× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: মার্চ ২, ২০২৬, ০২:২৬ পিএম

পবিত্র রমজানে খতম তারাবির ফজিলত ও তাৎপর্য

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: মার্চ ২, ২০২৬, ০২:২৬ পিএম

খতম তারাবির ফজিলত ও তাৎপর্য।  ছবি : সংগৃহীত

খতম তারাবির ফজিলত ও তাৎপর্য। ছবি : সংগৃহীত

রমজান মাস হলো কোরআন নাজিলের মাস। আল্লাহতায়ালা বলেন, ‘রমজান মাস সেই মাস, যে মাসে কোরআন নাজিল করা হয়েছে।’ (সুরা বাকারা : ১৮৫)। এই মাসে রাসুলুল্লাহ (সা.) হজরত জিবরাঈল (আ.)-কে পুরো কোরআন তিলাওয়াত করে শোনাতেন। সেই সুন্নাহর অনুসরণে তারাবির নামাজে পুরো কোরআন খতম করার বিধান মুসলিম উম্মাহর মাঝে অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে পালিত হয়ে আসছে।

১. খতম তারাবির বিশেষ ফজিলত
খতম তারাবির আলাদা কিছু বিশেষত্ব ও ফজিলত রয়েছে, যা সাধারণ ইবাদতের চেয়ে ভিন্ন মাত্রা যোগ করে।

পূর্ণাঙ্গ তিলাওয়াতের সওয়াব : জামাতের সাথে খতম তারাবি পড়লে পুরো কোরআন শোনার সওয়াব অর্জিত হয়। কোরআনের প্রতিটি হরফ পাঠের বিনিময়ে ১০টি করে নেকি পাওয়া যায়, আর রমজানে এই সওয়াব বহু গুণ বৃদ্ধি পায়।

রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর সুন্নাহর অনুসরণ : মহানবী (সা.) রমজানে জিবরাঈল (আ.)-এর সাথে কোরআন ‘দাওর’ বা পুনরাবৃত্তি করতেন। খতম তারাবির মাধ্যমে এই সুন্নাহটি সামাজিকভাবে পালিত হয়।

পুরো রাত ইবাদতের সওয়াব : হাদিস শরিফে এসেছে, ‘যে ব্যক্তি ইমামের সাথে শেষ পর্যন্ত তারাবির নামাজ আদায় করবে, তাকে পুরো রাত ইবাদতের সওয়াব দেওয়া হবে।’ (তিরমিজি)

কোরআনের সঙ্গে সম্পর্ক বৃদ্ধি : খতম তারাবি মুমিনদের সাথে কোরআনের সংযোগকে মজবুত করে। সারা বছর যারা কোরআন পড়ার সময় পান না, তারা অন্তত এই মাসে আল্লাহর বাণী শোনার সুযোগ পান।

২. তাৎপর্য
ধৈর্য ও সহনশীলতা : দীর্ঘ সময় দাঁড়িয়ে কোরআন শোনা মুমিনের ধৈর্য (সবর) বৃদ্ধি করে।

সামাজিক সংহতি : এলাকার সব মানুষ একসাথে দীর্ঘ সময় ইবাদতে মশগুল থাকে, যা ভ্রাতৃত্ব তৈরি করে।

তাকওয়া অর্জন : কোরআনের আয়াতগুলো বারবার শোনার ফলে অন্তরে আল্লাহর ভয় বা তাকওয়া সৃষ্টি হয়।

মানসিক প্রশান্তি : কোরআন তিলাওয়াত শ্রবণ হৃদয়ে এক অপার্থিব প্রশান্তি দান করে।

৩. বিশেষ সতর্কতা ও আদব
খতম তারাবির পূর্ণ সওয়াব পেতে হলে কিছু বিষয়ের দিকে নজর রাখা জরুরি :

স্পষ্ট তিলাওয়াত : হাফেজদের উচিত খুব দ্রুত না পড়ে স্পষ্ট ও শুদ্ধভাবে তিলাওয়াত করা, যাতে মুসল্লিরা বুঝতে পারেন।

বিনয় ও একাগ্রতা : এটি কেবল একটি আনুষ্ঠানিকতা নয়, বরং আল্লাহর সামনে দাঁড়ানো। তাই খুশু-খুজুর (একাগ্রতা) সাথে নামাজ আদায় করা আবশ্যক।

লোকদেখানো মানসিকতা ত্যাগ : খতম তারাবি যেন কেবল নাম কামানোর মাধ্যম না হয়, বরং একমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্যই হওয়া চাই।

খতম তারাবি রমজানের একটি নূরানি অনুষঙ্গ। এটি মুমিনের ঈমানকে সতেজ করে এবং পরকালে কোরআনের সুপারিশ পাওয়ার পথ প্রশস্ত করে। তাই সম্ভব হলে খতম তারাবিতে শরিক হওয়া প্রতিটি মুসলমানের জন্য অত্যন্ত কল্যাণকর।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!