× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

ক্রীড়া প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জানুয়ারি ২৮, ২০২৬, ০১:৫২ পিএম

নিপাহ ভাইরাসকে আড়াল করে বিশ্বকাপ আয়োজনের চেষ্টা ভারতের

ক্রীড়া প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জানুয়ারি ২৮, ২০২৬, ০১:৫২ পিএম

ছবি : রূপালী বাংলাদেশ (গ্রাফিক্স)

ছবি : রূপালী বাংলাদেশ (গ্রাফিক্স)

দরজায় কড়া নাড়ছে ২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। কিন্তু ক্রিকেটীয় উত্তেজনার পরিবর্তে এখন বাতাসে ভাসছে প্রাণঘাতী নিপাহ ভাইরাসের আতঙ্ক। পশ্চিমবঙ্গের কলকাতা ও বারাসাত এলাকায় যখন নিপাহ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ডাক্তার-নার্সসহ সাধারণ মানুষ মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছেন, তখন অভিযোগ উঠেছে—বিশাল আর্থিক ক্ষতির হাত থেকে বাঁচতে এই ভয়াবহ সত্যকে আড়াল করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই)।

ভারতীয় গণমাধ্যমের খবরে জানা যায়, পশ্চিমবঙ্গে অন্তত ৫ জন আক্রান্ত হয়েছেন এবং শতাধিক মানুষ কোয়ারেন্টাইনে। নিপাহ ভাইরাসের মৃত্যুহার যেখানে ৪০% থেকে ৭৫%, সেখানে হাজার হাজার দর্শককে গ্যালারিতে জড়ো করা কি স্রেফ খেলা নাকি সজ্ঞানে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেওয়া?

বিশেষ সূত্রে জানা যায়, নিপাহ ভাইরাসের সংক্রমণকে আড়াল করে বিশ্বকাপ আয়োজনের চেষ্টা করছে ভারত ও আইসিসি। কেন এই লুকোচুরি? উত্তরটা স্রেফ টাকার অঙ্কে। আইসিসির আয়ের মেরুদণ্ড হলো ভারতের বাজার।

আইসিসির আয় কাঠামো অনুযায়ী, বিশ্বকাপ আয়োজন থেকে সবচেয়ে বেশি রাজস্ব আসে টেলিভিশন সম্প্রচার স্বত্ব, ডিজিটাল স্ট্রিমিং, স্পনসরশিপ ও টিকিট বিক্রি থেকে। ভারতের বিশাল বাজারের কারণে এসব খাতে আয় সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছায়।

বিশ্বকাপ অন্য দেশে সরে গেলে এই বিপুল রাজস্বের বড় অংশ হারাবে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই)। পাশাপাশি রাজ্য সরকার ও স্থানীয় আয়োজক সংস্থাগুলোর প্রত্যাশিত আয়ও কমে যাবে।

এ ছাড়াও বিশ্বকাপ চলাকালে বিদেশি দর্শক, দল, কর্মকর্তা ও গণমাধ্যমকর্মীদের আগমনে হোটেল, পরিবহন, রেস্তোরাঁ, ইভেন্ট ম্যানেজমেন্টসহ বিভিন্ন খাতে উল্লেখযোগ্য ব্যবসা সৃষ্টি হয়। বিশ্বকাপ সরে গেলে এই অস্থায়ী কিন্তু বড় পরিসরের কর্মসংস্থান ও ব্যবসায়িক সুযোগ হারাবে ভারত।

ভেতরের খবর অনুযায়ী, আইসিসি পরিস্থিতি বুঝতে পেরেও প্রকাশ্যে কিছু বলছে না। তারা গোপনে সংযুক্ত আরব আমিরাতকে (ইউএই) স্ট্যান্ডবাই হিসেবে প্রস্তুত রেখেছে। দুবাই, আবুধাবি ও শারজাহর মাঠগুলোকে রেড অ্যালার্টে রাখা হয়েছে।

সংযুক্ত আরব আমিরাত এর আগেও ২০২১ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ সফলভাবে আয়োজন করেছিল। তাই লজিস্টিক ও পরিকাঠামোর দিক থেকে আইসিসি দেশটিকে সবচেয়ে নিরাপদ বিকল্প মনে করছে।

কিন্তু প্রশ্ন উঠছে, বিসিসিআইর রাজনৈতিক ও আর্থিক প্রভাবের কাছে কি আইসিসি মাথা নত করে আছে?

এদিকে, নিপাহ ভাইরাসের কোনো প্রতিষেধক না থাকায় পাকিস্তান ইতোমধ্যেই তাদের খেলোয়াড়দের নিরাপত্তা নিয়ে চরম উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!