× UCB Sticker Card
মঙ্গলবার, ২১ জুলাই, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জুলাই ২১, ২০২৬, ০২:৪৮ এএম

বিড়াল ছানার প্রলোভনে আয়নী হত্যা

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জুলাই ২১, ২০২৬, ০২:৪৮ এএম

বিড়াল ছানার প্রলোভনে আয়নী হত্যা

চট্টগ্রামের পাহাড়ে ১০ বছর বয়সি শিশু আবিদা সুলতানা আয়নীকে ধর্ষণের চেষ্টায় ব্যর্থ হয়ে হত্যা ও মরদেহ গুম করার মামলায় অভিযুক্ত একমাত্র আসামি মো. রুবেলকে মৃত্যুদ- দিয়েছেন আদালত। গতকাল বুধবার দুপুরে চট্টগ্রামের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-২ এর বিচারক সাইফুর রহমান এই রায় ঘোষণা করেন। দ-িত রুবেল পেশায় একজন সবজি বিক্রেতা।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০২৩ সালের ২১ মার্চ বিড়ালছানা দেওয়ার লোভ দেখিয়ে প্রতিবেশী রুবেল শিশু আয়নীকে একটি ফাঁকা বাসায় নিয়ে যায়। সেখানে তাকে ধর্ষণের চেষ্টা চালিয়ে ব্যর্থ হলে বালিশচাপা দিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে রুবেল। পরে ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে ও লাশ গুম করতে পাহাড়তলীর সাগরিকা এলাকার একটি ডোবায় শিশুর মরদেহ ফেলে দেওয়া হয়। পরে ঘটনাস্থল থেকে শিশুটির একটি গেঞ্জি, এক জোড়া স্যান্ডেল, একটি কালো পায়জামা ও একটি গাঢ় নেভি ব্লু রঙের হিজাবও উদ্ধার করা হয়। গ্রেপ্তারের পর রুবেল ১৬৪ ধারায় দায় স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দেন।

বাদীপক্ষের আইনজীবী গোলাম মাওলা মুরাদ জানান, তদন্ত প্রক্রিয়ায় সংগৃহীত সিসিটিভি ফুটেজ, নিখুঁত ডিএনএ রিপোর্ট এবং আদালতে ২৪ জন সাক্ষীর দেওয়া সাক্ষ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে আসামির বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় ট্রাইব্যুনাল এই সর্বোচ্চ শাস্তির আদেশ দেন।

বাদীপক্ষের আইনজীবী গোলাম মাওলা মুরাদ বলেন, ‘আয়নী একটি ছোট্ট শিশু। তার আনন্দের একটি উপাদান ছিল বিড়াল ছানা। একটি বিড়াল ছানার জন্য তার জীবনটা চলে যাওয়া, এটা কত বড় নিষ্ঠুরতা।’

আর কোনো মেয়ের যেন এভাবে মৃত্যু না হয়- আয়নীর মা : চট্টগ্রামে শিশু আবিদা সুলতানা আয়নীকে হত্যার দায়ে খুনির ফাঁসির রায়ে স্বস্তি এসেছে মায়ের মনে, কিন্তু সন্তান হারানোর বেদনা তাতে পূরণ হওয়ার নয়। গতকাল রায় ঘোষণার পর আয়নীর মা মোছাম্মৎ বিবি ফাতেমা কাঁদতে কাঁদতে বলেন, ‘আমার মেয়ে তো আর ফিরবে না। এভাবে আর কোনো মেয়ের যেন মৃত্যু না হয়।’

চট্টগ্রামের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-২ এর বিচারক মোহাম্মদ সাইফুর রহমান এদিন আয়নী হত্যা মামলার রায় ঘোষণা করেন। আসামি মো. রুবেলকে মৃত্যুদ- দেন তিনি।

আয়নী চট্টগ্রামের পাহাড়তলী এলাকার আব্দুল হাদি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী ছিল। পাহাড়তলীর আব্দুল কাজীর দীঘির পাড় এলাকায় তাদের বাসা। তার মা ফাতেমা পোশাক কারখানায় চাকরি করতেন। আর বাবা কাজ করতেন ঢাকার একটি পোশাক কারখানায়। ২০২৩ সালের ২১ মার্চ বিকেল থেকে আয়নীর খোঁজ পাচ্ছিল না পরিবার। থানায় জিডি করেও সন্ধান না মেলায় সাত দিন পর ওই বছরের ২৮ মার্চ আদালতে গিয়ে অপহরণের মামলা করেন আয়নীর মা।

বিচারক তার আর্জি শুনে অভিযোগটি এজাহার হিসেবে গ্রহণ করতে পাহাড়তলী থানার ওসিকে নির্দেশ দেন। মামলায় প্রতিবেশী সবজি বিক্রেতা ৩৫ বছর বয়সি মো. রুবেলকে আসামি করা হয়। তাকে আটক করার পর পিবিআই শিশুটির লাশের খবর জানতে পারে। পরদিন আয়নীর লাশ উদ্ধার করা হয়।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!