আগামীকাল রোববার পর্দা নামতে যাচ্ছে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দশম আসরের। গত কয়েক সপ্তাহের রুদ্ধশ্বাস ব্যাট-বলের যুদ্ধ শেষে ৮ মার্চ শিরোপা নির্ধারণী মেগা ফাইনালে মুখোমুখি হচ্ছে দুই পরাশক্তি ভারত ও নিউজিল্যান্ড। আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে ১ লক্ষাধিক দর্শকের উপস্থিতিতে বিশ্বজয়ের এই লড়াই শুরু হবে বাংলাদেশ সময় রাত ৮টায়।
স্বাগতিক ভারতের সামনে রোববারের ফাইনালটি কেবল একটি ম্যাচ নয়, বরং একগুচ্ছ নতুন রেকর্ড গড়ার সুযোগ। নিউজিল্যান্ডকে হারাতে পারলে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ইতিহাসে প্রথম দল হিসেবে তিনটি শিরোপা জেতার অনন্য কীর্তি গড়বে টিম ইন্ডিয়া।
একই সঙ্গে বিশ্বকাপের আয়োজক দেশ হিসেবে প্রথমবার শিরোপা জেতা এবং টানা দুইবার চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরবও অর্জন করতে পারে সূর্যকুমার যাদবের দল।
অন্যদিকে, নিউজিল্যান্ডের লক্ষ্য তাদের ইতিহাসের প্রথম টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শিরোপা। আইসিসি টুর্নামেন্টগুলোতে ধারাবাহিকভাবে সেমিফাইনাল ও ফাইনাল খেললেও এখন পর্যন্ত এই ফরম্যাটের ট্রফিটি ছোঁয়া হয়নি কিউইদের।
আহমেদাবাদে ভারতকে তাদেরই ঘরের মাঠে হারিয়ে দীর্ঘদিনের আক্ষেপ ঘুচিয়ে একটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত উপহার দিতে চায় ব্ল্যাক ক্যাপসরা।
আবহাওয়ার পূর্বাভাসে আকাশ পরিষ্কার থাকার কথা বলা হলেও, হাইভোল্টেজ এই ম্যাচে বৃষ্টির সম্ভাবনা পুরোপুরি উড়িয়ে দিচ্ছে না আইসিসি। ম্যাচটি নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করার জন্য অতিরিক্ত ১২০ মিনিট সময় রাখা হয়েছে। লক্ষ্য থাকবে অন্তত প্রতি দলের ১০ ওভার খেলা সম্পন্ন করা, যা টি-টোয়েন্টি নকআউট ম্যাচের ফলাফল নির্ধারণের ন্যূনতম শর্ত।
যদি রেবাবার ৮ মার্চ কোনো কারণে ম্যাচ শেষ করা না যায়, তবে আইসিসি ৯ মার্চকে ‘রিজার্ভ ডে’ হিসেবে রেখেছে। প্রথম দিনের খেলা যেখানে থামবে, রিজার্ভ ডে-তে সেখান থেকেই আবার শুরু হবে।
ম্যাচ টাই হলে বিজয়ী নির্ধারণে হবে সুপার ওভার। আর বৃষ্টির কারণে ম্যাচ ছোট হয়ে গেলে এবং দুই দল অন্তত ১০ ওভার করে খেললে ফল নির্ধারণে ব্যবহার করা হবে ডাকওয়ার্থ-লুইস-স্টার্ন (ডিএলএস) পদ্ধতি।
জানা যায়, যদি রিজার্ভ ডে-তেও ফলাফল নির্ধারণ করা সম্ভব না হয়, তবে আইসিসি নিয়ম অনুযায়ী ভারত ও নিউজিল্যান্ডকে যৌথ চ্যাম্পিয়ন ঘোষণা করা হবে।
এর আগে ২০০২ সালের আইসিসি চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে ভারত ও শ্রীলঙ্কাকে একইভাবে যৌথভাবে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়েছিল।



সর্বশেষ খবর পেতে রুপালী বাংলাদেশের গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন