শুরু হয়ে গেল টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দশম আসর। আফগানিস্তানও এখন আর আগের মতো 'দুর্বল দল' নয়। কিন্তু রশিদের ভাবনা এখন শুধু আসন্ন টুর্নামেন্টেই আটকে নেই, তার চোখ এখন সুদূর ভবিষ্যতে।
সম্প্রতি রেড বুল হাই পারফরম্যান্স সেন্টার ঘুরে এসে রশিদ বুঝেছেন, আধুনিক ক্রিকেটে টিকে থাকতে হলে শরীর এবং মনের সঠিক যত্ন নেওয়া কতটা জরুরি।
সেই অভিজ্ঞতার কথা জানিয়ে রশিদ বলেন, সেখানের সুযোগ-সুবিধা অসাধারণ। শারীরিক ও মানসিকভাবে প্রস্তুত হওয়ার জন্য এটি দারুণ জায়গা। আশা করছি ২০২৭ ওয়ানডে বিশ্বকাপের আগে আমি সেখানে গিয়ে কিছু সময় কাটাতে পারব।"
দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনার এই ভাবনাটি তার মাথায় এসেছে কিছুটা তিক্ত অভিজ্ঞতা থেকেই। পিঠের অস্ত্রোপচারের পর তাড়াহুড়ো করে মাঠে ফিরেছিলেন, যার প্রভাব পড়েছিল আইপিএল ২০২৫-এ।
রশিদের স্বীকারোক্তি, গত মৌসুমে আমি নিজের শতভাগ দিতে পারিনি। তাড়াহুড়ো করে খেলতে গিয়ে ভুল করেছিলাম। তবে আইপিএলের পর বিরতি নিয়ে ‘দ্যা হান্ড্রেড’ টুর্নামেন্ট এবং এশিয়া কাপে দারুণভাবে ফিরে এসেছেন তিনি। এখন ফিটনেস নিয়ে তিনি পুরোপুরি আত্মবিশ্বাসী।
কাজের চাপ নিয়েও এখন বেশ সতর্ক আফগান তারকা। আফগানিস্তানের হয়ে সব ফরম্যাটেই খেলতে চান তিনি, তবে সেটা শরীর ঠিক রেখে।
তিনি বলেন, ফিজিওর পরামর্শ অনুযায়ী আমাকে চলতে হবে। আমি চাই না আগের মতো ইনজুরিতে পড়ি। তাই সব লিগ না খেলে, নিজেকে ফিট রাখতে আমাকে বেছে বেছে খেলতে হবে।
অধিনায়ক হিসেবেও রশিদের পরিপক্কতা বেড়েছে। তার মতে, মাঠে অধিনায়কত্বের চেয়ে মাঠের বাইরে খেলোয়াড়দের সামলানো বেশি গুরুত্বপূর্ণ। খেলোয়াড়দের সাথে ব্যক্তিগত সম্পর্ক স্থাপন এবং তাদের সঠিক নির্দেশনা দেওয়াই এখন তার মূল লক্ষ্য।
আফগানিস্তান ক্রিকেটের এই উত্থানের পেছনে বিভিন্ন টি-টোয়েন্টি লিগের অবদানকে বড় করে দেখছেন রশিদ। আইপিএলের মতো টুর্নামেন্টে বিশ্বের সেরা খেলোয়াড়দের মুখোমুখি হওয়ার অভিজ্ঞতাই তাকে আজকের এই পর্যায়ে নিয়ে এসেছে বলে মনে করেন তিনি।


