× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

বিশ্ব ডেস্ক

প্রকাশিত: এপ্রিল ৩, ২০২৬, ০৯:১৪ এএম

ইরান যুদ্ধের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে বৈশ্বিক ইন্টারনেট পরিষেবা

বিশ্ব ডেস্ক

প্রকাশিত: এপ্রিল ৩, ২০২৬, ০৯:১৪ এএম

ছবি : সংগৃহীত

ছবি : সংগৃহীত

আমেরিকা–ইসরায়েল–ইরান সংঘাতের কারণে বৈশ্বিক ইন্টারনেট ব্যবস্থায় প্রভাব পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। বর্তমানে বিশ্বের প্রায় ৯৯ শতাংশ ইন্টারনেট সংযোগ সমুদ্রের নিচে থাকা সাবমেরিন কেবলের মাধ্যমে পরিচালিত হয়। এই গুরুত্বপূর্ণ কেবলগুলোর একটি বড় অংশ হরমুজ প্রণালি ও লোহিত সাগরের তলায় অবস্থিত। ফলে ওই অঞ্চলে উত্তেজনা বৃদ্ধি পেলে কেবলগুলোর নিরাপত্তা ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে, যা বিশ্বের বহু দেশের ইন্টারনেট সংযোগে প্রভাব ফেলতে পারে।

বর্তমান সময়ে মানুষের দৈনন্দিন জীবনের প্রায় প্রতিটি ক্ষেত্রেই ইন্টারনেট অপরিহার্য হয়ে উঠেছে। গ্যাস বা বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ, অনলাইন ব্যাংকিং, কেনাকাটা থেকে শুরু করে যোগাযোগ- সবই নির্ভর করছে ইন্টারনেটের ওপর। তাই এই ব্যবস্থায় সামান্য বিঘ্ন ঘটলেও তা সরাসরি মানুষের জীবনে প্রভাব ফেলবে।

যদিও ইরান এখন পর্যন্ত সরাসরি এই কেবলগুলোর ওপর আক্রমণের কোনো হুমকি দেয়নি, তবে ইরান-সমর্থিত হাউথি গোষ্ঠী অতীতে লোহিত সাগরের তলদেশে থাকা কেবল লক্ষ্য করে হামলার হুঁশিয়ারি দিয়েছে। এ কারণে পরিস্থিতি নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ বাড়ছে।

ভারতের জন্য বিষয়টি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ, কারণ দেশটির প্রায় ৬০ শতাংশ ইন্টারনেট সংযোগ মুম্বই থেকে গালফ হয়ে ইউরোপে যায়। বাকি সংযোগ চেন্নাই থেকে সিঙ্গাপুর হয়ে প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের সঙ্গে যুক্ত। ফলে এই গুরুত্বপূর্ণ রুটে কোনো সমস্যা দেখা দিলে ভারতের ইন্টারনেট পরিষেবায় বড় ধরনের প্রভাব পড়তে পারে।

লোহিত সাগরের তলায় প্রায় ১৭টি সাবমেরিন কেবল রয়েছে। এদের মধ্যে কোনো একটি ক্ষতিগ্রস্ত হলেও সম্পূর্ণ ইন্টারনেট ব্যবস্থা বন্ধ হয়ে যাবে না, কারণ ডাটা একাধিক কেবলের মাধ্যমে ভাগ হয়ে চলাচল করে। তবে এতে বাকি কেবলগুলোর ওপর চাপ বেড়ে যাবে, যার ফলে ইন্টারনেটের গতি ধীর হয়ে যেতে পারে এবং বিভিন্ন অনলাইন পরিষেবায় বিঘ্ন ঘটতে পারে।

এছাড়া অনলাইন লেনদেন বিলম্বিত হতে পারে, ভিডিও দেখা বা গান শোনার সময় সমস্যা হতে পারে, সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট বা চ্যাট করতেও ধীরগতি অনুভূত হতে পারে। ক্ষতিগ্রস্ত কেবল মেরামত করতে দীর্ঘ সময় ও বিপুল অর্থের প্রয়োজন হয়, যা শেষ পর্যন্ত ইন্টারনেট সেবার খরচও বাড়িয়ে দিতে পারে।

Link copied!