× UCB Sticker Card
রবিবার, ২৮ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জুন ২৮, ২০২৬, ০২:১৩ এএম

ব্রিফিংয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী

তিস্তা প্রকল্প ও রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে সহায়তার আশ্বাস চীনের

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জুন ২৮, ২০২৬, ০২:১৩ এএম

তিস্তা প্রকল্প ও রোহিঙ্গা  সমস্যা সমাধানে সহায়তার  আশ্বাস চীনের

ব্রিকসে যোগ দেওয়া, তিস্তা প্রকল্প ও রোহিঙ্গা সমস্যার সমাধানে চীন সহায়তার আশ্বাস দিয়েছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। গতকাল শনিবার বিকেলে প্রধানমন্ত্রীর সদ্যসমাপ্ত মালয়েশিয়া ও চীন সফর নিয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ব্রিফিংয়ে তিনি এ তথ্য জানান। এ সময় মন্ত্রী জানান, চীনের প্রস্তাবিত করিডর নিয়ে বাংলাদেশ বর্তমানে পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও মূল্যায়ন করছে। তবে এ বিষয়ে ঢাকা এখনো কোনো চূড়ান্ত অবস্থানে পৌঁছায়নি।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান বলেন, চীনের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে। তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে চীনের সহায়তার অংশ হিসেবে শিগগিরই সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের কাজ শুরু হবে। এ ছাড়া ব্রিকসে যোগদান বিষয়েও বাংলাদেশকে সহায়তা করবে। মালয়েশিয়া সফরেও অনিয়মিত বাংলাদেশি কর্মীদের বৈধকরণ এবং নতুন শ্রমিক নিয়োগের বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে। এ ছাড়া, আসিয়ানের সদস্যপদ পেতে বাংলাদেশকে সমর্থনের আশ্বাস দিয়েছে মালয়েশিয়া।

খলিলুর রহমান বলেন, ‘চীন সব দেশের সঙ্গে সর্বোচ্চ পর্যায়ের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক বজায় রাখে না। এশিয়ায় থাইল্যান্ড, শ্রীলঙ্কা, কম্বোডিয়া, পাকিস্তান ও ইন্দোনেশিয়ার মতো হাতেগোনা কয়েকটি দেশের সঙ্গে তাদের এমন অংশীদারিত্ব রয়েছে। এখন বাংলাদেশও সেই তালিকায় যুক্ত হলো।

বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যকার দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে সর্বোচ্চ পর্যায়ে উন্নীত করার বিষয়ে একমত হয়েছে দুই দেশ। এই উন্নয়নকে দুই দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি বড় মাইলফলক হিসেবে অভিহিত করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান। তিনি জানান, চীনের প্রস্তাবিত করিডর নিয়ে বাংলাদেশ বর্তমানে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালাচ্ছে। তবে এ বিষয়ে ঢাকা এখনো কোনো চূড়ান্ত অবস্থানে পৌঁছায়নি।

তিনি বলেন, ‘আমরা চীনের করিডর প্রস্তাবটি খতিয়ে দেখছি। তবে এখনো কোনো অবস্থান নিইনি।’ করিডর নিয়ে সরকারের আগ্রহের অন্যতম প্রধান কারণ হিসেবে তিনি পরিবহন খরচ কমানোর বিষয়টি উল্লেখ করেন।

তিস্তা নদী মহাপরিকল্পনা সম্পর্কে খলিলুর রহমান বলেন, ‘এ বিষয়ে চীনের সঙ্গে আলোচনায় উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে।’ তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, ‘তিস্তা প্রকল্প নিয়ে আলোচনা অনেক দূর এগিয়েছে। আমরা আশা করছি, খুব দ্রুতই এই প্রকল্পের সম্ভাব্যতা যাচাই শুরু হবে।’

দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কের গভীরতা তুলে ধরে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশ ও চীন তাদের সম্পর্ককে সর্বোচ্চ পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার বিষয়ে একমত হয়েছে।’ তিনি উল্লেখ করেন, বেইজিং খুব সীমিতসংখ্যক দেশের সঙ্গে এই স্তরের অংশীদারিত্ব বজায় রাখে।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘চীন সব দেশের সঙ্গে সর্বোচ্চ পর্যায়ের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক বজায় রাখে না। এশিয়ায় থাইল্যান্ড, শ্রীলঙ্কা, কম্বোডিয়া, পাকিস্তান ও ইন্দোনেশিয়ার মতো হাতেগোনা কয়েকটি দেশের সঙ্গে তাদের এমন অংশীদারিত্ব রয়েছে। এখন বাংলাদেশও সেই তালিকায় যুক্ত হলো।’  তিনি আরও বলেন, ‘এই সিদ্ধান্ত বাংলাদেশ ও চীনের ক্রমবর্ধমান কৌশলগত গুরুত্বের প্রতিফলন এবং এটি দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান পারস্পরিক আস্থা ও বিশ্বাসের বহিঃপ্রকাশ।’

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!