× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জানুয়ারি ১৩, ২০২৬, ০৮:২৪ এএম

ইরানের সঙ্গে ব্যবসা করা দেশের ওপর ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপের ঘোষণা ট্রাম্পের

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জানুয়ারি ১৩, ২০২৬, ০৮:২৪ এএম

ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি : সংগৃহীত

ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি : সংগৃহীত

ইরানকে চাপে রাখতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নতুন ঘোষণা, যেকোনো দেশ ইরানের সঙ্গে ব্যবসা করলে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে তাদের সব বাণিজ্যে ২৫ শতাংশ শুল্ক (আমদানি কর) দিতে হবে। 

সোমবার (১২ জানুয়ারি) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ট্রুথ সোশ্যালে এ ঘোষণার কথা জানান।

তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বলেন, এই শুল্ক ‘তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর’। তবে ‘ইরানের সঙ্গে ব্যবসা’ বলতে ঠিক কী বোঝানো হচ্ছে সে বিষয়ে কোনো বিস্তারিত তথ্য দেননি।

সোমবার ট্রুথ সোশ্যালে ট্রাম্প লেখেন, ইসলামিক রিপাবলিক অব ইরানের সঙ্গে ব্যবসা করা যেকোনো দেশ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে করা সব ধরনের ব্যবসার ওপর ২৫% শুল্ক দেবে। তিনি আরও যোগ করেন, এই আদেশ চূড়ান্ত এবং অপরিবর্তনীয়।

এদিকে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি যুক্তরাষ্ট্রকে স্পষ্টভাবে সতর্ক করে বলেছেন, ওয়াশিংটন যদি ইরানকে ‘পরীক্ষা’ করতে চায়, তবে দেশটি যুদ্ধের জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভ দমনে সামরিক পদক্ষেপের হুমকি দেওয়ার পর তিনি এই মন্তব্য করেন।

সোমবার আলজাজিরা আরবিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে আরাগচি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যোগাযোগের পথ এখনো খোলা আছে। তবে ইরান সব ধরনের পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুতি নিয়েছে। তার ভাষায়, গত বছরের ১২ দিনের যুদ্ধের তুলনায় এখন ইরানের সামরিক সক্ষমতা অনেক বেশি।

বিশ্লেষকেরা বলছেন, সাম্প্রতিক বিক্ষোভ নিয়ন্ত্রণে আনতে পারায় ইরান এখন আগের চেয়ে কিছুটা শক্ত অবস্থানে আছে। ন্যাশনাল ইরানিয়ান আমেরিকান কাউন্সিলের প্রধান জামাল আবদি জানান, ইরান এখন হয়তো যুক্তরাষ্ট্রের চাপের মুখে বড় কোনো ছাড় দিতে রাজি নাও হতে পারে। তার মতে, সরকার রাস্তায় পরিস্থিতি অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে এনেছে।

তবে ইরানের অর্থনৈতিক সংকট এখনো কাটেনি। বিক্ষোভে হতাহতের ঘটনায় সামনে আরও শোকানুষ্ঠান হওয়ার সম্ভাবনা আছে। এতে নতুন করে অস্থিরতা দেখা দিতে পারে।

আবদি আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের আলোচনায় মূল বিষয় হতে পারে ইরানের ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কর্মসূচি (পরমাণু জ্বালানির প্রস্তুতি)। পাশাপাশি ইসরায়েল ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা ধ্বংস করতে আগ্রহী বলেও ইঙ্গিত রয়েছে। তিনি সতর্ক করেন, সামরিক হামলা হলে এসব স্থাপনাই লক্ষ্যবস্তু হতে পারে।

সব মিলিয়ে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চাপ, হুমকি ও আলোচনার সম্ভাবনা—সবই একসঙ্গে চলছে। পরিস্থিতি কোন পথে যাবে, তা এখনো স্পষ্ট নয়।

সূত্র : আলজাজিরা।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!