টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ইংল্যান্ড-নিউজিল্যান্ড ম্যাচে নিউজিল্যান্ড জিতলে বিদায় হয়ে যেত পাকিস্তান। এমন পরিস্থিতিতে কিউইদের বিপক্ষে অসাধারণ জয় তুলে নিল ইংল্যান্ড। এতে সেমিফাইনালের অপেক্ষা বাড়ল নিউজিল্যান্ডের, আর শেষ চারে খেলার স্বপ্নও বেচে রইল পাকিস্তানের।
সুপার এইটের ম্যাচে শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) নিউজিল্যান্ডকে ৪ উইকেটে হারিয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হলো ইংল্যান্ড। প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ১৫৯ রান করে নিউজিল্যান্ড। জবাবে ৩ বল ও ৪ উইকেট হাতে রেখেই জয় নিশ্চিত করে ইংল্যান্ড।
রান তাড়া করতে নেমে শুরুটা ভালো হয়নি ইংল্যান্ডের। দুই ওভার শেষ হওয়ার আগেই সাজঘরের পথ ধরেন দুই ওপেনার। ৪ বলে ২ রান করে আউট হন ফিল সল্ট। আর রানের দেখা পাননি জস বাটলার।
দ্বিতীয় উইকেটে চাপ সামলান দলনেতা হ্যারি ব্রুক ও জ্যাকব বেথেল। তবে বেশিক্ষণ ক্রিজে থাকতে পারেননি ব্রুক। ২৪ বলে ২৬ রান করে সাজঘরে ফেরেন তিনি। দুই ওভারের ব্যবধানে আউট হন বেথেলও, তিনি করেন ১৬ বলে ২১ রান। এ ছাড়া আউট হওয়ার আগে ২২ বলে ২৪ রান করেন স্যাম কারান।
দলকে বিপদে ফেলে ব্যক্তিগত ৩৩ রানে আউট হন ব্যান্টন। মনে হচ্ছিল তারা হেরে যাবে, কিন্তু সপ্তম উইকেটে উইল জ্যাকস ও রেহান আহমেদের দৃঢ় ব্যাটিংয়ে জয় নিশ্চিত হয়। ইংল্যান্ডে অপরাজিত ছিলেন জ্যাকস ২৮ রানে এবং রেহান ১৯ রানে।
এর আগে টস জিতে আগে ব্যাট করতে নেমে জোফরা আর্চারের প্রথম ওভারে কঠিন পরীক্ষার মুখে পড়েন টিম সেইফার্ট। একের পর এক সুইংয়ে বেসামাল হয়ে কোনো রান করতে পারেননি তিনি।
তবে আর্চারের তৃতীয় ওভারে ২ চার ও ১ ছক্কা মেরে ভালো শুরু নেন সেইফার্ট। ফিন অ্যালেনকে সঙ্গী করে দুজন মিলিয়ে পাওয়ার প্লের ৬ ওভারে ৫৪ রান তুলেন। ২৫ বলে ৩ চার ও ২ ছক্কায় ৩৫ রান করেন সেইফার্ট। অ্যালেন ১৯ বলে ২৯ রান করে পরপরই আউট হন।
রাচিন রবীন্দ্র ধীরগতিতে ১১ রানের ইনিংস খেলার পর স্পিন ঘূর্ণির মুখে পড়ে নিউজিল্যান্ড। গ্লেন ফিলিপস ২৮ বলে ৪ চার ও ১ ছক্কায় ৩৯ রান করেন। মার্ক চাপম্যান ৯ বলে ১৫ এবং কোল ম্যাককনচি ১৪ রান করেন।
ইংল্যান্ডের স্পিনারদের দাপটের কারণে আর্চারকে ৩ ওভার এবং স্যাম কারানকে ১ ওভার বেশি দিতে হয়নি। ইংল্যান্ডের পক্ষে চার স্পিনার মিলিয়ে ৭ উইকেট নেন। আদিল রশিদ, উইল জ্যাকস ও রেহান আহমেদ ২টি করে উইকেট শিকার করেন।


সর্বশেষ খবর পেতে রুপালী বাংলাদেশের গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন