× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী ডেস্ক

প্রকাশিত: মার্চ ৭, ২০২৬, ১০:০৮ পিএম

আজ ঐতিহাসিক বদর দিবস

রূপালী ডেস্ক

প্রকাশিত: মার্চ ৭, ২০২৬, ১০:০৮ পিএম

ছবি- সংগৃহীত

ছবি- সংগৃহীত

আজ ১৭ রমজান—ঐতিহাসিক বদর দিবস। বদর যুদ্ধ ইসলামের ইতিহাসের এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। দ্বিতীয় হিজরির ১৭ রমজান (৬২৪ খ্রিষ্টাব্দের ১৩ মার্চ) মদিনা থেকে ৮০ কিলোমিটার দক্ষিণে ঐতিহাসিক বদর প্রান্তরে সত্য-মিথ্যার পার্থক্য নিরূপণকারী এ যুদ্ধ সংঘটিত হয়। এটি কেবল একটি সামরিক বিজয়ের কাহিনি নয়, এটি ছিল আল্লাহর ওপর অটল বিশ্বাস, ত্যাগ এবং ন্যায়ের পক্ষে দৃঢ় অবস্থানের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। এ যুদ্ধের বিজয়ই মদিনায় ইসলামি রাষ্ট্রের ভিত প্রতিষ্ঠার সুযোগ করে দেয়। 

এ যুদ্ধে মানুষের সব ধারণা নাকচ করে দিয়ে প্রায় উপকরণহীন মুষ্টিমেয় দলটিকে জয়ী করেন মহান রাব্বুল আ’লামিন। সত্য-মিথ্যার চিরন্তন দ্বন্দ্বের ইতিহাসে সংযোজিত হয় নতুন অধ্যায়। তাই শুধু ইসলামের ইতিহাসে নয়, বিশ্ব সভ্যতার ইতিহাসে এ দিনটি অনন্য অবস্থান দখল করে রেখেছে।

এ দিন ৩১৩ জন সাহাবি (র.)-কে নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নেতৃত্বে তৎকালীন সময়ের আধুনিক অস্ত্রে সজ্জিত মক্কার মুশরিকদের সঙ্গে বদর প্রান্তরে সংঘটিত হয়েছিল রক্তক্ষয়ী বদর যুদ্ধ। 

বদরের যুদ্ধে কুরাইশদের পক্ষ থেকে ৭০ জন নিহত হয় এবং আরও ৭০ জন বন্দি হয়। অন্যদিকে মুসলমানদের মধ্যে শহিদ হন মাত্র ১৪ জন সাহাবি। যুদ্ধের এই ফলাফল ছিল মানুষের কল্পনারও বাইরে। কিন্তু এটিই ছিল মহান আল্লাহর অসীম কুদরতের প্রমাণ—তিনি চাইলে স্বল্পসংখ্যক মানুষ দিয়েও বৃহৎ শক্তিকে পরাজিত করতে পারেন।

ঐতিহাসিক তথ্য মতে, ১৬ রমজান মাগরিবের পর তারিখ পরিবর্তন হয়ে ১৭ রমজান শুরু হলো। সেই রাতে নবিজি ও তাঁর সাহাবিরা বদর প্রান্তের তাঁবুতে অবস্থান করছিলেন। অপর দিকে কাফেররাও তাদের ক্যাম্পে অবস্থান করছিল।

১৭ রমজানের বিশেষ এই রাতে রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বিশেষ দোয়া করেছিলেন।  আল্লাহ তায়ালা তাঁর প্রিয় নবির সেই দোয়া কবুল করেন। কুরাইশদের অহংকার ও দম্ভ মাটির সঙ্গে মিশিয়ে দেন এবং চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেন যে, বাহ্যিক উপায়-উপকরণই সবকিছু নয়; প্রকৃত শক্তি নিহিত থাকে ইমান ও আল্লাহর ওপর নির্ভরতার মধ্যে।

আল্লাহ তায়ালা নবমুসলিম ও নতুন রাষ্ট্রে দান করলেন বিজয়। নিরস্ত্র মুসলিমরা অস্ত্রে সজ্জিত বাহিনীকে পরাজিত করলেন। 

এ দিবসটি আত্মশুদ্ধি, অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ও আল্লাহর ওপর অটল বিশ্বাসের শিক্ষা বহন করে। তাই এটি বিশ্বাসীদের জন্য তথা মুসলিম উম্মার জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ একটি অধ্যায়।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!