× UCB Sticker Card
বুধবার, ২২ জুলাই, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রাজীব আহসান মান্নু, শিবালয় (মানিকগঞ্জ)

প্রকাশিত: জুলাই ২২, ২০২৬, ০৩:০৮ এএম

রাতের আঁধারে নদী থেকে বালু উত্তোলন

রাজীব আহসান মান্নু, শিবালয় (মানিকগঞ্জ)

প্রকাশিত: জুলাই ২২, ২০২৬, ০৩:০৮ এএম

রাতের আঁধারে নদী  থেকে বালু উত্তোলন

মানিকগঞ্জের শিবালয় উপজেলার পাটুরিয়া ফেরিঘাট-সংলগ্ন পদ্মা-যমুনা নদী থেকে রাতের আঁধারে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, অনুমোদন ছাড়াই ড্রেজার বসিয়ে নদীর বিভিন্ন স্থান থেকে বালু উত্তোলন করে তা পাটুরিয়া ঘাট এলাকায় স্তূপ করা হচ্ছে। এ ঘটনায় নদীভাঙন, পরিবেশের ক্ষতি এবং সরকারি জায়গা দখলের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে বলে জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

অভিযোগ রয়েছে, নালী বড়রিয়া কৃষ্ণচন্দ্র উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. মোন্তাজ উদ্দিনের সম্পৃক্ততায় একটি চক্র দীর্ঘদিন ধরে এ কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রাতের বেলায় নদীতে ড্রেজার বসিয়ে বালু উত্তোলন করা হয়। পরে বাল্কহেডের মাধ্যমে উত্তোলিত বালু পাটুরিয়া ১ নম্বর ফেরিঘাট-সংলগ্ন এলাকায় এনে রাখা হয়। এতে সরকারি জায়গায় বালুর বিশাল স্তূপ তৈরি হয়েছে বলে স্থানীয়রা দাবি করেছেন।

স্থানীয়দের অভিযোগ, বিআইডব্লিউটিএ’র সীমানা চিহ্নিত ‘ফোরশোর পিলার’ এলাকাতেও বালু রাখার কার্যক্রম চলছে। এর ফলে নৌপথের স্বাভাবিক ব্যবস্থাপনা ও নদীর পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন স্থানীয় বাসিন্দা জানান, প্রতিদিন রাত থেকে ভোর পর্যন্ত বালু উত্তোলনের কাজ চলে। দিনের আলো ফোটার আগেই ড্রেজার সরিয়ে নেওয়া হয়। তাদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে এ কার্যক্রম চললেও কার্যকর ব্যবস্থা না নেওয়ায় অবৈধ বালু উত্তোলনকারীরা আরও উৎসাহিত হচ্ছে। স্থানীয়দের ভাষ্য, নদী থেকে অপরিকল্পিতভাবে বালু উত্তোলন করা হলে একদিকে যেমন নদীর গতিপথ পরিবর্তনের আশঙ্কা থাকে, অন্যদিকে তীরবর্তী এলাকায় ভাঙনের ঝুঁকিও বাড়তে পারে। এ কারণে দ্রুত অভিযান চালিয়ে অবৈধ কার্যক্রম বন্ধের দাবি জানিয়েছেন তারা।

এ বিষয়ে শিবালয় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মনিষা রাণী কর্মকার বলেন, নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। রাতের বেলায় এ ধরনের কার্যক্রম বন্ধে নৌ পুলিশকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। জড়িতদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এ ব্যাপারে পাটুরিয়া নৌ পুলিশ থানার ওসি নজরুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি সম্পর্কে তিনি বিস্তারিত অবগত নন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অভিযোগের বিষয়ে জানতে প্রধান শিক্ষক মো. মোন্তাজ উদ্দিনের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। স্থানীয় সচেতন মহল বলছে, নদী রক্ষা ও সরকারি সম্পদ সংরক্ষণে নিয়মিত নজরদারি এবং সংশ্লিষ্ট সব সংস্থার সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন। পাশাপাশি অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!