× UCB Sticker Card
সোমবার, ২২ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জুন ২২, ২০২৬, ০২:৫৮ এএম

বললেন প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্য উপদেষ্টা

হামের টিকা ঘাটতিতে অন্তর্বর্তী সরকার দায়ী তদন্তের প্রয়োজন নেই

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জুন ২২, ২০২৬, ০২:৫৮ এএম

হামের টিকা ঘাটতিতে  অন্তর্বর্তী সরকার দায়ী  তদন্তের প্রয়োজন নেই

হামের টিকা দেওয়ার গাফিলতির ঘটনায় তদন্তের দরকার নেই বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্যবিষয়ক বিশেষ সহকারী (প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদা) এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার। তিনি বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের কোনো অপারেশন প্ল্যান (ওপি) ছিল না। আমরা তো জানি যে, তারা অপারেশনাল প্ল্যান বাদ দিয়ে উন্মুক্ত দরপত্র (ডিপিপি) পদ্ধতিতে কাজ করতে চেয়েছিল। তারা হয়তো ধারণা করেছিলেন, যে ডিপিপিগুলোকে এক থেকে দেড় মাসের মধ্যে এপ্রুভ করাতে পারবেন এবং টাকা পাবেন। কিন্তু বাস্তব চিত্র যে এক বছরেও অনেক ডিপিপি তৈরি সম্ভব হয়নি। সেগুলোকে একনেকে অ্যাপ্রুভাল, প্রজেক্ট অফিস তৈরি করা কিছুই করতে পারেনি। তাই নিঃসন্দেহে টিকাদান কর্মসূচিতে তাদের গাফিলতি ছিল এটা প্রমাণিত। তিনি আরও বলেন, বর্তমান সরকার স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে নানা ধরনের পরিকল্পনা করেছে। এর মধ্যে স্বাস্থ্যসেবার মান বাড়াতে নিয়োগ করা হচ্ছে এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী। একই সঙ্গে নিরাপদ মাতৃত্ব নিশ্চিত করতে নিয়োগ হচ্ছে ২৫ হাজার ধাত্রী।

গতকাল রোববার সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে বিশেষ সহকারী এ কথা জানান। পর্তুগালের লিসবনে অনুষ্ঠিত ৩৪তম ইন্টারন্যাশনাল কনফেডারেশন অব মিডওয়াইভস (আইসিএম) ট্রায়েনিয়াল কংগ্রেসে অংশগ্রহণসহ সাম্প্রতিক ইউরোপ সফর নিয়ে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

এ সময় হামে শিশু মৃত্যু নিয়ে তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে কি না জানতে চাইলে বিশেষ সহকারী বলেন, ‘এখানে তদন্তের কি আছে? অন্তর্বর্তী সরকারের অপারেশন প্ল্যান না থাকায় স্বাভাবিক যে ফান্ড ছিল ওপির মাধ্যমে হচ্ছিল সেটা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। যার খেসারত এখন সরকারকে দিতে হচ্ছে। শুধু তাই নয়, আমাদের ফ্যামিলি প্ল্যানিংয়ের বিভিন্ন প্রোডাক্ট বিভিন্ন জায়গাতে স্টক আউট। কারণ তারা সেগুলোও কিনতে পারেনি। এখন সেগুলো আমরা কীভাবে দ্রুত সময়ের মধ্যে ক্রয় করতে পারি তা নিয়ে মন্ত্রীসহ সবাই কাজ করছে।

আগের সরকারের কোনো গাফিলতি কি আপনি স্বাস্থ্য উপদেষ্টা হিসেবে দেখেন না? এ বিষয়ে তিনি বলেন, গাফিলতি তো আছেই। আমরা তো এটা বলেই দিয়েছি। তাদের গাফিলতির জন্যই তো ২০২৪-২৫ এর যে টিকার রাউন্ড, সে টিকার রাউন্ডটা পুরোপুরি মিস করা হয়েছে। টিকার কোনো প্রকিউরমেন্ট হয়নি। ফ্যামিলি প্ল্যানিংয়ের এই যে কন্ট্রাসেপ্টিভ প্রোডাক্ট, এগুলো প্রকিউরমেন্ট হয়নি। এখানে গাফিলতি আছে, এটা নিঃসন্দেহে আমরা বলতে পারি। এটার জন্য কোনো তদন্ত করার দরকার নেই।’

হামের টিকা দেওয়ার এক মাস পরও কেন এখনো শিশুরা আক্রান্ত হচ্ছে এবং মারা যাচ্ছে? এ বিষয়ে বিশেষ সহকারী বলেন, যে ন্যাশনাল ক্যাম্পেইনটা আমরা করলাম, ইমার্জেন্সি ক্যাম্পেইন ভ্যাক্সিনেশনের, এর টার্গেট গ্রুপ ছিল ৬ মাস থেকে ৫ বছর বয়সের শিশুরা। তো এখানে আমাকে দেখতে হবে যে, যারা এখন হামে আক্রান্ত হচ্ছে তারা কি এই এজ গ্রুপের নাকি ৫ বছর বয়সের চাইতে বেশি বয়স? কারণ বেশি বয়সের বাচ্চাদের হামের টিকা এখনো দেওয়া হয়নি। এই মাসের শেষেই রেগুলার রাউন্ড শুরু হওয়ার কথা। তখন অন্য বাচ্চারাও, আমার মনে হয় ১০ বছর বয়স পর্যন্ত বাচ্চারা হামের হামের টিকা পাবে।

এ সময় জিয়াউদ্দিন হায়দার জানান, স্বাস্থ্যসেবা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে আগামী তিন থেকে চার বছরের মধ্যে এক লাখ নতুন স্বাস্থ্যকর্মী এবং ২৫ হাজার মিডওয়াইফ (ধাত্রী) নিয়োগ দেওয়া হবে। তিনি বলেন, এ মাসের ১২ তারিখে পর্তুগালের লিসবন গিয়েছিলাম, সেখানে ইন্টারন্যাশনাল কনফেডারেশন অব মিডওয়াইভসের ৩৪তম ইন্টারন্যাশনাল কংগ্রেস হলো। সেখানে ১২২ দেশ থেকে তিন হাজারেরও বেশি মিডওয়াইফ এবং ইউএনএফপিএসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধিরা অংশ নেন। অনেক দেশের সংসদ সদস্য এবং মন্ত্রীরাও এসেছিলেন। তিন দিনের একটা কনফারেন্স ছিল। সেখানে আমাদের, আমাকে ইনভাইট করা হয়েছিল বাংলাদেশ থেকে এই কংগ্রেসের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের প্রধান বক্তা হিসেবে। 

তিনি বলেন, আমরা সেখানে ঘোষণা দিয়েছি যে, আমাদের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে যে সরকার, আমরা বেশির ভাগ জোর দিচ্ছি আমাদের দেশের প্রাইমারি হেলথকেয়ারকে শক্তিশালী করার জন্য। আমাদের চিকিৎসা ব্যবস্থা যেটা প্রথাগতভাবে ট্রিটমেন্ট সেন্ট্রিক (চিকিৎসানির্ভর), এইটাকে কীভাবে প্রিভেনশন সেন্ট্রিক (রোগ প্রতিরোধনির্ভর) করা যায়Ñ এটা নিয়ে আমরা কাজ করছি। এই নিয়ে আমি কথা বলেছি। আমরা বলেছি যে, বাংলাদেশ আগামী তিন থেকে চার বছর সময়ের মধ্যে প্রায় এক লাখ নতুন স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ দেবে। যাতে করে আমরা স্বাস্থ্যসেবাকে প্রত্যেকটা মানুষের, বিশেষ করে প্রিভেন্টিভ স্বাস্থ্যসেবাকে প্রত্যেকটা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে পারি। এ ছাড়াও আমরা ২৫ হাজার মিডওয়াইফ আমরা নিয়োগ দেব আগামী তিন থেকে চার বছরে পর্যায়ক্রমে।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!