× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: এপ্রিল ৯, ২০২৬, ১১:৫৫ এএম

ভালো মৃত্যুর লক্ষণ: পরকালীন সৌভাগ্যের শুভ ইঙ্গিত

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: এপ্রিল ৯, ২০২৬, ১১:৫৫ এএম

ভালো মৃত্যুর লক্ষণ। ছবি- সংগৃহীত

ভালো মৃত্যুর লক্ষণ। ছবি- সংগৃহীত

জন্মগ্রহণ করলে মৃত্যুর স্বাদ আস্বাদন করা অনিবার্য। তবে সব মৃত্যু সমান নয়। কিছু মৃত্যু এমন হয় যা দেখে মুমিন হৃদয়ে প্রশান্তি পায় এবং যা পরকালীন সাফল্যের জানান দেয়। পবিত্র কুরআন ও সহিহ হাদিসের আলোকে ‘ভালো মৃত্যু’ বা উত্তম পরিণতির কিছু বিশেষ নিদর্শনের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

ইসলামী বিশ্বাস অনুযায়ী, মৃত্যু কেবল একটি জীবনের সমাপ্তি নয় বরং অবিনশ্বর এক জীবনের শুরু। একজন মুমিনের কাছে ‘হুসনে খাতিমা’ বা ‘ভালো মৃত্যু’ আল্লাহর এক বিশেষ নেয়ামত। 

১. কালিমা পাঠ করতে করতে মৃত্যু
উত্তম মৃত্যুর সবচেয়ে বড় এবং স্পষ্ট লক্ষণ হলো মৃত্যুর ঠিক আগ মুহূর্তে মুখে 'লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ' জারি হওয়া। রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, “যার শেষ কথা হবে ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’, সে জান্নাতে প্রবেশ করবে।” (আবু দাউদ)

২. কপালে ঘাম আসা
মৃত্যুর সময় মুমিনের কপাল ঘামাক্ত হওয়া শুভ লক্ষণ। হাদিসে বর্ণিত হয়েছে, “মুমিনের মৃত্যু হয় কপালে ঘাম নিয়ে।” (তিরমিজি)। অনেক আলেম মনে করেন, এটি মৃত্যুর যন্ত্রণার কারণে হতে পারে যা মুমিনের গুনাহ মাফের কারণ হয় অথবা আল্লাহর পক্ষ থেকে লজ্জাবোধের বহিঃপ্রকাশ।

৩. জুমার দিনে বা রাতে মৃত্যু
পবিত্র জুমার দিন বা রাতে (বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত) মৃত্যুবরণ করাকে অত্যন্ত বরকতময় মনে করা হয়। রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, “কোনো মুসলিম যদি জুমার দিন বা রাতে মৃত্যুবরণ করে, তবে আল্লাহ তাকে কবরের আজাব থেকে রক্ষা করেন।” (তিরমিজি)

৪. নেক আমল করা অবস্থায় মৃত্যু
আল্লাহর ইবাদত বা কোনো নেক কাজ করা অবস্থায় মৃত্যুবরণ করা অনেক বড় সৌভাগ্যের বিষয়। যেমন নামাজরত অবস্থায়, রোজা রাখা অবস্থায়, হজ পালনকালে কিংবা দ্বীনি কোনো কাজে থাকা অবস্থায় মৃত্যু। হাশরের ময়দানে ওই ব্যক্তি সেই আমল করা অবস্থাতেই পুনরুত্থিত হবে।

৫. শাহাদাতের মর্যাদা লাভ
কেবল যুদ্ধক্ষেত্রেই নয়, বরং নির্দিষ্ট কিছু পরিস্থিতিতে মৃত্যুকেও ইসলামে শাহাদাতের মর্যাদা দেওয়া হয়েছে। যেমন:

মহামারীতে মৃত্যু: যারা প্লেগ বা মহামারীতে ধৈর্য ধরে অবস্থান করে মারা যান।

পেটের পীড়ায় মৃত্যু: যারা পেটের অসুখে ভুগে মৃত্যুবরণ করেন।

পানিতে ডুবে বা অগ্নিদগ্ধ হয়ে মৃত্যু।

চাপ পড়ে মৃত্যু: দেয়াল বা কোনো ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে মারা যাওয়া।

সন্তান প্রসবকালীন মৃত্যু: মায়েদের জন্য এটি সর্বোচ্চ মর্যাদার একটি।

৬. মৃত্যুর সময় চেহারায় প্রশান্তি
একজন মুমিনের মৃত্যুর সময় যদি তার চেহারায় উজ্জ্বলতা, হাসি বা এক ধরনের বিশেষ প্রশান্তি ফুটে ওঠে, তবে তা ভালো মৃত্যুর অন্যতম বাহ্যিক নিদর্শন হিসেবে গণ্য করা হয়। এটি মূলত জান্নাতের সুসংবাদ পাওয়ার ফলে হতে পারে।

ভালো মৃত্যু লাভের আমল
প্রতিবেদনের শেষ অংশে পাঠকদের জন্য কিছু টিপস যোগ করতে পারেন:

তওবা: নিয়মিত গুনাহ থেকে তওবা করা।

দোয়া: আল্লাহর কাছে সব সময় ঈমানের সাথে উত্তম মৃত্যুর জন্য প্রার্থনা করা।

পাপ বর্জন: গোপনে কোনো বড় পাপে লিপ্ত না হওয়া, কারণ গোপন পাপ অনেক সময় মানুষের শেষ পরিণতি খারাপ করে দেয়।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!