নেপালে যুবনেতৃত্বাধীন দুর্নীতিবিরোধী আন্দোলনের পর প্রথম সংসদ নির্বাচন ৫ মার্চ অনুষ্ঠিত হবে। সোমবার থেকে আনুষ্ঠানিক প্রচার শুরু হয়েছে। সুশীলা কার্কি, সাবেক প্রধান বিচারপতি, অন্তর্বর্তী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেশ পরিচালনা করছেন। ভোটের মাধ্যমে গঠিত হবে ২৭৫ সদস্যের প্রতিনিধি পরিষদ, যার ১৬৫ জন সরাসরি ভোটে এবং ১১০ জন দলীয় তালিকা থেকে নির্বাচিত হবেন। দীর্ঘদিনের রাজনীতিতে প্রবীণ নেতাদের প্রাধান্য থাকলেও এবার নতুন প্রজন্মের প্রার্থীরা মাঠে নেমেছেন। রবি লামিছানে, রাষ্ট্রীয় স্বতন্ত্র পার্টি, বলেন্দ্র শাহ ও কুলমান ঘিসিং অন্যতম আলোচিত প্রার্থী। এ ছাড়া সেপ্টেম্বরের আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়া সুদান গুরুংও নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন। তরুণ ভোটাররা অর্থনৈতিক সংস্কার প্রত্যাশা করছেন। বিশ^ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, নেপালের শ্রমশক্তির ৮২ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে কাজ করছে। ২০২৪ সালে মাথাপিছু জিডিপি মাত্র ১,৪৪৭ ডলার। বিদেশে কর্মসংস্থানের কারণে প্রবাসী নেপালিরা দেশটির মোট জনসংখ্যার ৭.৫ শতাংশ এবং তাদের রেমিট্যান্স গড়ে নেপালের জিডিপির এক-তৃতীয়াংশ। নেপালের অবস্থান ভারত ও চীনের মধ্যে হওয়ায় নির্বাচন আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। দুই দেশই কাঠমান্ডুতে প্রভাব বজায় রাখতে আগ্রহী। নির্বাচন নতুন প্রজন্মের নেতৃত্ব ও অর্থনৈতিক সংস্কারের ভবিষ্যৎ নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

সর্বশেষ খবর পেতে রুপালী বাংলাদেশের গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন