× UCB Sticker Card
সোমবার, ০৮ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

ভিনদেশ ডেস্ক

প্রকাশিত: জুন ৮, ২০২৬, ০৬:৪৪ এএম

১৩ ঘণ্টায় ৩৩৯ ড্রোন ভূপাতিতের দাবি রাশিয়ার

সেন্ট পিটার্সবার্গে ইউক্রেনের নজিরবিহীন ড্রোন হামলা

ভিনদেশ ডেস্ক

প্রকাশিত: জুন ৮, ২০২৬, ০৬:৪৪ এএম

সেন্ট পিটার্সবার্গে ইউক্রেনের নজিরবিহীন ড্রোন হামলা

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের চতুর্থ বছরে সংঘাত নতুন মাত্রা পেয়েছে। রাশিয়া দাবি করেছে, মাত্র ১৩ ঘণ্টার ব্যবধানে দেশটির বিভিন্ন অঞ্চলে ইউক্রেনের ৩৩৯টি ড্রোন ভূপাতিত করেছে তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা। রাজধানী মস্কো থেকে শুরু করে উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল, কৃষ্ণসাগর উপকূল এবং গুরুত্বপূর্ণ সামরিক এলাকাগুলো এই হামলার আওতায় ছিল বলে জানিয়েছে মস্কো। সবচেয়ে আলোচিত ঘটনা ঘটেছে রাশিয়ার দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর সেন্ট পিটার্সবার্গে। রুশ কর্তৃপক্ষের ভাষায়, এটি ছিল যুদ্ধ শুরুর পর শহরটিতে ইউক্রেনের সবচেয়ে বড় ও নজিরবিহীন ড্রোন হামলা। হামলার সময় শহরে চলছিল রাশিয়ার বার্ষিক অর্থনৈতিক ফোরামের শেষ দিনের কার্যক্রম। পরিস্থিতির গুরুত্ব বিবেচনায় স্থানীয় বাসিন্দাদের ঘরের ভেতরে থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়, যা চলমান যুদ্ধে এই প্রথম। রাশিয়ার দাবি, লেনিনগ্রাদ অঞ্চলে ১৪০টিরও বেশি ড্রোন ভূপাতিত করা হয়েছে। তবে একটি সামরিক স্থাপনায় আগুন লাগে এবং আশপাশের মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়। কিছু স্থাপনার ক্ষয়ক্ষতির কথাও স্বীকার করেছে মস্কো। অন্যদিকে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি দাবি করেছেন, তাদের বাহিনী প্রায় এক হাজার কিলোমিটার দূরে অবস্থিত রুশ নৌঘাঁটি ও অস্ত্রাগারে সফলভাবে আঘাত হেনেছে। তিনি এটিকে রাশিয়ার ধারাবাহিক হামলার উপযুক্ত জবাব বলে উল্লেখ করেন। একই সঙ্গে দক্ষিণাঞ্চলের একটি তেল সংরক্ষণাগারেও হামলার দাবি করেছে কিয়েভ।

এদিকে যুদ্ধ বন্ধে নতুন উদ্যোগ হিসেবে যুক্তরাজ্যে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এতে অংশ নিচ্ছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি, ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ এবং জার্মানির চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মের্ৎস। তবে সরাসরি আলোচনার প্রস্তাব ইতোমধ্যেই প্রত্যাখ্যান করেছেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভøাদিমির পুতিন। তার বক্তব্য, যুদ্ধবিরতি ইউক্রেনকে পুনরায় সামরিকভাবে সংগঠিত হওয়ার সুযোগ দেবে। বিশ্লেষকদের মতে, দূরপাল্লার ড্রোন সক্ষমতা বাড়িয়ে ইউক্রেন এখন রাশিয়ার অভ্যন্তরে নিয়মিত আঘাত হানতে পারছে। অন্যদিকে রাশিয়াও যুদ্ধ থামানোর কোনো রাজনৈতিক সংকেত দিচ্ছে না। ফলে কূটনৈতিক তৎপরতা বাড়লেও যুদ্ধের দ্রুত অবসানের সম্ভাবনা এখনো অনিশ্চিত।

 

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!