পলিস্তাও চ্যাম্পিয়নশিপের কোয়ার্টার ফাইনালে নভোরিজন্টিনোর কাছে সান্তোসের অপ্রত্যাশিত বিদায়ে বড়সড় ধাক্কা খেলেন নেইমার জুনিয়র। ২০২৬ বিশ্বকাপের চূড়ান্ত দল ঘোষণার আগে নিজেকে প্রমাণ করার যে সুযোগটি নেইমারের সামনে ছিল, সেটি এখন খাদের কিনারে।
জাতীয় দলে ফেরার লড়াইয়ে নেইমারের সবচেয়ে বড় হাতিয়ার ছিল মাঠে বেশি সময় কাটানো। সান্তোস যদি ফাইনালে পৌঁছাতে পারত, তবে নেইমার আরও সাতটি ম্যাচ খেলার সুযোগ পেতেন।
কিন্তু দলের বিদায়ে এখন তার সামনে কেবল তিনটি ম্যাচ বাকি। ১৬ মার্চ ফ্রান্স ও ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচের দল ঘোষণা করবেন ব্রাজিল কোচ কার্লো আনচেলত্তি। তার আগে নেইমারের সামনে সুযোগ বলতে কেবল লিগের তিনটি ম্যাচ।
২৬ ফেব্রুয়ারি: ভাস্কো দা গামার বিপক্ষে
১০ মার্চ: মিরাসোলের বিপক্ষে
১৫ মার্চ: করিন্থিয়ানসের বিপক্ষে
নভোরিজন্টিনোর বিপক্ষে ম্যাচে নেইমারের পারফরম্যান্স ছিল অনুজ্জ্বল। পুরো ম্যাচে কড়া মার্কিংয়ে থাকা এই ৩৪ বছর বয়সী তারকা নতুন কোনো সুযোগ তৈরি করতে পারেননি। উল্টো প্রথমার্ধের শেষে তার একটি ভুল থেকেই গোল হজম করতে হয় সান্তোসকে।
ইউরোপীয় সংবাদমাধ্যমেও এই পারফরম্যান্স নিয়ে চলছে কঠোর সমালোচনা। স্প্যানিশ দৈনিক ‘এএস’ এই ঘটনাকে ‘নেইমারের বিপর্যয়’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছে। তাদের মতে, এই শিরোপা জেতার সুযোগ হাতছাড়া হওয়া মানে বিশ্বকাপের পথ আরও কঠিন করে তোলা।
২০২৬ বিশ্বকাপের চূড়ান্ত স্কোয়াড ঘোষণার আগে এই প্রীতি ম্যাচগুলোই হবে বড় পরীক্ষা। প্রশ্ন উঠেছে, ফর্ম আর ফিটনেস হারিয়ে ধুঁকতে থাকা এই ‘নাম্বার টেন’ কি পারবেন আনচেলত্তির মন জয় করতে?



