× UCB Sticker Card
বুধবার, ১০ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জুন ১০, ২০২৬, ০৩:০১ পিএম

খালাস পেয়ে ফেসবুক পোস্টে যা বললেন ক্রিকেটার নাসির

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জুন ১০, ২০২৬, ০৩:০১ পিএম

ক্রিকেটার নাসির ও তার স্ত্রী তামিমা। ছবি : সংগৃহীত

ক্রিকেটার নাসির ও তার স্ত্রী তামিমা। ছবি : সংগৃহীত

মামলা থেকে খালাস পেয়ে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে বলে দাবি করেছেন ক্রিকেটার নাসির হোসেন। দীর্ঘদিনের কোর্টকাছারির দৌড়ঝাঁপ শেষে মামলা থেকে রেহাই পেয়েছেন জাতীয় দলের ক্রিকেটার নাসির হোসেন ও তার স্ত্রী তামিমা সুলতানা। আদালত রায় দিয়েছে, বিয়ে করে কোনো অপরাধ করেননি এই তারকা জুটি। এরপর ফেসবুক পোস্টে স্বস্তি প্রকাশ করেন নাসির।

তামিমার প্রথম স্বামী ছিলেন রাকিব হাসান। তারপর নাসিরকে বিয়ে করেন তামিমা। এতে ক্ষুব্ধ হন রাকিব। তার দাবি ছিল, তামিমা তাকে ডিভোর্স না দিয়েই নাসিরকে বিয়ে করেছেন। আইনগতভাবে বিচ্ছেদের আগেই নতুন করে বিয়ে করার অভিযোগে তামিমা ও নাসিরের বিরুদ্ধে মামলা করেন তিনি। নাসির-তামিমার বিয়ের পরপরই, অর্থাৎ ২০২১ সালে রাকিবের দায়ের করা সেই মামলার ফয়সালা হলো প্রায় ৫ বছর পর।

বুধবার (১০ জুন) দুপুরে ঢাকার অ্যাডিশনাল চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলাম আলোচিত এ মামলার রায় ঘোষণা করেন। মামলার রায়ে নাসির ও তামিম দুইজনকেই খালাস দেওয়া হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ প্রমাণিত হয়নি।

২০২১ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি বিশ্ব ভালোবাসা দিবসে তামিমা সুলতানার সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন নাসির। বিয়ের পরই নাসিরের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনেন রাকিব হাসান। যদিও দীর্ঘ লড়াই শেষে সেই অভিযোগ থেকে মুক্তি পেলেন নাসির-তামিমা দম্পতি।

এতে স্বস্তি প্রকাশ করে নাসির ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে লিখেছেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ, আল্লাহ আমাদের হারতে দেন নাই। অবশেষে সত্যের জয় হলো। আইনের প্রতি শুরু থেকেই আস্থা ছিলো, তাই আইনের প্রতি সম্মান রেখে বলছি... ধন্যবাদ। শুধু মাত্র সঠিক তথ্য ও প্রমাণের ভিত্তিতে সুষ্ঠু বিচার কার্যকর করার জন্য। সকল প্রকার মিথ্যা অপপ্রচার এবং মনগড়া কাহিনীকে উপেক্ষা করে, সত্যকে প্রাধান্য দিয়ে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করার জন্য আদালতকে অসংখ্য ধন্যবাদ।’

Link copied!