যুদ্ধবিরতির পর গাজায় হামাস প্রশাসনিক ও নিরাপত্তা কাঠামোয় নিজেদের নিয়ন্ত্রণ জোরদার করছে বলে বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে। ইসরায়েলি সামরিক মূল্যায়নে দাবি করা হয়েছে, গাজার ১৭টি মন্ত্রণালয়ের মধ্যে অন্তত ১৪টি বর্তমানে সচল এবং স্থানীয় সরকার ও নিরাপত্তা বাহিনীতেও হামাস-ঘনিষ্ঠ ব্যক্তিদের নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, কর আদায়, সরকারি দপ্তর পুনর্গঠন এবং পুলিশি তৎপরতা বাড়িয়ে সংগঠনটি তাদের প্রভাব সুসংহত করছে। ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে পণ্যের ওপর কর আদায় এবং সরকারি কর্মচারী ও যোদ্ধাদের বেতন প্রদানও অব্যাহত রয়েছে। এতে গাজার প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ প্রশ্নে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রস্তাবিত শান্তি পরিকল্পনায় হামাসকে অস্ত্র সমর্পণের শর্ত দেওয়া হলেও বাস্তবে সংগঠনটির প্রভাব কমার কোনো ইঙ্গিত দেখা যাচ্ছে না। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বিকল্প টেকনোক্র্যাট প্রশাসন গাজায় কার্যকরভাবে দায়িত্ব নিতে না পারলে ভবিষ্যৎ শাসনব্যবস্থা নিয়ে জটিলতা আরও বাড়বে।
হামাসের দাবি, তারা জরুরি সেবা সচল রাখতেই এসব পদক্ষেপ নিয়েছে। তবে সমালোচকদের আশঙ্কা, পরিস্থিতি দীর্ঘায়িত হলে শান্তি প্রক্রিয়া আরও অনিশ্চিত হয়ে পড়বে।

সর্বশেষ খবর পেতে রুপালী বাংলাদেশের গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন