× UCB Sticker Card
শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

মো. আব্দুর রহিম

প্রকাশিত: জুন ১৩, ২০২৬, ০৫:১৯ এএম

বাজেট-২০২৬-২৭

জীবনযাত্রার ব্যয় কমানো শুধুই ‘আশার আলো’

মো. আব্দুর রহিম

প্রকাশিত: জুন ১৩, ২০২৬, ০৫:১৯ এএম

জীবনযাত্রার ব্যয় কমানো শুধুই ‘আশার আলো’

রাজধানীর মিরপুরের বাসিন্দা মজিদ মিয়া পেশায় একজন রিকশাচালক। প্রতিদিন তার ঘুম ভাঙে দিনের যে আয় তা দিয়ে জীবনযাত্রার ব্যয় মেটাতে পারবেন কি না, সেই দুশ্চিন্তায়। তাই বাজেটের পরদিনও বেরিয়েছেন কাজে। কিন্তু গতকাল শুক্রবার ছুটির দিনে আয় ছিল পড়তির দিকে। বাজারে নিত্যপণ্য, গ্যাস, বিদ্যুৎ ও অন্যান্য দৈনন্দিন খরচ যে হারে বেড়েছে তাতে আয়ের টাকায় কুলিয়ে উঠতে পারছেন না মজিদ মিয়া। খোদ সরকারের হিসাব বলছে, গত মে মাসের হিসাবে দেশে মূল্যস্ফীতি ৯.৪২ শতাংশ। অর্থাৎ ১০০ টাকার জিনিস কিনতে এখন প্রায় ১১০ টাকা লাগছে। ফলে কোনোরকম মৌলিক চাহিদাটুকু পূরণ করে এ শহরে টিকে আছেন তিনি। শুধু মজিদ মিয়া নন, নি¤œ ও মাধ্যবিত্ত এমন কোটি মানুষ প্রতিদিন জীবনযুদ্ধ করছেন দৈনন্দিন ব্যয় মেটাতে। সবার প্রশ্ন, প্রস্তাবিত বাজেট কতটা স্বস্তি নিয়ে আসবে তাদের জীবনে।

মজিদ মিয়াদের জন্য আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী কিছুটা স্বস্তি দিতে চেষ্টা করেছেন। ধান, চাল, গম, আলু, গবাদিপশু, হাঁস-মুরগি, মাছ, পেঁয়াজ, রসুন, আদা, লবণ, চিনি, ভোজ্যতেল, বীজসহ ৬০টি নিত্যপণ্যের ওপর উৎসে কর ৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে শূন্য দশমিক ৫ শতাংশ করার প্রস্তাব করেছেন তিনি। শিশুখাদ্য, ওষুধ ও কিডনি ডায়ালাইসিস সেবাসহ বেশ কিছু পণ্য ও সেবায় কর ছাড় দিয়েছেন। বিগত বছরগুলোয় দ্রব্যমূল্যের লাগামহীন ঊর্ধ্বগতিতে জনজীবনে যে নাভিশ্বাস উঠেছিল, তার বিপরীতে গণতান্ত্রিক সরকারের নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী এসব পদক্ষেপ জনজীবনে স্বস্তি আনবে বলে আশা সরকারের।

মধ্যবিত্তের জন্যও কিছু সুবিধা দেওয়া হয়েছে বাজেটে। তবে একই সঙ্গে এমন কিছু সিদ্ধান্তও আছে, যা তাদের ব্যয় আরও বাড়াতে পারে। ফলে বাজেটকে মধ্যবিত্তের জন্য পুরোপুরি স্বস্তির বলা যাচ্ছে না। মোটাদাগে বাজেট প্রস্তাবে মেট্রোরেলের টিকিটে ২৫ শতাংশ ছাড় ৬৫-ঊর্ধ্ব নাগরিকের জন্য, তাদের ট্রেনে ভ্রমণ বিনা মূল্যে করা, হার্টের রিংয়ে ভ্যাট প্রত্যাহার এসব সুবিধার মধ্যে অন্যতম। এ ছাড়া করমুক্ত আয়সীমা বাড়িয়ে পৌনে ৪ লাখ টাকা করার প্রস্তাব করে সামান্য স্বস্তি দেওয়া হয়েছে।

বেসরকারি গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) নির্বাহী পরিচালক ফাহমিদা খাতুন বলেন, ‘সাধারণত, বাজেটে নি¤œআয়ের মানুষের জন্য সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি এবং ব্যবসা-বাণিজ্য ও বিনিয়োগের জন্য কিছু উদ্যোগ থাকলেও মধ্যবিত্ত শ্রেণির জন্য সুনির্দিষ্ট সহায়তার পরিধি তুলনামূলকভাবে সীমিত। অথচ দীর্ঘ সময় ধরে উচ্চ মূল্যস্ফীতির সবচেয়ে বড় চাপ বহন করছে এই শ্রেণিটি। নি¤œআয়ের মানুষ কিছু সরকারি সহায়তা পায়, উচ্চ আয়ের মানুষ মূল্যবৃদ্ধির ধাক্কা তুলনামূলকভাবে সামাল দিতে পারে, কিন্তু মধ্যবিত্তের প্রকৃত আয় ও সঞ্চয় দুটোই ক্ষয় হচ্ছে।’ তিনি বলেন, ‘মধ্যবিত্তের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ। তাদের জন্য নতুন কোনো ভর্তুকি বা নগদ সহায়তার চেয়ে খাদ্যপণ্য, জ্বালানি, পরিবহন, বাসাভাড়া, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার ব্যয় নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ বেশি প্রয়োজন। বাজার ব্যবস্থাপনা শক্তিশালী করা, সরবরাহ ব্যবস্থার অদক্ষতা ও কারসাজি কমানো, কৃষি উৎপাদন ও আমদানি ব্যবস্থায় স্থিতিশীলতা আনা এবং মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে সমন্বিত রাজস্ব ও মুদ্রানীতি অনুসরণ করা জরুরি।’ ফাহমিদা খাতুন আরও বলেন, ‘এ ছাড়া কর ব্যবস্থায় মধ্যবিত্তবান্ধব সংস্কার প্রয়োজন। করমুক্ত আয়সীমা বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণভাবে সমন্বয়, তাদের ওপর থেকে স্বাস্থ্য ও শিক্ষা ব্যয়ের চাপ কমানো এবং একই সঙ্গে সরকারি স্বাস্থ্য ও শিক্ষা সেবার মান উন্নত করা গেলে মধ্যবিত্ত পরিবারের ওপর ক্রমবর্ধমান ব্যয়ের চাপ কিছুটা কমবে।’

পলিসি এক্সচেঞ্জের চেয়ারম্যান এম মাসরুর রিয়াজ বলেন, ‘প্রস্তাবিত বাজেটে মধ্যবিত্তের উপস্থিতি অস্বীকার করার উপায় নেই। করমুক্ত আয়সীমা বাড়ানো, নিত্যপ্রয়োজনীয় ৬০টি পণ্যে কর কমানো এবং স্বাস্থ্য ও প্রযুক্তিপণ্যে কিছু ছাড় এসব ইতিবাচক উদ্যোগ। সরকার মূল্যস্ফীতি ৭.৫ শতাংশে নামিয়ে আনার লক্ষ্য ঠিক করলেও এটি পরোক্ষেই স্বীকার করে নিচ্ছে যে জীবনযাত্রার ব্যয় সংকট এখনো তীব্র। ফ্যামিলি কার্ড, ভাতা ও খাদ্য সহায়তা যেমন দরিদ্র ও ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীকেন্দ্রিক, তেমনি মধ্যবিত্ত এই সুরক্ষা কাঠামোর বাইরে রয়ে গেছে। সরকারি চাকরিজীবীরা নতুন বেতন কাঠামো পেলেও বেসরকারি চাকরিজীবী ও শহুরে মধ্যবিত্তের জন্য বিশেষ সুরক্ষা কমই।’

এই অর্থনীতিবিদ বলেন, ‘করমুক্ত আয়সীমা ৩.৫০ লাখ থেকে ৩.৭৫ লাখ টাকায় উন্নীত করা নিঃসন্দেহে একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ। তবে স্বস্তি আংশিক, কারণ এই সীমা অতিক্রম করলেই করহার ৫ শতাংশের পরিবর্তে ১০ শতাংশ থেকে শুরু হচ্ছে। ফলে নি¤œ ও মধ্যম আয়ের করদাতাদের ওপর চাপ পুরোপুরি কমছে না। নারী ও ৬৫ বছরের বেশি বয়সিদের জন্য সীমা আরও বাড়ানো হলেও মূল্যস্ফীতির তুলনায় এই স্বস্তি খুব বড় নয়। বর্তমান সংকট মোকাবিলায় মধ্যবিত্তের জন্য কর-স্বস্তি, নগর ব্যয় সহায়তা, স্বাস্থ্য-শিক্ষায় রেয়াত ও বাজারদর নিয়ন্ত্রণ জরুরি।’ তবে বাজেটে কিছু চাপও আছে। ১২০০-১৬০০ সিসি গাড়ির কর অনেক বেড়েছে। মধ্যবিত্তের গাড়ি কেনা আরও কঠিন হবে। বিদেশি কাজুবাদাম, মধু, খেলনা, মাইক্রোওয়েভ ওভেন, টাইলসের দামও বাড়বে। রডের দাম বেড়ে বাড়ি নির্মাণের খরচ বাড়বে।

মূল্যস্ফীতির আগুনে পুড়ছে মধ্যবিত্ত : মধ্যবিত্তের এখন সবচেয়ে বড় সমস্যা মূল্যস্ফীতি। বাজারে সব পণ্যের দামে আগুন। চাল, ডাল, তেল থেকে শুরু করে সবজিÑ সবকিছুর দাম আকাশচুম্বী। গত মে মাসের হিসাবে দেশে মূল্যস্ফীতি ৯.৪২ শতাংশ। অর্থাৎ ১০০ টাকার জিনিস কিনতে এখন প্রায় ১১০ টাকা লাগছে। সরকার বাজেটে এই মূল্যস্ফীতি সাড়ে ৭ শতাংশে নামিয়ে আনার লক্ষ্য ঠিক করেছে। এটি যদি সত্যি সফল হয়, তবে মধ্যবিত্ত সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে। কিন্তু বাজেট বড় হওয়ার কারণে বাজারে টাকার প্রবাহ বাড়বে। ফলে দাম কতটা কমবে, তা নিয়ে অর্থনীতিবিদদের মনে সংশয় আছে। অর্থমন্ত্রী মধ্যবিত্তকে স্বস্তি দিতে কয়েকটি পদক্ষেপ নিয়েছেন। প্রথমত, করমুক্ত আয়সীমা বাড়ানো হয়েছে। আগে সাড়ে তিন লাখ টাকা ছিল। এখন পৌনে চার লাখ টাকা করা হয়েছে। নারী ও প্রবীণদের জন্য সাড়ে চার লাখ টাকা। দ্বিতীয়ত, নিত্যপণ্যে শুল্ক ছাড় দেওয়া হয়েছে। চাল, ডাল, ভোজ্যতেল, চিনি, গুঁড়াদুধসহ ১২টি জরুরি পণ্যের আমদানি শুল্ক কমানো বা প্রত্যাহার করা হয়েছে। এতে বাজারে দাম কিছুটা কমতে পারে। তৃতীয়ত, ক্যানসার, ডায়াবেটিস ও হৃদরোগের ৫০টি ওষুধের কাঁচামাল আমদানিতে ভ্যাট ও ট্যাক্স মওকুফ করা হয়েছে। মধ্যবিত্ত পরিবারের ওষুধের খরচ কমবে। চতুর্থত, শিক্ষা উপকরণের দাম কমানো হয়েছে। খাতা, কলম, পেনসিল, জ্যামিতি বক্সের স্থানীয় উৎপাদন কর কমানো হয়েছে। অভিভাবকদের জন্য এটি স্বস্তির খবর। পঞ্চমত, ডিজিটাল ওএমএস কার্ড চালু করা হচ্ছে। বড় শহরে সীমিত আয়ের চাকরিজীবীরা লাইনে না দাঁড়িয়ে সুলভমূল্যে পণ্য কিনতে পারবেন।

মূল্যস্ফীতির লাগাম টানতে ৬০ নিত্যপণ্যে কর ছাড় : মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে ও সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় কমাতে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে ব্যাপক কর ছাড়ের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। সরকার আগামী অর্থবছরে মূল্যস্ফীতি ৭.৫ শতাংশের মধ্যে নামিয়ে আনতে চায়। প্রস্তাবে ধান, চাল, গম, আলু, মাছ, গবাদিপশু, হাঁস-মুরগি, পেঁয়াজ, রসুন, চিনি, ভোজ্যতেলসহ প্রায় ৬০টি নিত্যপণ্যের উৎস কর ৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ০.৫ শতাংশ করা হয়েছে। এতে বাজারে সরবরাহ ব্যয় কমে উপকৃত হবে ভোক্তারা। এ ছাড়া কিডনি ডায়ালিসিস ফিল্টারের অগ্রিম কর প্রত্যাহার, বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তিদের পণ্যে কর কমানো, ইলেকট্রিক বাস-ট্রাক ও চার্জিং স্টেশনে উৎসে কর মওকুফের প্রস্তাব রাখা হয়েছে। শিল্পের কাঁচামাল ও প্রযুক্তিপণ্য আমদানিতে কর কমছে। ব্যক্তি করদাতার করমুক্ত আয়সীমা তিন লাখ ৭৫ হাজার টাকা করার প্রস্তাব করা হয়েছে। সরকারের আশা, এসব পদক্ষেপ উৎপাদন ব্যয় কমিয়ে বিনিয়োগ বাড়াবে এবং মূল্যস্ফীতির চাপ লাঘব করবে। মেট্রোরেলে ভ্যাট অব্যাহতির মেয়াদ ২০২৮ সাল পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। তবে গণপরিবহন অগ্রিম আয়কর বাড়ানোর ফলে বাস ভাড়া বাড়তে পারে।

সঞ্চয়পত্রে কর দ্বিগুণ, কমছে রেয়াত সুবিধাও : প্রস্তাবিত বাজেটে সাধারণ মানুষের সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য বিনিয়োগমাধ্যম সঞ্চয়পত্রে কর দ্বিগুণ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে কমানো হচ্ছে বিনিয়োগসংক্রান্ত কর রেয়াতের সুবিধাও। অথচ সম্পদশালীদের সম্পদের ওপর করের হার অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। প্রস্তাবিত বাজেট অনুযায়ী, পাঁচ লাখ টাকার সঞ্চয়পত্রের মালিককে সুদ আয়ের ওপর এখন থেকে ন্যূনতম ১০ শতাংশ হারে কর দিতে হবে, যা আগে ছিল মাত্র ৫ শতাংশ। বর্তমানে ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত সঞ্চয়পত্রে মুনাফার সময় ৫ শতাংশ উৎসে কর কেটে রাখা হয়, আর এর বেশি অঙ্কের ক্ষেত্রে কাটা হয় ১০ শতাংশ।

দক্ষ জনশক্তি তৈরির পরিকল্পনা : অর্থমন্ত্রী এবারের বাজেটে দক্ষ জনশক্তি তৈরির জন্য শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন। এটিকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বিবেচনা করে ২০২৬-২৭ অর্থবছরে শিক্ষায় জিডিপির ২ শতাংশ বরাদ্দ রেখেছেন। শিক্ষা খাতের বরাদ্দের পরিমাণ ১ লাখ ৬৮ হাজার ৮০৬ কোটি টাকা, যা চলতি বছরের বরাদ্দ ৮৭ হাজার ৭৬৩ কোটি টাকা (জিডিপির ১ দশমিক ৩১ শতাংশ) থেকে উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি। দ্বিতীয় গুরুত্ব দিয়েছেন স্বাস্থ্য খাতে। জিডিপির ১ দশমিক ০১ শতাংশ বরাদ্দ রাখা হয়েছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বাইরেও অন্যান্য মন্ত্রণালয় পরিচালিত স্বাস্থ্য উদ্যোগ, স্বাস্থ্য ব্যয় এবং হাসপাতালগুলোতে বরাদ্দ বিবেচনা করা হয়েছে। যেমন- সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়, ইসলামিক ফাউন্ডেশন, পুলিশ অধিদপ্তর পরিচালিত হাসপাতাল এবং স্থানীয় সরকার বিভাগ প্রদত্ত স্বাস্থ্যসেবা কর্মসূচিগুলোকে যুক্ত করে ৬৯ হাজার ৪০৯ কোটি টাকা করা হয়েছে, যার ফলে স্বাস্থ্য খাতে ব্যয় চলতি বছরের জিডিপির শূন্য দশমিক ৫৮ শতাংশ থেকে বেড়ে ১ দশমিক ০১ শতাংশ হবে। আগামীতে পর্যায়ক্রমে শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে জিডিপির ৪ শতাংশ বরাদ্দ নিশ্চিত করা হবে।

 

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!