× UCB Sticker Card
সোমবার, ২০ জুলাই, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

মেহেরপুর প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জুলাই ২০, ২০২৬, ০২:৪১ এএম

নিজ গ্রামে তোলপাড়

কারাগার থেকে রিম্পার পলায়ন

মেহেরপুর প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জুলাই ২০, ২০২৬, ০২:৪১ এএম

কারাগার থেকে রিম্পার পলায়ন

গাজীপুরের কাশিমপুর মহিলা কেন্দ্রীয় কারাগারের প্রাচীর টপকে সাজাপ্রাপ্ত বন্দি রিম্পা খাতুনের পালিয়ে যাওয়ার ঘটনায় তার গ্রামের বাড়ি মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার রায়পুর গ্রামে সৃষ্টি হয়েছে চাঞ্চল্য। ঘটনার পর থেকেই আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা এবং রিম্পার অতীত কর্মকা- নিয়ে গ্রামজুড়ে চলছে নানা আলোচনা-সমালোচনা।

গত বৃহস্পতিবার রাত ৮টার দিকে কাশিমপুর মহিলা কারাগার থেকে পালিয়ে যান রিম্পা খাতুন। তিনি ঢাকার ধানমন্ডি থানায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তিন মাসের সাজাপ্রাপ্ত হয়ে কারাগারে বন্দি ছিলেন। এ ঘটনার পর থেকেই তাকে গ্রেপ্তারে মাঠে নেমেছে পুলিশ ও র‌্যাব।

রিম্পার পলায়নের খবরে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন তার গ্রামের প্রতিবেশী ও স্বজনরা। এলাকাবাসীর প্রশ্ন, কঠোর নিরাপত্তা বলয় ভেদ করে একজন বন্দি কীভাবে কারাগারের উঁচু প্রাচীর টপকে পালানোর সাহস দেখালেন। গ্রামের চায়ের দোকান থেকে পাড়ার আড্ডাÑ সবখানেই এখন রিম্পার পলাতক হওয়ার বিষয়টি আলোচনার কেন্দ্রে।

রিম্পার দাদি আক্তারি বেগম বলেন, রিম্পার বাবা-মায়ের বিচ্ছেদ হয়েছে প্রায় ১৮ বছর আগে। এরপর থেকে রিম্পা মায়ের সঙ্গে ঢাকায় থাকত। মাঝে মাঝে আমাদের বাড়িতে (দাদির বাড়ি) বেড়াতে আসত। সে আমার ঘরের জিনিসপত্র, এমনকি পাশের বাড়ির মোবাইল ফোনও চুরি করে নিয়ে গিয়েছিল।

তিনি জানান, রিম্পার বিয়ে হয়েছে গাংনী উপজেলার নওদাপাড়া গ্রামের ফারুক হোসেনের সঙ্গে। তারা ঢাকায় বসবাস করলেও সেখানে কী কাজ করতেন, সে সম্পর্কে স্বজনদের কাছে পরিষ্কার কোনো তথ্য নেই।

স্থানীয় বাসিন্দা মফিজ উদ্দীন ও সাহাজানা আলী বলেন, রিম্পা কোনো বড় গ্যাং গ্রুপের সদস্য বা বড় মামলার আসামি নয়। এমন একজন বন্দি কারাগারের মতো সুরক্ষিত স্থান থেকে কীভাবে পালিয়ে গেল, তা আমাদের বোধগম্য নয়। আমরা কারা কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব পালন নিয়ে প্রশ্ন তুলছি।

মার্জুল হোসেন নামে আরেক গ্রামবাসী জানান, গ্রামে থাকাকালীন সময়েও রিম্পার বিরুদ্ধে চুরি করার একাধিক অভিযোগ ছিল।

এদিকে, ঘটনার পর থেকেই রিম্পাকে গ্রেপ্তারের জন্য বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালাচ্ছে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। বিষয়টি নিয়ে কারা কর্তৃপক্ষের তরফ থেকে কোনো গাফিলতি ছিল কি না, তা নিয়েও জনমনে কৌতূহল সৃষ্টি হয়েছে।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!