× UCB Sticker Card
রবিবার, ১৯ জুলাই, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী ডেস্ক

প্রকাশিত: জুলাই ১৯, ২০২৬, ০১:২২ এএম

স্মৃতির মলাটে ‘মিষ্টি মেয়ে’

রূপালী ডেস্ক

প্রকাশিত: জুলাই ১৯, ২০২৬, ০১:২২ এএম

স্মৃতির মলাটে ‘মিষ্টি মেয়ে’

হাসিটা ছিল তার সবচেয়ে বড় শক্তি। যে হাসিতে কচি পাড়ের মায়াজাল বিছানো থাকত রুপালি পর্দায়, আর সেই মায়ায় দশকের পর দশক বুঁদ হয়ে থাকত আপামর বাঙালি। তিনি সারাহ বেগম কবরী। ঢাকাই সিনেমার ইতিহাসে একমেবাদ্বিতীয়ম ‘মিষ্টি মেয়ে’। বেঁচে থাকলে আজ তিনি ৭৬ বছরে পদার্পণ করতেন। আজ এই কিংবদন্তি অভিনেত্রীর জন্মদিন। ২০২১ সালের ১৭ এপ্রিল মহামারি করোনায় আক্রান্ত হয়ে তিনি অনন্তলোকে পাড়ি জমালেও, দেশের মানুষের হৃদয়ে এবং সেলুলয়েডের ফিতায় তিনি আজও চিরভাস্বর, চিরসবুজ।

১৯৫০ সালের আজকের দিনে চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলায় জন্মগ্রহণ করেন মিনা পাল। সংস্কৃতিমনা পরিবারে বেড়ে ওঠা মিনা মাত্র ১৩ বছর বয়সে নৃত্যশিল্পী হিসেবে প্রথম মঞ্চে পা রাখেন। এরপর ১৯৬৪ সালে প্রখ্যাত নির্মাতা সুভাষ দত্তের ‘সুতরাং’ চলচ্চিত্রের মাধ্যমে মাত্র ১৪ বছর বয়সে বড়পর্দায় অভিষেক ঘটে তার। সুভাষ দত্তেরই দেওয়া ‘কবরী’ নাম ধারণ করে মিনা পাল রাতারাতি রূপান্তর হন কোটি দর্শকের ভালোবাসার নায়িকায়।

বাংলা চলচ্চিত্রের ইতিহাসে সবচেয়ে রোমান্টিক ও সফল জুটির কথা বললে সবার আগে আসবে ‘রাজ্জাক-কবরী’ জুটির নাম। ‘নীল আকাশের নিচে’, ‘ময়নামতি’, ‘সুজন সখী’, ‘স্মৃতিটুকু থাক’, ‘রংবাজ’ কিংবা ‘সারেং বউ’Ñ এ রকম একের পর এক কালজয়ী চলচ্চিত্রে তাদের অনবদ্য রসায়ন ঢাকাই সিনেমাকে এক সোনালি যুগে নিয়ে গিয়েছিল। শুধু রাজ্জাকই নন, ফারুকের সঙ্গে ‘সুজন সখী’ কিংবা বুলবুল আহমেদের সঙ্গে ‘দেবদাস’ সিনেমাতে তার অভিনয় আজও দর্শকদের চোখে জল আনে। দীর্ঘ তিন দশকেরও বেশি সময়ের ক্যারিয়ারে তিনি অভিনয় করেছেন প্রায় তিন শতাধিক চলচ্চিত্রে।

অভিনয়ের গ-ি পেরিয়ে কবরী পা রেখেছিলেন চলচ্চিত্র পরিচালনায়। ২০০৬ সালে তার পরিচালিত প্রথম সিনেমা ‘আয়না’ মুক্তি পায়। মৃত্যুর আগে তিনি সরকারি অনুদানে ‘এই তুমি সেই তুমি’ নামে তার দ্বিতীয় চলচ্চিত্রের কাজ করছিলেন, যা দুর্ভাগ্যবশত তিনি শেষ করে যেতে পারেননি। ২০১৭ সালের অমর একুশে গ্রন্থমেলায় প্রকাশিত হয় তার আত্মজীবনীমূলক বই ‘স্মৃতিটুকু থাক’, যেখানে তিনি নিজের জীবনের আলো-ছায়ার গল্পগুলো অকপটে লিখে গেছেন।

কবরী আজ সশরীরে আমাদের মাঝে নেই, কিন্তু তার রেখে যাওয়া সৃষ্টি তাকে বাঁচিয়ে রাখবে অনন্তকাল। রুপালি পর্দার সেই চঞ্চল হরিণী, ‘সারেং বউ’-এর সেই প্রতিবাদী নারী কিংবা ‘সুজন সখী’র সেই অবুঝ প্রেমিকা হিসেবে তিনি প্রতিবার ফিরে আসবেন দর্শকদের মাঝে। ১৯ জুলাই এলেই চলচ্চিত্রপ্রেমীরা পরম শ্রদ্ধায় স্মরণ করবেন তাদের প্রিয় মায়াবী হাসির সেই মিষ্টি মেয়েটিকে। শুভ জন্মদিন, বাংলা সিনেমার ধ্রুবতারা সারাহ বেগম কবরী!

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!