× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

বিশ্ব ডেস্ক

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২৬, ০৫:০৩ পিএম

ভেনেজুয়েলায় নতুন আইনে ১৫০০-এর বেশি বন্দির সাধারণ ক্ষমার আবেদন গ্রহণ

বিশ্ব ডেস্ক

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২৬, ০৫:০৩ পিএম

ছবি : সংগৃহীত

ছবি : সংগৃহীত

ভেনেজুয়েলায় নতুন আইনের আওতায় এখন পর্যন্ত ১ হাজার ৫৫৭ জন রাজনৈতিক বন্দিকে সাধারণ ক্ষমা (অ্যামনেস্টি) পাওয়ার জন্য আবেদন করেছেন বলে জানিয়েছেন দেশটির ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলির প্রেসিডেন্ট হোর্হে রদ্রিগেজ। শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) এক সংবাদ সম্মেলনে দেশটির অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজের ভাই এবং সাবেক প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোর ঘনিষ্ঠ মিত্র হোর্হে রদ্রিগেজ আরও বলেন, এরই মধ্যে শত শত বন্দিকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে।

মুক্ত ব্যক্তিদের মধ্যে রাজনৈতিক নেতা হুয়ান পাবলো গুয়ানিপাও রয়েছেন। তবে গুয়ানিপাসহ বিরোধী শিবিরের বেশ কয়েকজন নেতা এই আইনের সমালোচনা করেছেন। তাদের অভিযোগ, আইনটিতে নির্দিষ্ট কিছু বন্দিকে পরিকল্পিতভাবে তালিকার বাইরে রাখা হয়েছে।

গত ৩ জানুয়ারি মাদুরোকে আটকের পর থেকেই রাজনৈতিক বন্দিদের মুক্তির গতি বাড়াতে ভেনেজুয়েলাকে চাপ দিচ্ছে ওয়াশিংটন। যদিও ভেনেজুয়েলার সমাজতান্ত্রিক সরকার বরাবরই রাজনৈতিক বন্দি রাখার অভিযোগ অস্বীকার করে এসেছে।

শনিবারের সংবাদ সম্মেলনে হোর্হে রদ্রিগেজ বলেন, ১ হাজার ৫৫৭টি মুক্তির আবেদন ‘অবিলম্বে’ বিবেচনা করা হচ্ছে। শেষ পর্যন্ত এই আইনের সুবিধা পাবে ১১ হাজারের বেশি বন্দী।

মাদুরোকে আটকের কয়েক দিন পর, গত ৮ জানুয়ারি সরকার প্রথম ঘোষণা দেয়, সদিচ্ছার নিদর্শন হিসেবে ‘উল্লেখযোগ্য সংখ্যক’ বন্দিকে মুক্তি দেওয়া হবে।

দেশটির বিরোধী দল এবং মানবাধিকার সংগঠনগুলোর দাবি, মাদুরো সরকার বছরের পর বছর ধরে ভিন্নমত দমন এবং সমালোচকদের মুখ বন্ধ করতে ঢালাওভাবে আটকের পথ বেছে নিয়েছিল।

নতুন আইনটিও সমালোচনার মুখে পড়েছে। বিবিসির লাতিন আমেরিকা বিশেষজ্ঞ লুইস ফাজার্দোর মতে, এই আইনের একটি বড় সমালোচনা হলো, যারা ভেনেজুয়েলায় বিদেশি সশস্ত্র হস্তক্ষেপের আহ্বান জানিয়েছিলেন, তাদের এই ক্ষমার আওতায় রাখা হয়নি।

সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি অব ভেনেজুয়েলার আইনের অধ্যাপক হুয়ান কার্লোস আপিৎস বলেন, আইনের ওই বিশেষ অনুচ্ছেদটি মূলত একজনকে লক্ষ্য করেই তৈরি করা হয়েছে। তার মতে, ওই অনুচ্ছেদটি মারিয়া কোরিনা মাচাদোর জন্যই রাখা হয়েছে।

ফাজার্দো বলেন, গত বছর শান্তিতে নোবেলজয়ী মাচাদো আদৌ এই ক্ষমার আওতায় পড়বেন কি না, তা এখনো স্পষ্ট নয়।

এ ছাড়া আইনের আরও কিছু বিতর্কিত দিক রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। এর মধ্যে মাদুরো প্রশাসনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময়ে বিদ্রোহে জড়িত থাকা কয়েক ডজন সামরিক কর্মকর্তাকেও এই সুবিধা থেকে বঞ্চিত রাখা হয়েছে বলে মনে হচ্ছে।

রদ্রিগেজ আরও জানান, আপাতত কারাকাসের কুখ্যাত কারাগার এল হেলিকোয়েদের ‘জোনা সেভেন’ থেকে বন্দিদের মুক্তি দেওয়া হচ্ছে। ওই কারাগারে আটক ব্যক্তিদের আগামী কয়েক ঘণ্টার মধ্যে মুক্তি দেওয়া হবে।

অধিকারকর্মীদের দাবি, এই কারাগারে আটক ব্যক্তিদের স্বজনদের কেউ কেউ তাদের মুক্তির দাবিতে অনশন শুরু করেছেন।

এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, মাদুরোর গ্রেপ্তার দেখানোর পর এল হেলিকোয়েদ কারাগারটি বন্ধ করে দেওয়া হবে। মাদুরো বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের হেফাজতে বিচারপ্রক্রিয়ার অপেক্ষায় রয়েছেন। তার সঙ্গে রয়েছেন স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেসও। তাদের বিরুদ্ধে মাদক ও অস্ত্র-সংক্রান্ত অভিযোগ আনা হয়েছে। তবে মাদুরো নিজেকে ‘যুদ্ধবন্দি’ দাবি করে সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!