ঢাকা মঙ্গলবার, ২১ জুলাই, ২০২৬

আমাদের ঘাড়ের ওপর কারো আধিপত্য মেনে নেব না : জামায়াত আমির

রূপালী প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মার্চ ১৭, ২০২৬, ০৩:১৬ পিএম
জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। ছবি : সংগৃহীত

জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, বাংলাদেশের ওপর কোনো বিদেশি আধিপত্য মেনে নেওয়া হবে না। একইসঙ্গে বিশ্বের সব সভ্য দেশের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখার প্রতিশ্রুতিও পুনর্ব্যক্ত করেছেন তিনি।

মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) দুপুরে রাজধানীর মিরপুর-১০ এলাকার আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে দুস্থদের মধ্যে চীনের সহায়তায় ফুড প্যাক বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি। অনুষ্ঠানে ঢাকায় নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন উপস্থিত ছিলেন।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, বাংলাদেশ একটি স্বাধীন দেশ এবং দেশের মানুষ আর কোনো ধরনের আধিপত্য মেনে নেবে না। তিনি উল্লেখ করেন, দেশের যুবসমাজ এখন আত্মমর্যাদাবোধে বিশ্বাসী এবং বিশ্বদরবারে নিজেদের পরিচয় তুলে ধরতে প্রস্তুত।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ বিশ্বের সব উন্নত ও সভ্য দেশের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখতে চায়। তবে সেই সম্পর্ক হবে পারস্পরিক সম্মান ও সমতার ভিত্তিতে।

চীন সরকারের সহায়তায় আয়োজিত এই কর্মসূচির জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে জামায়াত আমির বলেন, ঈদকে সামনে রেখে এ ধরনের সহায়তা অসহায় মানুষের মুখে হাসি ফোটাবে। এটি দুই দেশের বন্ধুত্বের প্রতীক হিসেবেও কাজ করবে।

সরকারি সহায়তা জনগণের কাছে যথাযথভাবে পৌঁছে দেওয়ার অঙ্গীকার করে তিনি বলেন, জনগণের প্রাপ্য তাদের কাছে পৌঁছানো নিশ্চিত করা হবে এবং নিজস্ব সামর্থ্য অনুযায়ী অতিরিক্ত সহায়তার চেষ্টাও থাকবে।

বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক প্রসঙ্গে তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ধরে দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক বিদ্যমান এবং উন্নয়ন সহযোগিতায় চীন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আসছে। বিভিন্ন অবকাঠামো উন্নয়নসহ বহু প্রকল্পে চীনের অংশীদারিত্ব রয়েছে।

তিস্তা প্রকল্পের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, এটি উত্তরাঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি। এই প্রকল্প বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।

এদিকে অনুষ্ঠানে চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বলেন, আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষে মানুষের সঙ্গে আনন্দ ভাগাভাগি করতেই এই সহায়তা কার্যক্রম আয়োজন করা হয়েছে। তিনি বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক আরও জোরদার করার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

তিনি আরও বলেন, উন্নয়ন সহযোগিতা ও পারস্পরিক সমর্থনের মাধ্যমে দুই দেশ একসঙ্গে এগিয়ে যাবে এবং একটি সমৃদ্ধ ভবিষ্যৎ গড়ে তুলবে।