রিয়াল সোসিয়েদাদকে হারিয়ে লা লিগার শীর্ষে বসেছিল রিয়াল মাদ্রিদ। জিরোনার মাঠে জিতে তাদের টপকে যাওয়ার সুবর্ণ সুযোগ ছিল বার্সেলোনার সামনে। কিন্তু নিজেদের ভুলে এবং প্রতিপক্ষের দুর্দান্ত পাল্টা আক্রমণে কাতালান জায়ান্টরা হারল ২-১ গোলে। এই হারের ফলে লা লিগা টেবিলের শীর্ষস্থান পুনরুদ্ধার করতে পারল না জাভি হার্নান্দেজের দল।
২৪ ম্যাচ শেষে ৫৮ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের দ্বিতীয় স্থানেই থাকল বার্সা। সমান ম্যাচে ৬০ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে রয়েছে রিয়াল মাদ্রিদ।
চোট কাটিয়ে এই ম্যাচে শুরুর একাদশে ফেরেন রাফিনহা। শুরু থেকেই তিনি এবং তরুণ তুর্কি লামিনে ইয়ামাল আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকেন। তবে প্রথমার্ধে একাধিক সুযোগ তৈরি করেও গোল পায়নি বার্সা।
উল্টো প্রথমার্ধের ইনজুরি টাইমে পেনাল্টি পেয়েও গোল করতে ব্যর্থ হন ইয়ামাল। ডেলি ব্লাইন্ড দানি ওলমোকে ফাউল করলে রেফারি পেনাল্টির বাঁশি বাজান। কিন্তু ইয়ামালের স্পট কিক পোস্টে লেগে ফিরে আসে।
গোলশূন্য প্রথমার্ধের পর ৫৯ মিনিটে ডেডলক ভাঙেন পাউ কুবার্সি। জুলেস কুন্দের নিখুঁত ক্রস থেকে হেডের সাহায্যে বার্সাকে এগিয়ে দেন এই তরুণ ডিফেন্ডার। তবে লিড বেশিক্ষণ ধরে রাখতে পারেনি বার্সা। মাত্র দুই মিনিট পরেই ভ্লাদিস্লাভ ভানাতের পাস থেকে দুর্দান্ত ফিনিশিংয়ে জিরোনাকে সমতায় ফেরান থমাস লেমার।
এরপর গোলরক্ষক জোয়ান গার্সিয়া না থাকলে বার্সার হার আরও বড় ব্যবধানে হতে পারত। তিনি জিরোনার একাধিক প্রচেষ্টা রুখে দেন। কিন্তু ৮৬ মিনিটে আর পারেননি। বেলত্রানের কোনাকুনি শটে জয় নিশ্চিত করে জিরোনা। যদিও গোলটির বিল্ড-আপে কুন্দেকে ফাউল করার জোরালো দাবি জানিয়েছিল বার্সা; কিন্তু ভিএআর চেকে গোলটি বহাল থাকে।
অতিরিক্ত সময়ে ইয়ামালকে ফাউল করে জোয়েল রোকা লাল কার্ড দেখলে জিরোনা ১০ জনের দলে পরিণত হয়, কিন্তু তাতে ম্যাচের ফলে কোনো প্রভাব পড়েনি।
বৃহস্পতিবার কোপা দেল রেতে অ্যাতলেটিকো মাদ্রিদের কাছে হারের পর এটি বার্সেলোনার টানা দ্বিতীয় পরাজয়।


