টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দশম আসরের প্রথম সেমিফাইনালে আগামীকাল বুধকার (৪ মার্চ) মুখোমুখি হচ্ছে দক্ষিণ আফ্রিকা ও নিউজিল্যান্ড। টুর্নামেন্টের শুরু থেকেই দুই দল শিরোপার দাবিদার হিসেবে খেললেও পরিসংখ্যান এবং বর্তমান ফর্মে প্রোটিয়ারা কিছুটা এগিয়ে থাকছে।
টি-টোয়েন্টিতে কিউইদের বিপক্ষে দক্ষিণ আফ্রিকার রেকর্ড বেশ ভালোই। ১৯ বারের দেখায় ১২ বারই জিতেছে তারা। এমনকি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ৫-০ ব্যবধানে অপরাজিত দক্ষিণ আফ্রিকা।
তবে আইসিসি টুর্নামেন্টের সেমিফাইনালে নিউজিল্যান্ড বরাবরই ভয়ংকর। ২০১৫ ওডিআই বিশ্বকাপ এবং চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির সেমিফাইনালে দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারানোর সুখস্মৃতি আছে তাদের।
দুই দলের শক্তির বড় জায়গা তাদের ওপেনিং জুটি। নিউজিল্যান্ডের ফিন অ্যালেন ১৯২.৫৬ স্ট্রাইক রেটে রান তুলছেন। অন্যদিকে দক্ষিণ আফ্রিকার এইডেন মার্করাম পাওয়ারপ্লে-তে ১৯২.৯৪ স্ট্রাইক রেটে ব্যাট করছেন।
তবে কুইন্টন ডি ককের অফ-ফর্ম দক্ষিণ আফ্রিকার জন্য চিন্তার কারণ হতে পারে, বিশেষ করে লকি ফার্গুসনের গতির সামনে।
ইডেন গার্ডেন্সের কন্ডিশনে দুই দলই পেসারদের ওপর বেশি ভরসা করছে। দক্ষিণ আফ্রিকা তাদের মোট ওভারের প্রায় ৭৭ শতাংশই করিয়েছে পেসারদের দিয়ে। মার্কো জানসেন ও এনরিখ নর্টজের গতির সাথে লুঙ্গি এনগিডির বৈচিত্র্য কিউই ব্যাটারদের জন্য বড় পরীক্ষা হবে। অন্যদিকে নিউজিল্যান্ডের বোলিং আক্রমণকে নেতৃত্ব দেবেন ম্যাট হেনরি।
ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ হতে পারে শেষ ৫ ওভারে। দক্ষিণ আফ্রিকার লুঙ্গি এনগিডি এবং করবিন বোশ ডেথ ওভারে অবিশ্বাস্য সাশ্রয়ী বোলিং করছেন। এনগিডির ইকোনমি রেট মাত্র ৫.৬। নিউজিল্যান্ডের ডেথ ওভার বোলিং কিছুটা দুর্বল, তারা সংযুক্ত আরব আমিরাত বা কানাডার মতো দলের বিপক্ষেও শেষ দিকে প্রচুর রান দিয়েছে।

