× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

বিশ্ব ডেস্ক

প্রকাশিত: মে ১৩, ২০২৬, ০১:২৯ পিএম

আস্থা ভোটে থালাপতির জয়, ডিএমকের ওয়াক আউট

বিশ্ব ডেস্ক

প্রকাশিত: মে ১৩, ২০২৬, ০১:২৯ পিএম

রাজ্যসভায় ভাষণ দিচ্ছেন থালাপতি। ছবি : সংগৃহীত

রাজ্যসভায় ভাষণ দিচ্ছেন থালাপতি। ছবি : সংগৃহীত

১৪৪ আস্থা ভোটে জিতে তামিলনাড়ুর মসনদে স্থায়ী ভিত্তি তৈরি হল অভিনেতা থেকে রাজনীতিবিদ বনে যাওয়া মুখ্যমন্ত্রী থালাপতি বিজয়ের। বুধবার (১৩ মে) বিধানসভার প্রথম দিনে এ ভোট অনুষ্ঠিত হয়। এতে ২২ বিধায়ক থালাপতি বিজয়ের প্রতি অনাস্থা ভোট দেয়। এছাড়া ভোট দানে বিরত ছিলেন ৫ বিধায়ক। 

গত ৪ মে তামিলনাড়ু বিধানসভার ফলাফল প্রকাশিত হয় । এতে দেখা যায়, ১০৮ আসনে বিজয়ী হয়ে একক দল হিসেবে সবচেয়ে বেশি আসন পায় থালাপতি বিজয়ের দল টিভিকে। তামিলনাড়ু বিধানসভায় মোট আসন ২৩৪। সরকারে যেতে দরকার ১১৮ আসন। ফলে ১০ আসন কম পাওয়ায় সরকার গঠনে নানা সমস্যায় পড়েন থালাপতি বিজয়। অবশেষে কংগ্রেস, দুই বামপন্থি দল ও আঞ্চলিক দল ভিসিকের সমর্থন নিশ্চিত করে ১০ মে তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন থালাপতি বিজয়। 

শপথের পর, আস্থা ভোটে গড়ায় থালাপতির মুখ্যমন্ত্রীত্ব। ভোটে বিজেপি, পিএমকে ও এআইডিএমকের কিছু সদস্য থালাপতির পক্ষ নিলে ভোট বেড়ে দাঁড়ায় ১৪৪।

আস্থা ভোটের পর, রাজ্যসভায় প্রথম ভাষণ দেন থালাপতি। ভাষণে তার প্রশাসনকে ধর্মনিরপেক্ষ সরকার হিসেবে আখ্যায়িত করেন তিনি। এছাড়া ঝুলন্ত সংসদ হলেও ৫ বছর মেয়াদ পূর্ণ করে রাজ্যে স্থিতিশীলতা এনে দ্বায়িত্ব শেষ করার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন বিজয়।

এদিকে, বিজয়ের ভাষণের সময় রাজ্যসভার অধিবেশন থেকে বের হয়ে যান (ওয়াক আউট)  করেন ডিএমকে। ওয়াক আউটের আগে, ডিএমকে নেতা উদয়ানিধি স্ট্যালিন টিভিকে সরকারের কঠোর সমালোচনা করেন। ভাষণে বিজয়ের ম্যান্ডেট এবং সরকারের স্থিতিশীলতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি।

বলেন, ৪ কোটি ৯০ লাখ ভোটারদের মধ্যে মাত্র ১ কোটি ৭৮ লাখ ভোটার টিভিকেকে ম্যান্ডেট দেয়। বাকি ৩ কোটি ২ লাখ মানুষ অন্যান্য রাজনৈতিক দলগুলোকে ভোট প্রদান করে। এ হিসেবে প্রায় ৬৫ শতাংশ ভোটারের ম্যান্ডেট বিজয়ের সাথে নেই।

এছাড়া দলীয় প্রধানের সম্মতি ছাড়া এএএমএমেকে বিধায়কদের নিজদলের পক্ষে ভোট দিতে প্ররোচিত করায় বিজয়ের কঠোর সমালোচনা করেন তিনি। বলেন, সুবিধাভোগীদের নিয়ে জোট করে রাজ্যে স্থিতিশীলতা বজায় রাখা যাবেনা।

রূপালী বাংলাদেশ/ ইমরান

Link copied!