× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

স্পোর্টস ডেস্ক

প্রকাশিত: মার্চ ৬, ২০২৬, ০৩:১৫ পিএম

নীরবতার পর এবার ইরানের ‘মিলিটারি স্যালুট’

স্পোর্টস ডেস্ক

প্রকাশিত: মার্চ ৬, ২০২৬, ০৩:১৫ পিএম

জাতীয় সংগীতের সময় ইরান নারী ফুটবল দলের মিলিটারি স্যালুট। ছবি : সংগৃহীত

জাতীয় সংগীতের সময় ইরান নারী ফুটবল দলের মিলিটারি স্যালুট। ছবি : সংগৃহীত

মধ্যপ্রাচ্যে ঘনীভূত হওয়া যুদ্ধাবস্থা এবং নিজ দেশের অস্থির রাজনৈতিক পরিস্থিতির এক চরম প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে চলমান নারী এশিয়ান কাপে। মাঠের লড়াইয়ের চেয়েও এখন বেশি আলোচনায় ইরান নারী ফুটবল দলের খেলোয়াড়দের রহস্যময় ও আবেগঘন আচরণ। 

গত সোমবার দক্ষিণ কোরিয়ার বিপক্ষে ম্যাচে জাতীয় সংগীতের সময় নীরবতা পালন করলেও বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ভিন্ন রূপ দেখালেন তারা।

গত সোমবার দক্ষিণ কোরিয়ার কাছে ৩-০ গোলে হেরে যাওয়া ম্যাচের আগে ইরানের জাতীয় সংগীত বাজার সময় খেলোয়াড়রা সম্পূর্ণ চুপ ছিলেন। কোনো আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা না দিলেও বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম একে বর্তমান শাসনব্যবস্থার বিরুদ্ধে ‘প্রতিরোধ’ বা চলমান সংঘাতে নিহতদের প্রতি ‘শোক প্রকাশ’ হিসেবে অভিহিত করে।

তবে ঠিক দুই দিন পর চিত্র বদলে যায়। বৃহস্পতিবার অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ম্যাচের আগে তারা কেবল সমস্বরে জাতীয় সংগীতই গাননি; বরং ‘মিলিটারি স্যালুট’ প্রদর্শন করেন। 

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ৪-০ গোলে হেরে যাওয়া ম্যাচটিতে গ্যালারিও ছিল উত্তাল। জাতীয় সংগীতের সময় দর্শকদের একটি অংশ থেকে দুয়ো ধ্বনি আসতে থাকে। অনেক ইরানিয়ান-অস্ট্রেলিয়ান দর্শক ১৯৭৯ সালের বিপ্লব-পূর্ব পতাকা প্রদর্শন করে বর্তমান শাসনের প্রতিবাদ জানান। এমনকি গ্যালারিতে ডোনাল্ড ট্রাম্পের পক্ষে স্লোগান এবং ব্যানারও দেখা যায়।

মাঠের বাইরের এই রাজনৈতিক চাপ সরাসরি প্রভাব ফেলছে খেলোয়াড়দের ওপর। সংবাদ সম্মেলনে ইরানের স্ট্রাইকার সারা দিদার দেশে থাকা পরিবার ও বন্ধুদের জীবনের ঝুঁকির কথা ভেবে কান্নায় ভেঙে পড়েন। ইরানে বর্তমানে ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউট চলায় খেলোয়াড় ও কোচিং স্টাফরা পরিবারের কারও সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারছেন না।

দলের কোচ মারজিয়া জাফারি বলেন, আমরা খুব খুশি যে এখানে ইরানিয়ান-অস্ট্রেলিয়ানরা আমাদের সমর্থন দিয়েছেন। তবে অবশ্যই আমরা আমাদের পরিবার ও ভালোবাসার মানুষদের নিয়ে চরম উদ্বিগ্ন। তাদের সঙ্গে আমাদের কোনো যোগাযোগ নেই। 

তিনি আরও যোগ করেন, তারা পেশাদার হিসেবে ফুটবল খেলতে এসেছেন এবং পরবর্তী ম্যাচে মনোযোগ ধরে রাখাই এখন তাদের বড় চ্যালেঞ্জ।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!