ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

অধিকার, মর্যাদা ও স্বাধীনতার প্রশ্নে বারবার জেগে উঠেছে জনতা : নাহিদ

রূপালী প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মার্চ ২৫, ২০২৬, ০৯:৩৯ পিএম
নাহিদ ইসলাম। ছবি : সংগৃহীত

মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে সকল বীর শহিদকে গভীর শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করেছেন বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেন, অধিকার, মর্যাদা ও স্বাধীনতার প্রশ্নে বারবার জেগে উঠেছে জনতা।

বুধবার (২৫ মার্চ) মহান স্বাধীনতা উপলক্ষে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে নিজের ভেরিফায়েড আইডিতে এক পোস্টে এমন মন্তব্য করেন তিনি।

তিনি বলেন, ২৬শে মার্চ আমাদের ইতিহাসের এক অনন্য গৌরবময় ও আত্মমর্যাদার দিন। মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত হয়েছে স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশ।

তিনি নির্যাতিত বীরাঙ্গনাদের প্রতিও গভীর শ্রদ্ধা জানান এবং বলেন, তাদের ত্যাগ ও সাহস আমাদের জাতীয় ইতিহাসকে আরও মহিমান্বিত করেছে।

স্বাধীনতার ৫৫তম বর্ষপূর্তি উপলক্ষে দেশে ও প্রবাসে অবস্থানরত সকল বাংলাদেশিকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান নাহিদ ইসলাম।

তিনি বলেন, ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা কেবল একটি ভূখণ্ডের অর্জন নয়; এটি ছিল ন্যায়, সাম্য, গণতন্ত্র ও মানবিক মর্যাদার ভিত্তিতে রাষ্ট্র গঠনের অঙ্গীকার। তবে স্বাধীনতার এত বছর পরও সেই অঙ্গীকার পূর্ণ বাস্তবায়নের অপেক্ষায় রয়েছে।

নাহিদ ইসলাম অভিযোগ করেন, গণতন্ত্রের স্বাভাবিক ধারাকে ব্যাহত করে বারবার জাতির ওপর স্বৈরাচার ও ফ্যাসিবাদের শাসন চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে রাষ্ট্রকে দুর্বল করে বিদেশি শক্তির কাছে নতজানু করার অপচেষ্টাও হয়েছে।

তিনি বলেন, এ দেশের মানুষ কখনো পরাজয় মেনে নেয়নি। অধিকার, মর্যাদা ও স্বাধীনতার প্রশ্নে বারবার জেগে উঠেছে জনতা। সবশেষ জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানে বহু শহীদের আত্মদানের মধ্য দিয়ে জাতি স্বৈরশাসন থেকে মুক্তি পেয়েছে এবং গণতান্ত্রিক অধিকার পুনরুদ্ধার হয়েছে।

মহান এই দিনে তিনি অঙ্গীকার ব্যক্ত করে বলেন, শহীদদের রক্তের ঋণ শোধ করতে একটি জবাবদিহিমূলক, ন্যায়ভিত্তিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়ে তোলা হবে। দুর্নীতি, অন্যায় ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে আপসহীন অবস্থান নিয়ে এগিয়ে যাওয়ার কথাও জানান তিনি।

নতুন প্রজন্মের প্রতি আহ্বান জানিয়ে নাহিদ ইসলাম বলেন, মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত চেতনা ধারণ করে সত্য, ন্যায়, সাহস ও দেশপ্রেমের আদর্শে নিজেদের গড়ে তুলতে হবে। তাদের হাত ধরেই রচিত হবে আগামীর বাংলাদেশ।

সবশেষে তিনি মহান আল্লাহ তায়ালার কাছে দেশের শান্তি, সমৃদ্ধি, নাগরিকদের সর্বাঙ্গীণ কল্যাণ এবং শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন।