× UCB Sticker Card
সোমবার, ০৮ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

সলঙ্গা (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জুন ৮, ২০২৬, ০৬:১৯ এএম

গরমে প্রাণ জুড়াচ্ছে তালশাঁস

সলঙ্গা (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জুন ৮, ২০২৬, ০৬:১৯ এএম

গরমে প্রাণ জুড়াচ্ছে তালশাঁস

প্রচণ্ড গরম ও দাবদাহে যখন জনজীবন অতিষ্ঠ, তখন সিরাজগঞ্জের সলঙ্গা অঞ্চলের মানুষের কাছে স্বস্তির অন্যতম অনুষঙ্গ হয়ে উঠেছে কচি তালশাঁস। প্রকৃতির এই রসালো, সুস্বাদু ও ভেজালমুক্ত মৌসুমি ফলের চাহিদা এখন তুঙ্গে। হাট-বাজার, গ্রামাঞ্চল থেকে শুরু করে গুরুত্বপূর্ণ সড়কের মোড়েও দেখা মিলছে তালশাঁস বিক্রেতাদের ব্যস্ততা।

সরেজমিনে দেখা যায়, সলঙ্গা থানার ছয়টি ইউনিয়নের বিভিন্ন হাট-বাজার ও জনবহুল এলাকায় সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত তালশাঁস বিক্রি করছেন মৌসুমি ব্যবসায়ীরা। প্রচুর সরবরাহ থাকলেও তীব্র গরমে চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় দামও কিছুটা বৃদ্ধি পেয়েছে।

পাইকারি ব্যবসায়ী সেলিম হোসেন জানান, গত বছর ১০০টি কচি তাল কিনতে যেখানে ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা খরচ হতো, সেখানে এ বছর একই পরিমাণ তাল কিনতে ব্যয় হচ্ছে ৯০০ থেকে ১ হাজার টাকা। ফলে খুচরা বাজারেও এর প্রভাব পড়েছে। বর্তমানে আকারভেদে তিন শাঁসযুক্ত একটি কচি তাল ২০ থেকে ৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আবার অনেক স্থানে প্রতিটি তালশাঁস ১০ টাকা দরে বিক্রি করতে দেখা যাচ্ছে।

সলঙ্গা বাজারের ক্রেতা নাসির উদ্দিন বলেন, ‘গরমে তালশাঁস খেতে খুব ভালো লাগে। নিজেরা খাওয়ার পাশাপাশি পরিবারের ছোটদের জন্যও কিনে নিয়ে যাই। এটি যেমন সুস্বাদু, তেমনি স্বাস্থ্যকর।’

আরেক ক্রেতা রবিউল ইসলাম বলেন, ‘মেয়ের জন্য তালশাঁস কিনতে এসেছি। মৌসুমি ফল হিসেবে এটি আমাদের পরিবারের খুবই পছন্দের।’ বিক্রেতারা জানান, তাপমাত্রা যত বাড়ছে, তালশাঁসের বিক্রিও তত বাড়ছে। বিশেষ করে দুপুরের দিকে ক্রেতাদের ভিড় সবচেয়ে বেশি থাকে। অনেকে চলার পথে তালশাঁস খেয়ে তৃষ্ণা মেটানোর পাশাপাশি কিছুটা স্বস্তিও খুঁজে পান।

স্থানীয়দের মতে, কচি তালশাঁস শুধু সুস্বাদু ফলই নয়, গরমে শরীরকে শীতল রাখতেও সহায়তা করে। ফলে তীব্র দাবদাহের এই সময়ে সলঙ্গার মানুষের কাছে তালশাঁস হয়ে উঠেছে স্বস্তির এক প্রাকৃতিক উপহার। গ্রীষ্মকালজুড়ে তালশাঁসের এমন চাহিদা অব্যাহত থাকবে বলে আশা করছেন বিক্রেতারা। আর ক্রেতারাও বলছেন, মৌসুমি এই ফল গরমের ক্লান্তি দূর করে শরীর ও মনে এনে দেয় প্রশান্তির ছোঁয়া।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!