× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

বিশ্ব ডেস্ক

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২৬, ১০:০২ পিএম

পরমাণু নিয়ে এখনো মতানৈক্য ওয়াশিংটন-তেহরানের, মার্চে আবারও বৈঠকের ইঙ্গিত

বিশ্ব ডেস্ক

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২৬, ১০:০২ পিএম

ছবি : সংগৃহীত

ছবি : সংগৃহীত

পরমাণু ইস্যুতে ওয়াশিংটনের সঙ্গে তেহরানের আগামী মাসের শুরুতে আবারও বৈঠকে বসার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন ইরানের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা। ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য হামলার ঝুঁকির মধ্যে এ কথা জানালেন তিনি।  

নাম প্রকাশ না করার শর্তে রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) বার্তাসংস্থা রয়টার্সকে তিনি বলেন, ‘পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে চলমান আলোচনায় নিষেধাজ্ঞা শিথিলতার প্রশ্নে তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে মতপার্থক্য রয়ে গেছে।’

ইরানি ওই কর্মকর্তা আরও বলেন, সর্বশেষ আলোচনায় নিষেধাজ্ঞা শিথিলের পরিসর ও বাস্তবায়ন পদ্ধতি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবের সঙ্গে ইরানের দাবি মেলেনি। নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের জন্য উভয় পক্ষকে একটি যৌক্তিক সময়সূচিতে পৌঁছাতে হবে বলে মন্তব্য করেন তিনি। তার ভাষায়, ‘এই রোডম্যাপ হতে হবে বাস্তবসম্মত ও পারস্পরিক স্বার্থের ভিত্তিতে।’

চলমান আলোচনায় অচলাবস্থার মূল কারণ ছিল ইউরেনিয়ামের সমৃদ্ধকরণ মাত্রা শূন্যে নামিয়ে আনার দাবি। ওয়াশিংটনের এ দাবি তেহরান নাকচ করলেও পারমাণবিক কার্যক্রমের কিছু ক্ষেত্রে সমঝোতার ইঙ্গিত দিয়েছে।

ইরানি ওই কর্মকর্তা বলেন, ‘সম্ভাব্য সমঝোতার অংশ হিসেবে তেহরান উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের একটি অংশ রপ্তানি, বিশুদ্ধতা কমানো ও একটি আঞ্চলিক সংস্থা গঠনের বিষয় বিবেচনা করতে পারে।’

তবে এর বিনিময়ে শান্তিপূর্ণভাবে পারমানবিক কর্মসূচি চালানোর স্বীকৃতি চান বলে জানান তিনি। তার মতে, আলোচনা অব্যাহত রয়েছে এবং একটি অন্তর্বর্তী চুক্তিতে পৌঁছানোর সম্ভাবনাও আছে।

ইরান বলছে, কূটনৈতিক সমাধান হলে তেহরান ও ওয়াশিংটন দু’পক্ষই অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হতে পারে।

ওই কর্মকর্তা জানান, আলোচ্য অর্থনৈতিক প্যাকেজের আওতায় ইরানের তেল খাতে যুক্তরাষ্ট্রকে বড় ধরনের বিনিয়োগের সুযোগ দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে। তবে ইরান তার তেল ও খনিজ সম্পদের নিয়ন্ত্রণ অন্য কারো হাতে তুলে দিতে রাজি নয় বলে স্পষ্ট জানিয়েছেন তিনি।

তার ভাষায়, ‘শেষ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র ইরানের অর্থনৈতিক অংশীদার হতে পারে, এর বেশি কিছু নয়। মার্কিন কোম্পানিগুলো ঠিকাদার হিসেবে ইরানের তেল ও গ্যাসক্ষেত্রে কাজ করতে পারবে।’

যুক্তরাষ্ট্র বলছে, পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির জন্য ইউরেনিয়াম মজুদ করছে ইরান। অন্যদিকে ইরান বলছে, তারা পারমাণবিক অস্ত্র চায় না, কিন্তু শান্তিপূর্ণ উদ্দেশ্যে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের অধিকার চায়। 

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!