× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ১১ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী ডেস্ক

প্রকাশিত: জুন ১১, ২০২৬, ০৬:১২ এএম

বিশ্বকাপের অবিস্মরণীয় পাঁচ গোল  

রূপালী ডেস্ক

প্রকাশিত: জুন ১১, ২০২৬, ০৬:১২ এএম

বিশ্বকাপের অবিস্মরণীয় পাঁচ গোল   

পেলে

ব্রাজিল বনাম সুইডেন (১৯৫৮)

বিশ্বকাপের মতো মঞ্চ যেখানে কিশোরদের বাস্তবতা শেখায়, সেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন ব্রাজিল কিংবদন্তি পেলে। তাও আবার ফাইনালের মতো স্নায়ু চাপের ম্যাচে! মাত্র ১৭ বছর বয়সে নিজের আগমনী বার্তা দেন তিনি। সেই বিশ্বকাপই জন্ম দিয়েছিল ব্রাজিলের সর্বকালের সেরা কিংবদন্তির।

১৯৫৮ সালের ২৯ জুন বিশ্বকাপের ফাইনালে স্বাগতিক সুইডেনকে ৫-২ গোলে হারিয়ে শিরোপা জেতে ব্রাজিল। ম্যাচটিতে জোড়া গোল করেন পেলে। ৫৫ মিনিটে তার প্রথম গোলটি বিশ্বকাপ ইতিহাসের অন্যতম সেরা গোল হিসেবে স্বীকৃত। ওই গোলের সময় তিনি প্রথমে বলটি এক ডিফেন্ডারের মাথার ওপর দিয়ে তুলে দেন, এরপর ভলিতে জড়িয়ে দেন জালে। তার পর তো পেলে হয়ে ওঠেন ‘ও রেই’Ñ অর্থাৎ ফুটবল সম্রাট।

কার্লোস আলবার্তো

ব্রাজিল বনাম ইতালি (১৯৭০)

কিছু গোল ব্যক্তিগত নৈপুণ্যের, কিছু গোল দলগত শিল্পের। ১৯৭০ সালের ফাইনালে ব্রাজিলের গোলটি ছিল নিখুঁত দলগত ফুটবলের প্রতীক। একের পর এক পাসে ইতালির রক্ষণদুর্গ ভেঙে দেওয়ার পর পেলের পাস পেয়ে কার্লোস আলবার্তো প্রথম স্পর্শেই জোরালো শটে জালে কাঁপান। ৮৬ মিনিটের সেই গোল এখনো দলগত আক্রমণের সেরা উদাহরণ হিসেবে স্বীকৃত।

 ডিয়েগো ম্যারাডোনা

আর্জেন্টিনা বনাম ইংল্যান্ড (১৯৮৬)

১৯৮৬ মেক্সিকো বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ডিয়েগো ম্যারাডোনার এই গোল আইকনিক এক মুহূর্ত। মাত্র কয়েক সেকেন্ডের একার দৌড়ে তিনি যেন ফুটবলকে রূপ দিয়েছিলেন শিল্পকর্মে। নিজের অর্ধ থেকে বল নিয়ে শুরু করা অভিযানের শেষে ইংল্যান্ডের একের পর এক খেলোয়াড়কে কাটিয়ে জালে বল পাঠিয়েছিলেন আর্জেন্টাইন ফুটবল ঈশ্বর। পরে যে গোলটি ‘ফিফা ওয়ার্ল্ড কাপ গোল অব দ্য সেঞ্চুরি’ হিসেবে স্বীকৃতি পায়। ‘হ্যান্ড অব গড’-এর বিতর্ক ছাপিয়ে ম্যাচটির সবচেয়ে উজ্জ্বল স্মৃতি হয়ে আছে ম্যারাডোনার সেই অবিশ্বাস্য গোল।

ম্যাচটিতে আর্জেন্টিনাকে এগিয়ে নেওয়ার জন্য বিতর্কিত ‘হ্যান্ড অব গড’ গোল করে এরই মধ্যে আলোচনার কেন্দ্রে চলে এসেছিলেন কিংবদন্তি নম্বর টেন। তবে কয়েক মিনিট পর করা তার অবিশ্বাস্য দৌড় ও নিখুঁত ফিনিশিং তাকে ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম সেরা ফুটবলার হিসেবে দৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠিত করে। নিজেদের অর্ধে বল পাওয়ার পর একটি দুর্দান্ত মুভে ইংল্যান্ডের পিটার রিড ও পিটার বেয়ার্ডসলিকে পরাস্ত করেন ম্যারাডোনা। এরপর ভারসাম্য, গতি ও বল নিয়ন্ত্রণের মনোমুগ্ধকর প্রদর্শনীতে একের পর এক ইংলিশ ডিফেন্ডারকে পেছনে ফেলেন তিনি। শেষ পর্যন্ত গোলরক্ষক পিটার শিলটনকে কাটিয়ে বল জালেও জড়িয়ে দেন।

 ডেনিস বার্গক্যাম্প

নেদারল্যান্ডস বনাম আর্জেন্টিনা (১৯৯৮)

কোয়ার্টার ফাইনাল কখনো সহজ হয় না। সেখানে জায়গার চেয়ে লড়াই বেশি থাকে। ১৯৯৮ সালের সেই আসরে ফ্রাঙ্ক ডি বোয়ারের দীর্ঘ পাস থেকে বার্গক্যাম্পের গোলটি ছিল নিখুঁত শিল্পকর্ম। প্রথম স্পর্শে বল নিয়ন্ত্রণ, দ্বিতীয় স্পর্শে ডিফেন্ডারকে কাটানো এবং তৃতীয় স্পর্শে নিখুঁত ফিনিশিং। ৮৯ মিনিটের সেই এক গোল আর্জেন্টিনার স্বপ্ন ভেঙে দেয় এবং নেদারল্যান্ডসকে তুলে দেয় সেমিফাইনালে।

 রোনালদিনহো

ব্রাজিল বনাম ইংল্যান্ড (২০০২)

২০০২ বিশ্বকাপ কোয়ার্টার ফাইনালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে রোনালদিনহোর সেই অবিশ্বাস্য ফ্রি-কিক আজও বিশ্বকাপ ইতিহাসের অন্যতম স্মরণীয় ও আলোচিত গোল হয়ে আছে।

৫০ মিনিটের সেই গোলে প্রতিক্রিয়া জানানোর কোনো সুযোগই পাননি ইংল্যান্ডের গোলরক্ষক ডেভিড সিম্যান। রোনালদিনহোর ফ্রি-কিকটি এতই দ্রুত ও শক্তিশালী ছিল যে বল জালে জড়ানোর আগে কিছুই করার ছিল না তার।

গোলটির পর কয়েক দিন ধরে ফুটবল বিশ্বে তুমুল বিতর্ক চলে। প্রশ্ন উঠে, ব্রাজিলের এই জাদুকর কি সত্যিই বলটিকে লক্ষ্যে পাঠাতে চেয়েছিলেন, নাকি সেটি ছিল ভাগ্যের সহায়তায় পাওয়া এক বিস্ময়কর গোল? পরে ব্রাজিল তারকা বলেছিলেন, ‘আমি যখন শট নিয়েছিলাম, তখন অবশ্যই গোল করার চেষ্টা করছিলাম। তবে ঠিক ওই জায়গায় বল পাঠানোর পরিকল্পনা ছিল না।’

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!