চেন্নাই সুপার কিংসের বিপক্ষে ১০৩ রানের বিশাল ব্যবধানে বিধ্বস্ত হয়েছে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স। মাঠের লড়াইয়ে শোচনীয় পরাজয়ের পর এখন ক্রিকেট মহলে আলোচনা চলছে মুম্বাইয়ের বোলিং পরিকল্পনা এবং ব্যাটিং অর্ডার নিয়ে।
এদিন ২১ বছর বয়সী কৃষ ভগতকে ইনিংসের ১৬তম এবং ২০তম ওভারে বোলিংয়ে আনেন অধিনায়ক হার্দিক পান্ডিয়া। টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের ভাষায় এই দুটি ওভারকে সবচেয়ে কঠিন বলে মনে করা হয়। মাত্র দ্বিতীয় আইপিএল ম্যাচ খেলতে নামা কৃষ এই দুই ওভারে ৩১ রান খরচ করেন।
খেলা শেষে আম্বাতি রায়ডু বলেন, একজন নবাগতর জন্য ডেথ ওভারের চাপ সামলানো অত্যন্ত দুষ্কর ছিল। ১৬তম ওভার থেকেই ব্যাটসম্যানরা পূর্ণ শক্তিতে আক্রমণ শুরু করে, সেখানে অভিজ্ঞ বোলারদের বদলে একজন তরুণকে ব্যবহার করা ছিল বড় ঝুঁকি।
সাবেক কিউই পেসার মিচেল ম্যাকক্লেনাঘান বলেন, মুম্বাইয়ের বোলিং কৌশলে আরও অভিজ্ঞতা খাটানো প্রয়োজন। বিশেষ করে পাওয়ারপ্লে-তে গজনফর বা স্যান্টনার যখন উইকেট নিচ্ছিলেন, তখন জাসপ্রিত বুমরাহকে আরও আক্রমণাত্মকভাবে ব্যবহার করে সিএসকে-র মিডল অর্ডারকে ধসিয়ে দেওয়া যেত।
এছাড়াও মুম্বাইয়ের পরাজয়ের পেছনে ব্যাটিং পজিশনের ভুল সমন্বয়কেও দায়ী করছেন সাবেক তারকা ক্রিকেটাররা। গত ম্যাচে দুর্দান্ত পারফর্ম করা তিলক ভার্মাকে ৫ নম্বরে নামানো হলেও শেরফেন রাদারফোর্ডকে নামানো হয় ৭ নম্বরে।
রায়ডু এবং ম্যাকক্লেনাঘান দুজনেই জানান, এই পরিকল্পনাটি উল্টো হওয়া উচিত ছিল। শেরফেন রাদারফোর্ড এমন একজন ব্যাটার যিনি উইকেটে থিতু হতে সময় নেন। তাকে ৫ নম্বরে খেলানো হলে তিনি বড় ইনিংস খেলার সুযোগ পেতেন।
তিলক ভার্মা ২৯ বলে ৩৭ রান করলেও তার ব্যাটিংয়ে সেই চিরচেনা বিস্ফোরক রূপ দেখা যায়নি গতকালকের ম্যাচে।


সর্বশেষ খবর পেতে রুপালী বাংলাদেশের গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন