× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: এপ্রিল ১৫, ২০২৬, ০৯:২৭ এএম

তাওহীদের মলাট সূরা ইখলাস আল্লাহর পরিচয় ও একত্ববাদের অকাট্য দলিল

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: এপ্রিল ১৫, ২০২৬, ০৯:২৭ এএম

তাওহীদের মলাট সূরা ইখলাস। ছবি : সংগৃহীত

তাওহীদের মলাট সূরা ইখলাস। ছবি : সংগৃহীত

পবিত্র কোরআনের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও ফজিলতপূর্ণ সূরা ‘ইখলাস’। পবিত্র কোরআনের এক-তৃতীয়াংশের সমান সূরা ইখলাস। মুসলিম উম্মাহর কাছে অত্যন্ত পরিচিত ও পঠিত একটি সূরা হলো ‘সূরা ইখলাস’। পবিত্র কোরআনের ১১২ নম্বর সূরা এটি। আয়তন ছোট হলেও এর গভীরতা ও মাহাত্ম্য অপরিসীম। এই সূরাটিকে ইসলামের মূল ভিত্তি তথা ‘তাওহীদ’ বা একত্ববাদের নির্যাস বলা হয়।

সূরাটির শানে নুযূল (পটভূমি)
রাসূলুল্লাহ (সা.) যখন মক্কায় ইসলামের দাওয়াত দিচ্ছিলেন, তখন মুশরিকরা মহান আল্লাহর বংশপরিচয় ও সত্তা সম্পর্কে নানা প্রশ্ন করতে শুরু করে। তাদের সেই সব প্রশ্নের জবাবে আল্লাহ তাআলা এই সূরাটি অবতীর্ণ করেন। যেখানে সুস্পষ্টভাবে আল্লাহর একত্ববাদ ও অমুখাপেক্ষিতার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

সূরা ইখলাসের মূল শিক্ষা ও তাৎপর্য
১. একত্ববাদ (তাওহীদ): এই সূরার প্রথম আয়াতে বলা হয়েছে, আল্লাহ এক ও অদ্বিতীয়। তাঁর কোনো শরিক নেই।

২. অমুখাপেক্ষিতা (সামাদিয়্যাত): আল্লাহ কারোর ওপর নির্ভরশীল নন, বরং সৃষ্টির সবকিছুই তাঁর মুখাপেক্ষী।

৩. বংশীয় সম্পর্কহীনতা: আল্লাহ তাআলা কারও সন্তান নন এবং তাঁরও কোনো সন্তান নেই। এটি খ্রিষ্টান বা অন্যান্য ধর্মের ভ্রান্ত ধারণার অকাট্য জবাব।

৪. অতুলনীয়তা: আল্লাহর সমকক্ষ বা সমান হওয়ার মতো মহাবিশ্বে কেউ নেই।

ইসলামে সূরা ইখলাসের গুরুত্ব ও ফজিলত
হাদিস শরিফে সূরা ইখলাসের অভাবনীয় ফজিলত বর্ণিত হয়েছে:

কোরআনের এক-তৃতীয়াংশ: নবী করিম (সা.) ইরশাদ করেছেন, “সূরা ইখলাস পবিত্র কোরআনের এক-তৃতীয়াংশের সমান।” (সহীহ বুখারী)। অর্থাৎ তিনবার এই সূরাটি পাঠ করলে পূর্ণ কোরআন খতমের সওয়াব পাওয়া যায় বলে ওলামায়ে কেরামগণ উল্লেখ করেন।

জান্নাত লাভের উপায়: এক সাহাবী এই সূরাটিকে অত্যন্ত ভালোবাসতেন এবং প্রতিটি নামাজের সাথে এটি তিলাওয়াত করতেন। নবীজী (সা.) তাকে বলেছিলেন, “এই সূরার প্রতি তোমার ভালোবাসা তোমাকে জান্নাতে দাখিল করবে।”

নিরাপত্তা ও আশ্রয়: প্রতি রাতে ঘুমানোর আগে এবং ফরজ নামাজের পর সূরা ইখলাস, ফালাক ও নাস পাঠ করা সুন্নাত, যা যাবতীয় অনিষ্ট থেকে মানুষকে রক্ষা করে।

সূরা ইখলাস কেবল মুখস্থ করার জন্য নয়, বরং এর অর্থ ও মর্ম উপলব্ধি করা প্রতিটি মুমিনের জন্য জরুরি। এটি অন্তরের শিরক দূর করে ঈমানকে মজবুত করে। দৈনন্দিন জীবনে এই সূরার আমল ও চর্চা পরকালীন মুক্তির পথকে প্রশস্ত করে।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!