× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: এপ্রিল ২৩, ২০২৬, ০৯:৪৩ এএম

পবিত্র হজের প্রস্তুতি ও সঠিকভাবে ইহরাম বাঁধবেন যেভাবে

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: এপ্রিল ২৩, ২০২৬, ০৯:৪৩ এএম

পবিত্র হজের প্রস্তুতি ও সঠিকভাবে ইহরাম বাঁধবেন যেভাবে। ছবি : সংগৃহীত

পবিত্র হজের প্রস্তুতি ও সঠিকভাবে ইহরাম বাঁধবেন যেভাবে। ছবি : সংগৃহীত

হজ বা ওমরাহর জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এবং প্রাথমিক কাজ হলো ইহরাম বাঁধা। ইহরাম কেবল নির্দিষ্ট দুটি কাপড় পরা নয়, বরং এটি একটি বিশেষ ইবাদত যার মাধ্যমে হজের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। সঠিকভাবে ইহরাম না বাঁধলে হজের মূল প্রক্রিয়ায় ত্রুটি থেকে যেতে পারে। তাই হাজিদের সুবিধার্থে ইহরাম বাঁধার সঠিক নিয়ম ও আনুষঙ্গিক বিষয়গুলো নিচে তুলে ধরা হলো।

ইহরাম বাঁধার পূর্বপ্রস্তুতি
ইহরামের কাপড় পরার আগে কিছু শারীরিক পরিচ্ছন্নতা জরুরি:

নখ কাটা, গোঁফ ছাঁটা এবং শরীরের অবাঞ্ছিত পশম পরিষ্কার করা।

ভালোভাবে গোসল করা। গোসল সম্ভব না হলে অন্তত অজু করে নেওয়া।

শরীরে বা ইহরামের কাপড়ে সুগন্ধি লাগানো (কাপড় পরার পর সুগন্ধি ব্যবহার করা নিষিদ্ধ)।

ইহরামের পোশাক ও পরিধান পদ্ধতি
পুরুষের জন্য: পুরুষের ইহরামের জন্য দুটি সাদা সেলাইবিহীন চাদর প্রয়োজন। একটি চাদর লুঙ্গির মতো করে পরতে হয় (নিচের অংশ), আর অন্যটি দিয়ে শরীর ঢাকতে হয় (উপরের অংশ)। ইহরাম অবস্থায় মাথা ও মুখ ঢাকা যাবে না এবং পায়ে এমন জুতা পরতে হবে যাতে গোড়ালি ও পায়ের উপরের হাড় খোলা থাকে।

নারীদের জন্য: নারীদের জন্য নির্দিষ্ট কোনো পোশাক নেই। তারা সাধারণ ঢিলেঢালা শালীন পোশাক পরবেন। তবে তাদের মাথা ঢাকা থাকলেও মুখমণ্ডল খোলা রাখতে হবে (তবে পর্দার প্রয়োজনে এমনভাবে নেকাব ব্যবহার করা যাবে যাতে কাপড় চেহারায় লেগে না থাকে)।

ইহরামের আমল ও নিয়ত
পোশাক পরার পর নির্দিষ্ট 'মিকাত' (সীমানা) অতিক্রম করার আগেই ইহরামের নিয়ত করতে হয়:

১. নফল নামাজ: মকরুহ সময় না হলে দুই রাকাত নফল নামাজ আদায় করা মুস্তাহাব। নামাজের প্রথম রাকাতে সূরা কাফিরুন এবং দ্বিতীয় রাকাতে সূরা ইখলাস পড়া উত্তম।

২. নির্ধারিত নিয়ত: নামাজ শেষে হজের উদ্দেশ্য মনে মনে স্থির করে মুখে উচ্চারণ করা। হজের জন্য হলে বলতে হবে- “আল্লাহুম্মা ইন্নি উরিদুল হাজ্জা ফায়াসসিরহু লি ওয়া তাকাব্বালহু মিন্নি।”

৩. তালবিয়া পাঠ: নিয়ত করার পরপরই উচ্চস্বরে (পুরুষরা উচ্চস্বরে, নারীরা নিভৃতে) অন্তত একবার তালবিয়া পাঠ করতে হয়— “লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক, লাব্বাইকা লা শারিকা লাকা লাব্বাইক। ইন্নাল হামদা ওয়ান নি’মাতা লাকা ওয়াল মুলক, লা শারিকা লাক।”

ইহরাম অবস্থায় নিষিদ্ধ কাজসমূহ
ইহরাম বাঁধার পর তালবিয়া পাঠ শুরু করলে কিছু কাজ কঠোরভাবে নিষিদ্ধ হয়ে যায়:

সেলাই করা কাপড় বা টুপি পরা (পুরুষদের জন্য)।

মাথা বা মুখ ঢাকা।

চুল, নখ বা শরীরের কোনো পশম কাটা বা উপড়ানো।

যৌন মিলন বা এই সংক্রান্ত আলাপ করা।

শিকার করা বা ঝগড়া-বিবাদে লিপ্ত হওয়া।

সুগন্ধি বা সুগন্ধযুক্ত সাবান/তেল ব্যবহার করা।

হজ একটি পবিত্র সফর। এই সফরে ছোট ছোট ভুলের কারণে অনেক সময় ‘দম’ বা কাফফারা ওয়াজিব হয়ে যায়। তাই ইহরাম বাঁধার পর প্রতিটি পদক্ষেপে সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত। মহান আল্লাহ সকল হাজির হজকে কবুল ও মকবুল করুন।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!