× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

বিশ্ব ডেস্ক

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২৬, ১১:৪১ এএম

যুদ্ধবিরতির পরও থাইল্যান্ডের বিরুদ্ধে ভূমি দখলের অভিযোগ কম্বোডিয়ার

বিশ্ব ডেস্ক

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২৬, ১১:৪১ এএম

ছবি : সংগৃহীত

ছবি : সংগৃহীত

থাই সেনাদের বিরুদ্ধে কম্বোডিয়ার ভূমি দখলের অভিযোগ করেছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী হুন মানেত। গত বছর সীমান্তে বিরোধ নিয়ে যুদ্ধে জড়ায় দুই দেশ। পরে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হস্তক্ষেপে শান্তিচুক্তিতে সই করে ব্যাংকক -নমপেন। 

গত ডিসেম্বরে দুই দেশের মধ্যে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলেও সীমান্ত পরিস্থিতি এখনো অত্যন্ত ‘ভঙ্গুর’ বলে বর্ণনা করেছেন তিনি। একই সঙ্গে বিরোধপূর্ণ সীমান্তে স্থায়ী শান্তি ফেরাতে থাইল্যান্ডকে দ্রুত যৌথ সীমানা কমিশন বা জেবিসির কাজ শুরু করার আহ্বান জানিয়েছেন কম্বোডিয়ান নেতা।

ট্রাম্পের নবগঠিত ‘বোর্ড অব পিস’-এর বৈঠকে যোগ দিতে বর্তমানে ওয়াশিংটনে অবস্থান করছেন হুন মানেত। রয়টার্সকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে হুন মানেত বলেন, থাইল্যান্ডের সৈন্যরা অনেক এলাকায় কম্বোডিয়ার ভূখণ্ডের বেশ গভীরে অবস্থান করছে। 

এটি এমনকি থাইল্যান্ডের নিজস্ব দাবি করা সীমানারও লঙ্ঘন। মানেতের অভিযোগ অনুযায়ী, থাইল্যান্ড সরকার অনেক জায়গায় শিপিং কনটেইনার ও কাঁটাতারের বেড়া দিয়ে কম্বোডিয়ার এলাকা দখল করে রেখেছে, যার ফলে স্থানীয় বাসিন্দারা নিজ ঘরে ফিরতে পারছেন না। তিনি একে সার্বভৌমত্বের ওপর চরম আঘাত হিসেবে অভিহিত করে বলেন, এটি কোনো নিছক অভিযোগ নয়; বরং মাঠ পর্যায়ের বাস্তব চিত্র।

থাইল্যান্ড অবশ্য শুরু থেকেই কম্বোডিয়ার এমন দাবি অস্বীকার করে আসছে। থাই কর্তৃপক্ষের মতে, সীমান্ত পরিস্থিতি শান্ত রাখার অংশ হিসেবেই তারা সেখানে নির্দিষ্ট অবস্থানে সেনা মোতায়েন রেখেছে এবং কোনো ভূখণ্ড দখলের অভিপ্রায় তাদের নেই।

গত বছর জুলাই মাসে দুই দেশের ৮১৭ কিলোমিটার দীর্ঘ সীমান্তে সাম্প্রতিক দশকের মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়েছিল, যার ফলে লক্ষাধিক মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়। 

এরপর ডোনাল্ড ট্রাম্প ও মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর মধ্যস্থতায় অক্টোবর ও ডিসেম্বর মাসে দুই দফা অস্ত্রবিরতি চুক্তি হলেও সীমানা নির্ধারণ নিয়ে বিরোধ এখনো মেটেনি। হুন মানেত আশা প্রকাশ করেছেন যে, গত ৮ ফেব্রুয়ারির থাই নির্বাচন শেষ হওয়ার পর এখন অন্তত কারিগরি পর্যায়ে দুই দেশ সীমানা পুনর্নির্ধারণ কাজ শুরু করতে পারবে।

২০২৩ সালে বাবা হুন সেনের কাছ থেকে ক্ষমতা গ্রহণের পর ৪৮ বছর বয়সী হুন মানেতের নেতৃত্বে ওয়াশিংটন ও নমপেনের সম্পর্কের বরফ গলতে শুরু করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট পয়েন্টে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করা মানেত চীনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বজায় রেখেই আমেরিকার সঙ্গে নিরাপত্তা ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক জোরদার করতে আগ্রহী। 

সাক্ষাৎকারে তিনি মানবাধিকার ও সাইবার স্ক্যাম সেন্টার দমনের বিষয়েও তার সরকারের নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা তুলে ধরেন। বিশেষ করে কম্বোডিয়া থেকে পরিচালিত অনলাইন প্রতারণা চক্র বন্ধে কঠোর আইন প্রণয়ন ও অপরাধীদের দেশান্তরের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন। ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যস্থতায় হওয়া শান্তিচুক্তিটি শেষ পর্যন্ত কতটুকু টিকে থাকে, তা এখন প্রতিবেশী এ দুই দেশের পরবর্তী কূটনৈতিক পদক্ষেপের ওপর নির্ভর করছে।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!