× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

ক্রীড়া প্রতিবেদক

প্রকাশিত: মে ১০, ২০২৬, ০৩:৪২ পিএম

হাজার কোটির হিসাব তামিম কমিটির কাছে ‘অস্পৃশ্য’?

ক্রীড়া প্রতিবেদক

প্রকাশিত: মে ১০, ২০২৬, ০৩:৪২ পিএম

ছবি : সংগৃহীত

ছবি : সংগৃহীত

বিশ্ব ক্রিকেটের অর্থকাঠামোয় বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) বর্তমানে একটি শক্তিশালী নাম। দেশের ক্রীড়াঙ্গনের সবচেয়ে ধনী এই সংস্থাটি গত এক দশকে নিজেদের আর্থিক ভিত্তি অত্যন্ত মজবুত করেছে। তবে সাম্প্রতিক সময়ে বিসিবির নেতৃত্বে দফায় দফায় পরিবর্তন এলেও, বোর্ডের বর্তমান প্রকৃত জমার পরিমাণ নিয়ে রয়েছে ধোঁয়াশা। 

বিশেষ করে, সাবেক অধিনায়ক তামিম ইকবালের নেতৃত্বাধীন বর্তমান অ্যাডহক কমিটি দায়িত্ব নেওয়ার ৩৪ দিন পার করলেও কোষাগারের হিসাব প্রকাশ না করায় জনমনে কৌতূহল বাড়ছে।

বিসিবির অভ্যন্তরীণ সূত্র বলছে, বিসিবির মাসিক আয় ৪৫ থেকে ৫০ কোটি টাকার নিচে নামে না। এই বিশাল আয়ের সিংহভাগ আসে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) থেকে। 

আইসিসির নতুন রেভিনিউ শেয়ারিং কাঠামো অনুযায়ী বাংলাদেশ ৪.৪৬ শতাংশ শেয়ার পায়, যা মাসে প্রায় ২৫ কোটি এবং বছরে প্রায় ৩০০ কোটি টাকা। এ ছাড়া ঘরোয়া ও আন্তর্জাতিক ম্যাচের সম্প্রচার স্বত্ব থেকে বছরে আসে প্রায় ৮০ কোটি টাকা। জাতীয় দলের জার্সি স্পন্সর, সিরিজ স্পন্সর ও বিভিন্ন বাণিজ্যিক পার্টনারশিপ থেকেও বছরে প্রায় ৭০ কোটি টাকা আয় হয় বিসিবির।

সর্বশেষ ২০২৫ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর বিসিবির তৎকালীন পরিচালক ইফতেখার রহমান মিঠু জানিয়েছিলেন, বিসিবির কোষাগারে ১ হাজার ৩৯৮ কোটি টাকা জমা রয়েছে। এই অর্থের একটি বড় অংশ বিভিন্ন ব্যাংকে এফডিআর হিসেবে রাখা আছে। 

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিসিবির সাবেক এক পরিচালক জানান, কোনো সিরিজ বা খেলা না থাকলেও শুধুমাত্র ব্যাংকে জমা রাখা টাকার সুদ বা লভ্যাংশ থেকেই মাসে বিসিবির আয় হয় প্রায় ৮ থেকে ১০ কোটি টাকা। অর্থাৎ বিসিবির তহবিল প্রতি মাসেই বাড়ছে।

২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের ছাত্র আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে দীর্ঘদিনের বোর্ড সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন দেশ ছাড়লে বিসিবিতে পরিবর্তনের হাওয়া লাগে। প্রথমে ফারুক আহমেদ ও পরবর্তীকালে আমিনুল ইসলাম বুলবুল বিসিবির দায়িত্ব সামলান। এরপর ভোটের মাধ্যমে আবারও সভাপতির চেয়ারে বসেন বুলবুল।

তবে ২০২৫ সালের অক্টোবরে অনুষ্ঠিত নির্বাচন নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ ওঠায় চলতি বছরের ৭ এপ্রিল জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি) সেই পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে দেয়। এরপর তামিম ইকবালকে প্রধান করে ১১ সদস্যের অ্যাডহক কমিটি গঠন করা হয়। 

তামিমের অধীনে বিসিবিতে বেশ কিছু ইতিবাচক ও সংস্কারমূলক কাজ দেখা গেলেও, বোর্ডের আর্থিক হিসাব প্রকাশের বিষয়টি এখনো আড়ালেই রয়ে গেছে।

সাধারণত নতুন কোনো বোর্ড দায়িত্ব নিলে পূর্ববর্তী বোর্ডের রেখে যাওয়া অর্থের হিসাব জনসমক্ষে প্রকাশ করে। আমিনুল ইসলাম বুলবুলের সাত মাসের মেয়াদে বিসিবির আর্থিক অবস্থার কী পরিবর্তন হয়েছে, তা এখনো স্পষ্ট করেনি বর্তমান কমিটি। 

প্রায় ৯ মাস আগে ঘোষিত ১ হাজার ৩৯৮ কোটি টাকা বর্তমানে কত টাকায় দাঁড়িয়েছে, তা কেন জানাচ্ছে না বর্তমান অ্যাডহক কমিটি প্রশ্নটা ঘুরছে দেশের ক্রীড়াঙ্গনে!

এদিকে, আগামী জুনের শুরুতেই বিসিবির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। নির্বাচনের আগে বর্তমান অ্যাডহক কমিটি কি প্রকাশ করবে বিসিবির কোষাগারে কত টাকা জমা রয়েছে?

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!