× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

বিশ্ব ডেস্ক

প্রকাশিত: জুন ১, ২০২৬, ০৫:৩৫ পিএম

ইরানের প্রেসিডেন্টের পদত্যাগ, যা জানা গেল

বিশ্ব ডেস্ক

প্রকাশিত: জুন ১, ২০২৬, ০৫:৩৫ পিএম

মাসুদ পেজেশকিয়ান। ছবি : সংগৃহীত

মাসুদ পেজেশকিয়ান। ছবি : সংগৃহীত

ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের পদত্যাগ নিয়ে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে জোরালো গুঞ্জন ছড়ালেও তা সরাসরি নাকচ করেছে তেহরান। সরকার বলছে, এ ধরনের খবর ‘মিডিয়া গেইম’ ছাড়া কিছু নয় এবং দেশের অভ্যন্তরে বিভেদের যে আলোচনা চলছে, তারও কোনো ভিত্তি নেই।

রোববার (৩১ মে) ইরানভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ‘ইরান ইন্টারন্যাশনাল’ দাবি করে, প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান দেশটির সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনির কার্যালয়ে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন। প্রতিবেদনে বলা হয়, গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়া থেকে প্রেসিডেন্ট ও তার প্রশাসনকে কার্যত বাইরে রাখা হচ্ছে, যার ফলে প্রশাসনে অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে।

প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড কোর (আইআরজিসি) ধীরে ধীরে প্রেসিডেন্টের ক্ষমতা সীমিত করে সরকারের গুরুত্বপূর্ণ খাতগুলোর নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নিয়েছে। এতে রাষ্ট্র পরিচালনায় প্রভাব বিস্তার করছে কট্টরপন্থি গোষ্ঠীগুলো—এমন দাবিও করা হয়েছে।

তবে আইআরজিসি-ঘনিষ্ঠ তাসনিম নিউজ এজেন্সি সরকারি সূত্রের বরাতে জানিয়েছে, প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান পদত্যাগ করেননি এবং তিনি নিয়মিত দায়িত্ব পালন করছেন।

এ বিষয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) প্রেসিডেন্টের কার্যালয়ের যোগাযোগবিষয়ক উপপ্রধান মেহদি তাবাতাবায়ী বলেন, “বিদেশি কিছু গণমাধ্যমের ধারাবাহিক ‘মিডিয়া গেইম’-এর অংশ হিসেবে এ ধরনের খবর ছড়ানো হচ্ছে।” তিনি দেশের অভ্যন্তরে বিভক্তির গুঞ্জনও প্রত্যাখ্যান করেন।

মেহদি আরও বলেন, ‘পেজেশকিয়ান কখনোই জনগণের সেবা থেকে সরে দাঁড়াবেন না।’ একই সঙ্গে তিনি ইরানের জাতীয় ঐক্য দুর্বল করার যেকোনো প্রচেষ্টার বিরুদ্ধে সতর্কবার্তা দেন।

উল্লেখ্য, গত কয়েক মাস ধরে ইরানের সরকার ও সামরিক-নিরাপত্তা কাঠামোর মধ্যে মতপার্থক্যের অভিযোগ তুলে আসছেন মার্কিন প্রশাসনের কিছু কর্মকর্তা। এ নিয়ে পশ্চিমা গণমাধ্যমেও বিভিন্ন প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে।

Link copied!