× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

গ্রিস প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জানুয়ারি ২৫, ২০২৬, ০৭:১১ পিএম

গ্রিসে তালাবদ্ধ এনবিএল এজেন্সি, প্রবাসীদের কষ্টার্জিত অর্থ অনিশ্চয়তায়

গ্রিস প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জানুয়ারি ২৫, ২০২৬, ০৭:১১ পিএম

ছবি- সংগৃহীত

ছবি- সংগৃহীত

গ্রিসের রাজধানী আথেন্সে ন্যাশনাল ব্যাংক লিমিটেডের (এনবিএল) একটি এজেন্ট শাখায় তালা ঝুলছে। অভিযোগ রয়েছে, লক্ষাধিক ইউরো নিয়ে ম্যানেজারসহ সংশ্লিষ্ট সবাই পলাতক। গ্রিসে এনবিএল ন্যাশনাল ব্যাংক লিমিটেড, আথেন্সের এজেন্ট প্রতিষ্ঠানটির নতুন ম্যানেজার ও সংশ্লিষ্ট প্রতারকদের যোগসাজশে প্রায় ৩০০ প্রবাসীর কষ্টার্জিত অর্থ অনিশ্চয়তায় পড়েছে। এতে হতাশায় দিন কাটাচ্ছে শত শত রেমিট্যান্স যোদ্ধার পরিবার।

প্রবাসী বাংলাদেশিরা বিদেশ থেকে মানি ট্রান্সফার এজেন্সির মাধ্যমে দেশে রেমিট্যান্স পাঠিয়ে পরিবার ও দেশের অর্থনীতির চাকা সচল রাখেন। কিন্তু গ্রিসে তিন শতাধিক প্রবাসীর কষ্টার্জিত অর্থ দেড় মাস ধরে আটকে রেখেছে দেশটিতে অবস্থিত বাংলাদেশের ন্যাশনাল ব্যাংকের মালিকানাধীন এজেন্ট প্রতিষ্ঠান ‘এনবিএল’। এরই মধ্যে গত কয়েকদিন ধরে এজেন্টের কার্যালয়ে তালা ঝুলতে দেখা গেছে। এতে চরম হতাশায় রয়েছেন ভুক্তভোগীরা।

গ্রিস প্রবাসী ইসলাম উদ্দিনের অসুস্থ স্ত্রী ঢাকার একটি হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। স্ত্রীর চিকিৎসার জন্য জরুরিভাবে তিনি ২ হাজার ইউরো, অর্থাৎ বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৩ লাখ টাকা পাঠান বাংলাদেশ ন্যাশনাল ব্যাংক লিমিটেডের মালিকানায় পরিচালিত ‘এনবিএল’ মানি ট্রান্সফার এজেন্সির মাধ্যমে। গত বছরের ২১ ডিসেম্বর পাঠানো এই রেমিট্যান্স এখনো পৌঁছায়নি। প্রতিষ্ঠানটিতে বারবার গিয়েও কোনো সদুত্তর পাননি এই রেমিট্যান্স যোদ্ধা।

শুধু ইসলাম উদ্দিনই নন, গত বছরের ২৫ নভেম্বর থেকে অন্তত ৩০০-এর বেশি প্রবাসীর পাঠানো অর্থ বা রেমিট্যান্স এখনো দেশে পরিবারের অ্যাকাউন্টে পৌঁছায়নি বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা। অনেকের ধারণা, আটকে থাকা টাকার পরিমাণ অন্তত ৫ থেকে ৬ কোটি টাকা, এমনকি তারও বেশি হতে পারে।

প্রবাসীদের দাবি, কঠোর পরিশ্রম করে উপার্জিত এই অর্থ নিয়ম মেনে বৈধ পথে পাঠানোর পরও এতদিন ধরে তারা কোনো সমাধান পাচ্ছেন না। উল্টো গত কয়েকদিন ধরে সংশ্লিষ্ট মানি ট্রান্সফার এজেন্সির কার্যালয়ে তালা ঝুলতে দেখা যাচ্ছে। এতে চরম দুশ্চিন্তা ও অনিশ্চয়তায় দিন কাটছে প্রবাসীদের।

অনেক প্রবাসীই পরিবারের একমাত্র ভরসা। দেশে থাকা মা-বাবার চিকিৎসা, সন্তানদের পড়াশোনা ও সংসারের নিত্য খরচ—সবই নির্ভর করে এই রেমিট্যান্সের ওপর। কিন্তু অর্থ আটকে থাকায় দেশে থাকা স্বজনরাও পড়েছেন চরম বেকায়দায়।

এ বিষয়ে বক্তব্য নিতে তালাবদ্ধ এনবিএল গ্রিসের ইনচার্জ এস এম রনির সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তিনি হোয়াটসঅ্যাপে এক বার্তায় জানান, এ বিষয়ে গণমাধ্যমে কথা বলার অনুমতি তার নেই।

অন্যদিকে গ্রিসে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত জানান, কয়েকজন ভুক্তভোগীর অভিযোগ পাওয়ার পর তিনি বিষয়টি অর্থ মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ ব্যাংকসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেছেন।

এদিকে সময় যত গড়াচ্ছে, ততই বাড়ছে প্রবাসীদের হতাশা ও ক্ষোভ। তাদের দাবি, দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নিয়ে আটকে থাকা কষ্টার্জিত অর্থ উদ্ধার করা হোক, যাতে বিদেশের মাটিতে ঘাম ঝরানো মানুষগুলো অন্তত পরিবার নিয়ে নিশ্চিন্তে থাকতে পারেন।

এই ঘটনায় স্থানীয় বাঙালি কমিউনিটিতে মানি ট্রান্সফার ব্যবসায়ীদের প্রতি অনাস্থা তৈরি হওয়ার আশঙ্কা করছেন অন্যান্য ব্যবসায়ীরা। স্থানীয় সাংবাদিকদের সহযোগিতায় ভুক্তভোগীরা দূতাবাসের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। দূতাবাসের আশ্বাসে পরিস্থিতি এখনো শান্ত রয়েছে বলে মনে করছেন বিশিষ্টজনেরা। এটি শুধুমাত্র তথ্য প্রদানের জন্য। প্রয়োজনে ভয়েস ওভার করে জিভি হিসেবে ব্যবহার করা যেতে পারে।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!