সিডনির জুবলি স্টেডিয়ামের ঘাসে তখনো ভোরের মিষ্টি রোদ। সেই রোদে ঘাম ঝরাচ্ছেন সাবিনা-রুপনারা। সামনেই পাহাড়সম প্রতিপক্ষ ৯ বারের এশিয়ান চ্যাম্পিয়ন চীন। তবে প্রতিপক্ষের শক্তিমত্তা নিয়ে ভয় নয়; বরং নিজেদের প্রমাণ করার তাড়না লাল-সবুজের শিবিরে।
আগামী মঙ্গলবার (৩ মার্চ) সিডনির ওয়েস্টার্ন স্টেডিয়ামে এশিয়ান কাপের চূড়ান্ত পর্বে নিজেদের প্রথম ম্যাচে মাঠে নামছে বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল।
এই টুর্নামেন্টকে কেবল একটি প্রতিযোগিতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলে বাংলাদেশের মেয়েদের নতুন পরিচয়ের সুযোগ হিসেবে দেখছে টিম ম্যানেজমেন্ট।
আজ রোববার (১ মার্চ) অনুশীলন শেষে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে দলের গোলকিপার কোচ মাসুদ আহমেদ বলেন, ভয় নয়; বরং মেয়েরা উজ্জীবিত হয়ে আছে। আমরা এই মঞ্চে এসেছি, এখন আমাদের নিজেদের প্রমাণ করার সময়। এখানে এশিয়ার মঞ্চে ভালো কিছু করতে পারলে ওদের সামনে বিশ্বের অনেক জায়গায় দরজা খুলে যাবে।
শক্তি-সামর্থ্য আর অতীত সাফল্যের বিচারে চীন ও উত্তর কোরিয়ার চেয়ে অনেক পিছিয়ে বাংলাদেশ। অনেকেরই মতে, চীনের বিপক্ষে ড্র করতে পারাটাও হবে বাংলাদেশের জন্য বড় এক চমক।
তবে কোচ মাসুদ চীনের শক্তিমত্তা নিয়ে বিচলিত নন। তার মতে, বড় আসরে ‘বড় দল-ছোট দল’ বলে কিছু নেই, মাঠের কৌশল ঠিক রাখাই আসল।
চীনের ঝোড়ো আক্রমণ সামলানোই হবে বাংলাদেশের প্রধান চ্যালেঞ্জ। গোলপোস্টের নিচে অতন্দ্র প্রহরী হয়ে দাঁড়াতে হবে রুপনা চাকমাকে।
এ বিষয়ে গোলকিপার কোচ মাসুদ আহমেদ জানান, প্রতিনিয়ত আমরা তাদের ম্যাচ দেখছি, ওদের শক্তি-দুর্বল দিকগুলো নিয়ে কাজ করার চেষ্টা করছি। আজকের অনুশীলন সেশনেও প্রতিটি বিভাগে সব খেলোয়াড়কে তাদের দায়িত্ব বোঝানোর চেষ্টা করেছি। আমরা যদি প্রতিটি বিষয় সঠিকভাবে করতে পারি, আমাদের ভুল হওয়ার আশঙ্কা কম থাকবে এবং বড় ধরনের বিপর্যয় থেকে আমরা বেঁচে যাব।



