× UCB Sticker Card
সোমবার, ২২ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী ডেস্ক

প্রকাশিত: জুন ২২, ২০২৬, ০৩:৪১ এএম

বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস

আন্তর্জাতিক পুঁজিবাজার থেকে তালিকাচ্যুতি প্রথম ইতিহাস

রূপালী ডেস্ক

প্রকাশিত: জুন ২২, ২০২৬, ০৩:৪১ এএম

আন্তর্জাতিক পুঁজিবাজার থেকে  তালিকাচ্যুতি প্রথম ইতিহাস

লন্ডন স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্ত বাংলাদেশি একমাত্র কোম্পানি বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস পিএলসি। ‘এআইএম রুলস ফর কোম্পানিজ’-এর ৪১ নং বিধি অনুসারে যদি কোনো কোম্পানি হিসাব প্রকাশ না করে টানা ছয় মাস লেনদেন থেকে স্থগিত থাকে, তবে লেনদেনের জন্য তার তালিকাভুক্তি স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হয়ে যায়। তাই স্বয়ংক্রিয়ভাবে ট্রেডিং স্ট্যাটাস হারানোর ঝুঁকিতে পড়েছে বেক্সিমকো ফার্মা। বাংলাদেশের পুঁজিবাজারের ইতিহাসে প্রথম ঘটনা ঘটতে চলেছে। এটি ঘটলে আন্তর্জাতিকভাবে মামলায় পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) এবং সম্ভাব্যভাবে বাংলাদেশ সরকারও জড়িত হতে পারেন বলে মনে করেন আইনজীবী এম আশেক রহমান। একই সঙ্গে তিনি একজন সিনিয়র ব্যাংকার, অর্থনীতিবিদ ও আন্তর্জাতিক আর্থিক অপরাধ বিশেষজ্ঞ। এ সব বিষয়ে গতকাল রোববার রাজধানীর গুলশানে তার অফিসে কথা বলেছেন দৈনিক রূপালী বাংলাদেশের জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক শাহীনুর ইসলাম শানু।

রূপালী বাংলাদেশ : বেক্সিমকোর লন্ডন তালিকাভুক্তি নিয়ে আসলে কী ঘটছে?

এম আশেক রহমান : বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস পিএলসি একমাত্র বাংলাদেশি কোম্পানি লন্ডন স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্ত হয়েছে। বিশেষত লন্ডন স্টক এক্সচেঞ্জের অল্টারনেটিভ ইনভেস্টমেন্ট মার্কেট (এআইএম) ২০০৫ সাল থেকে ‘বিএক্সপি’ টিকারের অধীনে জিডিআর হিসেবে লেনদেন করে আসছে। চলতি বছরের ২ জানুয়ারি থেকে জিডিআর লেনদেন স্থগিত করা হয়েছে, কারণ ২০২৫ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত বছরের জন্য নিরীক্ষিত আর্থিক বিবরণী প্রকাশ করতে পারেনি।

এআইএম-এর ৪১ নং নিয়ম অনুযায়ী, যদি কোনো কোম্পানি হিসাব প্রকাশ না করে টানা ছয় মাস লেনদেন থেকে স্থগিত থাকে, তবে লেনদেনের জন্য তার তালিকাভুক্তি স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হয়ে যায়, অর্থাৎ এটি তালিকাচ্যুত হয়। সেই ছয় মাসের সময়সীমা আগামী ২ জুলাই শেষ হবে।

রূপালী বাংলাদেশ : বেক্সিমকো কেন বিষয়টি সমাধান করতে পারছে না?

এম আশেক রহমান : নিরীক্ষিত আর্থিক বিবরণী প্রকাশে যথাযথভাবে আহূত বোর্ড সভায় বোর্ডের অনুমোদন প্রয়োজন। কিন্তু বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে বর্তমানে বিচারাধীন একটি আইনি বিরোধের কারণে বোর্ড ২০২৪ সালের শেষভাগ থেকে সভা করতে পারেনি। বিএসইসি ২০২৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর তারিখের আদেশে বেক্সিমকোর বোর্ডে ৯ জন স্বতন্ত্র পরিচালক নিয়োগ দেয়। কোম্পানিটি একটি রিট পিটিশনের মাধ্যমে এই নিয়োগকে চ্যালেঞ্জ করেÑ যা এখনো বিচারাধীন।

রূপালী বাংলাদেশ : ট্রাস্টি হিসেবে সিটিব্যাংক এনএর ভূমিকা, আইনি ঝুঁকিগুলো কি?

এম আশেক রহমান : সিটিব্যাংক এনএ বাংলাদেশ লন্ডন মার্কেটে বেক্সিমকোর জিডিআর ইস্যুর জন্য প্রধান ট্রাস্টি এবং ডিপোজিটরি ব্যাংক হিসেবে কাজ করে। জিডিআর বিনিয়োগকারীদের পক্ষে শেয়ারগুলোর আইনি মালিকানা ধারণ করে এই ব্যাংক। কোম্পানিটি তালিকাচ্যুত হলে জিডিআর বিনিয়োগকারীরা আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হবেন। তখন আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তাদের বিনিয়োগ পুনরুদ্ধারের চেষ্টা করতে পারেন। তখন ট্রাস্টি প্রতিষ্ঠান হিসেবে সিটিব্যাংক এনএ বিবাদী হিসেবে মামলা করতে পারে। এই মামলায় নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসি এবং সম্ভাব্যভাবে বাংলাদেশ সরকারও জড়িত হতে পারে।

রূপালী বাংলাদেশ : আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীরা বিএসইসিকে চিঠি লিখেছে।

এম আশেক রহমান : বিএসইসিকে ১২ জুন তারিখে একটি চিঠি পাঠানো হয়েছে। চিঠিতে সহ-স্বাক্ষরকারী বিদেশি বিনিয়োগকারীরা হলেনÑ নিয়ন্ত্রিত তহবিল ব্যবস্থাপক, ফ্রন্টাউরা ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট, মিলভিল অপরচুনিটিজ ম্যানেজমেন্ট, এএফসি আমব্রেলা ফান্ড, টিকো ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট, টুন্ড্রা ফন্ডার এবি এবং ওরা ক্যাপিটাল লিমিটেড। তারা ফটকাবাজ বিনিয়োগকারী নন; এরা প্রাতিষ্ঠানিক মূলধন বরাদ্দকারী। যাদের নিজেদের গ্রাহকদের প্রতি বিশ^স্ততার দায়িত্ব রয়েছে। তারা যে সম্মিলিতভাবে একটি সিকিউরিটিজ নিয়ন্ত্রক সংস্থাকে জরুরিভাবে অব্যাহতির অনুরোধ জানিয়ে চিঠি লিখেছেন; যা আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীদের দৃষ্টিকোণ থেকে পরিস্থিতির ভয়াবহতাকে তুলে ধরে।

তবে তাদের অনুরোধটি পরিমিত এবং আইনগতভাবে সতর্কতামূলক চিঠি। তারা বিএসইসিকে আদালতের মামলার ফল নির্ধারণ করতে বলছেন না। তারা একটি কঠোরভাবে সীমিত পদ্ধতির জন্য অনুরোধ করছেন, যার মাধ্যমে আর্থিক বিবরণীগুলো অনুমোদন করা যাবে। যাতে লেনদেন পুনরায় শুরু হতে পারে এবং পদ্ধতিগত ত্রুটির কারণে তাদের বিনিয়োগের অধিকার বিলুপ্ত না হয়।

রূপালী বাংলাদেশ : আন্তর্জাতিক পুঁজিবাজারে বাংলাদেশের সুনাম কী ঝুঁকির মুখে রয়েছে?

এম আশেক রহমান : সুনামের ঝুঁকি অনেক বেশি। সেসব ঝুঁকি বিভিন্ন স্তরে কাজ করে। কোম্পানি পর্যায়েÑ বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস ২০ বছরেরও বেশি সময় ধরে বাংলাদেশের একমাত্র আন্তর্জাতিক ইক্যুইটি তালিকাভুক্ত প্রতিষ্ঠান। এআইএম-এ-এর জিডিআর বাজার মূলধন ছিল প্রায় ১৮.৯৬ মিলিয়ন পাউন্ড, যা বিশ^জুড়ে প্রাতিষ্ঠানিক ও ব্যক্তিগত বিনিয়োগকারীদের ধারণ করা প্রায় ৪৪৬ মিলিয়ন শেয়ারের প্রতিনিধিত্ব করে। কোনো বাণিজ্যিক ব্যর্থতার কারণে নয়, বরং নিয়ন্ত্রক-শাসনব্যবস্থার অচলাবস্থার কারণে তালিকা থেকে জোরপূর্বক বাদ পড়া একটি বিনিয়োগ গন্তব্য হিসেবে বাংলাদেশের ভাবমূর্তির জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর হবে।

প্রাতিষ্ঠানিক পর্যায়ে, বৈশি^ক পোর্টফোলিও ম্যানেজাররাÑ বিশেষ করে ফ্রন্টিয়ার ও উদীয়মান বাজারের ফান্ড ম্যানেজাররা এই ধরনের ঘটনাপ্রবাহ নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করেন। রেটিং এজেন্সি, করেসপন্ডেন্ট ব্যাংকের আন্তর্জাতিক কমপ্লায়েন্স টিম এবং উন্নয়ন অর্থায়ন প্রতিষ্ঠানগুলো সবাই বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় একটি দেশের শাসনব্যবস্থা এবং নিয়ন্ত্রকব্যবস্থার প্রতি তার দায়বদ্ধতাকে বিবেচনায় রাখে। বাংলাদেশ তার আন্তর্জাতিক পুঁজিবাজারের বিশ^াসযোগ্যতা গড়ে তুলতে কঠোর পরিশ্রম করেছে; এই মুহূর্তে এই তালিকাচ্যুতি সেই পরিশ্রমকে ক্ষুণœ করবে।

রূপালী বাংলাদেশ : লন্ডন স্টক এক্সচেঞ্জে (এলএসই) লেনদেন স্থগিত থাকা সত্ত্বেও ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে কেন লেনদেন অব্যাহত রয়েছে। কোন দৃষ্টিতে দেখছেন?

এম আশেক রহমান : বিএসইসিকে এটা স্বচ্ছভাবে সমাধান করতে হবে। প্রকৃত পরিস্থিতি হলোÑ ঢাকা ও চট্টগ্রাম এক্সচেঞ্জ দেশীয় নিয়ন্ত্রক কাঠামোর অধীনে বেক্সিমকো ফার্মার সাধারণ শেয়ার তালিকাভুক্ত করে। অন্যদিকে লন্ডন মার্কেট ‘এআইএম রুলস ফর কোম্পানিজ’-এর অধীনে জিডিআর (গ্লোবাল ডিপোজিটরি রিসিপ্ট) লেনদেন করে, যা লন্ডন স্টক এক্সচেঞ্জ দ্বারা পরিচালিত একটি পৃথক নিয়ন্ত্রকব্যবস্থা। এলএসই-এর স্থগিতাদেশ এবং সম্ভাব্য তালিকাচ্যুতির কারণ হলোÑ এর নিজস্ব তথ্য প্রকাশের নিয়ম, কোনো দেশীয় নিয়ম লঙ্ঘনের অভিযোগ থেকে নয়। তবে, নিয়ন্ত্রক সামঞ্জস্য এবং আস্থা অর্জনে উভয়ের জন্যই বিএসইসিকে স্পষ্টভাবে তাদের অবস্থান ব্যাখ্যা করতে হবে।  কীভাবে একই কোম্পানি একটি বাজারে নিয়ম মেনে চলে এবং অন্য বাজারে স্থগিত থাকে। এই বিষয়ে স্বচ্ছতা গুরুত্বপূর্ণ।

রূপালী প্রতিবেদক : ২০২৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর বিএসইসির আদেশটি এই বিবাদের কারণ। সেই আদেশটি কি আইনসম্মত ছিল?

এম আশেক রহমান : সেই প্রশ্নটিই এখন বিচারাধীন। হাইকোর্টকে ঠিক এই বিষয়টিই নির্ধারণ করতে বলা হয়েছে। মামলাগুলো আদালতে বিচারাধীন থাকাকালীন আমার মতামত দেওয়া অনূচিত হবে। নিয়ন্ত্রক দৃষ্টিকোণ থেকে যা বলতে পারি তা হলোÑ নির্দিষ্ট কিছু শর্তসাপেক্ষে স্বাধীন পরিচালক নিয়োগ করার জন্য বিএসইসির বিধিবদ্ধ ক্ষমতা রয়েছে এবং সেই ক্ষমতা অন্যান্য ক্ষেত্রেও প্রয়োগ করা হয়েছে। সেই ক্ষমতার প্রয়োগ পদ্ধতিগতভাবে সঠিক ছিল কিনা, তা হাইকোর্টকেই নির্ধারণ করতে হবে।

রূপালী বাংলাদেশ : ঘটনাটি বাংলাদেশের পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রণ কাঠামোর পরিপক্বতা সম্পর্কে কী প্রকাশ করে?

এম আশেক রহমান : এটি শক্তি এবং দুর্বলতা উভয়ই প্রকাশ করে। শক্তিগুলো সুস্পষ্ট বাংলাদেশ একটি কার্যকর সিকিউরিটিজ নিয়ন্ত্রণ কাঠামো তৈরি করেছে, একটি শক্তিশালী প্রাথমিক বাজার রয়েছে। গত দশকে এএমএল/সিএফটি পরিপালন এবং করপোরেট সুশাসনে প্রকৃত অগ্রগতি লাভ করেছে। এই ঘটনার যে দুর্বলতা প্রকাশ করে তা হলোÑ এমন পরিস্থিতি পরিচালনার জন্য প্রটোকলের অভাব। যেখানে অভ্যন্তরীণ আইনি কার্যক্রম আন্তর্জাতিক বাজারের বাধ্যবাধকতার জন্য আনুষঙ্গিক পরিণতি তৈরি করে। বাজারে আইন, এক্সচেঞ্জ নিয়ম বা নিয়ন্ত্রক নির্দেশনার মাধ্যমে পূর্ব-প্রতিষ্ঠিত কাঠামো থাকে, যা অভ্যন্তরীণ বিরোধকে আন্তর্জাতিক বাজারের সংকটে পরিণত হতে দেয় না। বাংলাদেশের এই ধরনের কাঠামো তৈরি করা প্রয়োজন। এই ঘটনা চূড়ান্ত সমাধান যাই হোক না কেনÑ বিএসইসি এবং বৃহত্তর নীতি নির্ধারক সম্প্রদায়ের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষার সুযোগ প্রদান করে।

রূপালী বাংলাদেশ : এই পরিস্থিতি বাংলাদেশে সম্ভাব্য বিদেশি বিনিয়োগকারীদের কী বার্তা দেয়?

এম আশেক রহমান : বার্তাটি সম্পূর্ণরূপে নির্ভর করবে পরিস্থিতিটি কীভাবে সমাধান করা হয়, তার ওপর। যদি বাংলাদেশ দেখাতে পারে যেÑ এর নিয়ন্ত্রক, বিচারিক এবং করপোরেট সুশাসন প্রতিষ্ঠানগুলো ব্যতিক্রমী ও জটিল পরিস্থিতিতেও বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ রক্ষায় একযোগে কাজ করতে পারে; তবে তা একটি অত্যন্ত ইতিবাচক সংকেত হবে। অন্যদিকে, যদি সময়মতো একটি আইনগতভাবে সমর্থনযোগ্য অন্তর্বর্তীকালীন সমাধান খুঁজে বের করতে না পারে এবং তালিকাভুক্তি বাতিল হয়ে যায়, তবে বার্তাটি হবে উদ্বেগজনক। যে বাংলাদেশের নিয়ন্ত্রক বিরোধগুলো অপর্যাপ্ত সুরক্ষা ছাড়াই অনিচ্ছাকৃতভাবে আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীদের অধিকার বিলুপ্ত করতে পারে। বাংলাদেশ পুঁজিবাজার উন্নয়নের এমন একটি পর্যায়ে রয়েছে যেখানে প্রতিটি আন্তর্জাতিক কেস স্টাডি গুরুত্বপূর্ণ। ফ্রন্টিয়ার মার্কেটের বিনিয়োগকারীরা বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করছেন।

রূপালী প্রতিবেদক : সমস্যা সমাধানে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্তৃপক্ষের প্রতি আপনার বার্তা কী?

এম আশেক রহমান : এখনই পদক্ষেপ নিন এবং স্বচ্ছভাবে পদক্ষেপ নিন। আইনের মধ্যে থেকে কাজ করুন। সময়সীমা ২ জুলাই পর্যন্ত, আর মাত্র কয়েকদিন বাকি। একটি আইনগতভাবে সমর্থনযোগ্য, বিচারিকভাবে সম্মানজনক এবং বিনিয়োগকারী-সুরক্ষামূলক সমাধান খুঁজে বের করার জন্য এখনো সময় আছে।

বিএসইসি, হাইকোর্ট এবং বেক্সিমকোর যথাযথভাবে নির্বাচিত বোর্ডÑ সবারই ভূমিকা রয়েছে। আমি সব পক্ষকে আহ্বান জানাব, এটিকে একটি শূন্য-ফলাফল নিয়ন্ত্রক সংঘাত হিসেবে না দেখে, বরং বিনিয়োগকারীদের সুরক্ষা, বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক দায়বদ্ধতা সমুন্নত রাখা এবং বাংলাদেশের কঠোর পরিশ্রমে অর্জিত প্রাতিষ্ঠানিক বিশ্বাসযোগ্যতা রক্ষা করার একটি যৌথ দায়িত্ব হিসেবে বিবেচনা করতে। নিয়ন্ত্রক ও বিচারিক পরিপক্বতার এই পরীক্ষায় বাংলাদেশ কীভাবে সাড়া দেয়, তা বিশ^ দেখছে। আমি আত্মবিশ্বাসী যে, বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠানগুলো সেই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সক্ষমÑ কিন্তু সময় খুবই অল্প এবং প্রত্যেকটি পদেক্ষেপ এখানে গুরুত্বপূর্ণ।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!