× UCB Sticker Card
মঙ্গলবার, ২১ জুলাই, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জুলাই ২১, ২০২৬, ০২:৫৬ এএম

করোনা কেলেঙ্কারির সেই সাহেদ করিম ফের গ্রেপ্তার

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জুলাই ২১, ২০২৬, ০২:৫৬ এএম

করোনা কেলেঙ্কারির সেই  সাহেদ করিম ফের গ্রেপ্তার

কোভিড মহামারির সময় নমুনা পরীক্ষা নিয়ে জালিয়াতির অভিযোগে আলোচনায় আসা রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাহেদ করিমকে মার্কেন্টাইল কো-অপারেটিভ ব্যাংকের ২ কোটি ১৬ লাখ টাকার চেক প্রত্যাখ্যাত হওয়ার মামলায় কারাগারে পাঠানো হয়েছে। ঢাকার পঞ্চম যুগ্ম মহানগর দায়রা জজ সাদিক আহমেদ গতকাল সোমবার সাহেদের জামিন আবেদন নাকচ করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

এর আগে গত বছর সাহেদকে এ মামলায় এক বছরের কারাদ- দেন আদালত। গতকাল সকালে সাহেদকে ঢাকার মাটিকাটা ইসিবি চত্বর এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে পল্লবী থানা পুলিশ। পল্লবী থানা পুলিশের চাহিদার পরিপ্রেক্ষিতে তাকে গ্রেপ্তার করে পল্লবী থানায় সোপর্দ করা হয় বলে জানান ক্যান্টনমেন্ট থানার ওসি মো. রাকিবুল হাসান। পরে বিকেলে সাহেদকে আদালতে হাজির করা হয়। শুনানি শেষে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত। পরে পুলিশের কঠোর নিরাপত্তায় তাকে হাজতখানায় নেওয়া হয়।

সাহেদের আইনজীবী দবির উদ্দিন বলেন, ‘মার্কেন্টাইল কো-অপারেটিভ ব্যাংক ২০১৫ সালে এ মামলা দায়ের করে। এর আগে ২০২০ সালে গ্রেপ্তার হয়ে সাড়ে চার বছর কারাগারে ছিলেন। তখন তাকে এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়নি। ২০২৫ সালের ৪ মে আদালত তাকে এই মামলায় এক বছরের সাজা দেয় এবং চেক ডিজঅনারের সমপরিমাণ টাকা অর্থাৎ ২ কোটি ১৬ লাখ অর্থদ- দেয়। আমরা আপিল করব’।

এদিকে আদালত থেকে কারাগারে নেওয়ার পথে সাহেদ সাংবাদিকদের বলেন, ‘মার্কেন্টাইল ব্যাংকের মালিক একজন জোচ্চর, বাটপার। এটা সম্পূর্ণ ভুয়া মামলা। আশা করি, ন্যায়বিচার পাব’।

মামলার নথি থেকে জানা যায়, ২০১৫ সালে ব্যবসার জন্য মার্কেন্টাইল কো-অপারেটিভ ব্যাংক থেকে ২ কোটি ১৬ লাখ টাকা ঋণ নেন সাহেদ। এর বিপরীতে ২ কোটি ১৬ লাখ টাকার একটি চেক জমা দেন। পরে সেই ঋণের টাকা পরিশোধ না করায় ব্যাংক কর্তৃপক্ষ চেক ভাঙাতে যায়। কিন্তু অ্যাকাউন্টে পর্যাপ্ত টাকা না থাকায় তা প্রত্যাখ্যাত হয়। ওই ঘটনায় মার্কেন্টাইল কো-অপারেটিভ ব্যাংক লিমিটেডের পক্ষে মো. ইসমাইল হোসেন ২০১৫ সালের ১২ মার্চ ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। রিজেন্ট হসপিটাল লিমিটেড, হসপিটালের চেয়ারম্যান সাহেদ এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইব্রাহিম খলিলকে সেখানে আসামি করা হয়। বিচার প্রক্রিয়া শেষে ২০২৫ সালের ৪ মে সাহেদ ও ইব্রাহিম খলিলকে এক বছরের কারাদ- এবং চেকের সমপরিমাণ অর্থ জরিমানা করেন আদালত। তাদের মধ্যে ইব্রাহিম খলিল এখনো পলাতক রয়েছেন বলে জানিয়েছেন অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ দবির উদ্দিন।

চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের এক মাসের মাথায় ৪ সেপ্টেম্বর জামিনে জেল থেকে ছাড়া পেয়েছিলেন সাহেদ। তার বিরুদ্ধে প্রতারণা, জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনসহ ৩৫টি মামলা চলমান ছিল।

সাহেদের নাম প্রথমবার আলোচনায় আসে কোভিড মহামারির সময়ে। ২০২০ সালের ৭ জুলাই উত্তরার রিজেন্ট হাসপাতালে অভিযান চালান র‌্যাব। হাসপাতাল থেকে ভুয়া করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট জব্দ করা হয়। এ ঘটনায় র‌্যাব বাদী হয়ে সাহেদসহ ১৭ জনের নামে করোনার সনদ জালিয়াতির অভিযোগে উত্তরা পশ্চিম থানায় মামলা করে। মামলার ৯ দিনের মাথায় ১৫ জুলাই সাহেদকে সাতক্ষীরার সীমান্ত এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!