সবাই দলের দুর্দিনের ভিপি হিসেবে চেনেন। দীর্ঘদিন রাজপথে সক্রিয় থাকা এই ছাত্রনেতাকে কেন্দ্রীয় সংসদ ও তৃণমূল ছাত্রদলের একটি বড় অংশ ত্যাগী ও কর্মীবান্ধব নেতৃত্ব হিসেবে দেখছে। অন্যদিকে সহসভাপতি খোরশেদ আলম সোহেলও বেশ আলোচনায়। তিনি রাজপথে বেশ সক্রিয় এবং নির্যাতিত ছাত্রনেতা হিসেবে বিভিন্ন মহলে পরিচিত। সোহেল এর আগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন।

এ ছাড়া বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সম্ভাব্য সভাপতি পদপ্রার্থী হিসেবে আরিফুল ইসলাম আরিফের নাম আলোচনায় রয়েছে। তিনি বর্তমানে সংগঠনটির কেন্দ্রীয় সহসভাপতি এবং এর আগে আরিফ কেন্দ্রীয় সংসদের যুগ্ম সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!