ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

রংপুরকে জিতিয়ে সমালোচনার জবাব দিলেন মাহমুদউল্লাহ

রূপালী ডেস্ক
প্রকাশিত: জানুয়ারি ২, ২০২৬, ১১:৩৭ পিএম
মাহমুদউল্লাহর ঝড়ো ইনিংসে বড় জয় পেয়েছে রংপুর রাইডার্স। ছবি- সংগৃহীত

একদিন আগেই ম্যাচ হারানোর দায়ে সমালোচনার কেন্দ্রে ছিলেন তিনি। কিন্তু মাঠই যে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের আসল জবাব দেওয়ার জায়গা—তা আরেকবার প্রমাণ করলেন ব্যাট হাতে। চাপের মুহূর্তে মাহমুদউল্লাহর ঝড়ো ইনিংসে সিলেট টাইটান্সের বিপক্ষে বড় ব্যবধানে জয় পেয়েছে রংপুর রাইডার্স।

বিপিএলের সাম্প্রতিক ম্যাচগুলোর স্কোরকার্ড বিবেচনায় সিলেট টাইটান্সের করা ১৪৪ রান মোটেও মামুলি ছিল না। বোলিংয়েও শুরুতে লড়াইয়ের ইঙ্গিত দেয় স্বাগতিকরা। তবে শেষ পর্যন্ত অভিজ্ঞতা আর ঠান্ডা মাথার ক্রিকেটে ম্যাচ নিজেদের করে নেয় রংপুর। ৭ বল হাতে ও ৬ উইকেটের বড় ব্যবধানে জয় তুলে নেয় তারা।

এর একদিন আগের ম্যাচে রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের বিপক্ষে শেষ বলে রানআউট হয়ে সুপার ওভারে হারের কারণে সমালোচনায় পড়েছিলেন মাহমুদউল্লাহ। তবে পরদিনই ব্যাট হাতে সেই সমালোচনার জবাব দেন জাতীয় দলের সাবেক এই তারকা। সিলেটের দেওয়া লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে মাত্র ১৬ বলে ৫ চার ও ১ ছক্কায় ৩৪ রানের কার্যকর ইনিংস খেলেন তিনি। এই পারফরম্যান্সের জন্য ম্যাচসেরার পুরস্কারও জেতেন মাহমুদউল্লাহ।

লক্ষ্য তাড়ায় রংপুরের শুরুটা ছিল ধীরগতির। ৪.১ ওভারে ২১ রানেই ডেভিড মালান (১৯) আউট হন। এরপর তাওহীদ হৃদয় ১১ বলে ৬ রান করে নাসুম আহমেদের বলে বোল্ড হন। কাইল মায়ার্সও ছন্দে ছিলেন না—২৯ বলে ৩১ রান করে ফিরে যান তিনি। লিটন দাস কিছুটা লড়াই করেন, ২৫ বলে ৪ চার ও ১ ছক্কায় করেন ৩৫ রান।

মায়ার্স আউট হওয়ার সময় রংপুরের প্রয়োজন ছিল ৩১ বলে ৫১ রান। এমন চাপের মুহূর্তে মাহমুদউল্লাহ ও খুশদিল শাহ গড়ে তোলেন ৫১ রানের গুরুত্বপূর্ণ জুটি। মাহমুদউল্লাহ আউট হলেও খুশদিল ১১ বলে ১৯ রান করে অপরাজিত থেকে দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দেন।

সিলেটের পক্ষে একটি করে উইকেট নেন খালেদ আহমেদ, সাইম আইয়ুব, নাসুম আহমেদ ও ইথান ব্রুকস।

এর আগে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ১৪৪ রান তোলে সিলেট টাইটান্স। আফিফ হোসেন ধ্রুব ৩১ বলে সর্বোচ্চ ৪৬ রান করেন, আর ইথান ব্রুকস যোগ করেন ৩২ রান। তবে অন্য ব্যাটাররা কেউই উল্লেখযোগ্য অবদান রাখতে পারেননি। রংপুরের হয়ে বল হাতে সবচেয়ে সফল ছিলেন মুস্তাফিজুর রহমান ও ফাহিম আশরাফ—দুজনেই শিকার করেন ৩টি করে উইকেট।