× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

ভিনদেশ ডেস্ক

প্রকাশিত: এপ্রিল ২৪, ২০২৬, ০১:৪৬ এএম

জ্বালানি সংকটে চাপে বিশ্ব অর্থনীতি ও এশিয়ার মুদ্রাবাজার

ভিনদেশ ডেস্ক

প্রকাশিত: এপ্রিল ২৪, ২০২৬, ০১:৪৬ এএম

জ্বালানি সংকটে চাপে বিশ্ব অর্থনীতি ও এশিয়ার মুদ্রাবাজার

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে যুদ্ধবিরতি নিয়ে অনিশ্চয়তার মধ্যেই বিশ^বাজারে আবারও তেলের দাম বেড়েছে। বৃহস্পতিবার আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম প্রায় চার শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি পায়, যা জ্বালানি বাজারে নতুন উদ্বেগ তৈরি করেছে। বাজার-সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, যুক্তরাষ্ট্রের নৌ অবরোধ চলমান থাকলে হরমুজ প্রণালি খোলা হবে নাÑ ইরানের এমন ঘোষণার পরই তেলের দামে এ ঊর্ধ্বগতি দেখা যায়। ফলে সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কায় ক্রেতারা আগেভাগেই তেল মজুত করতে শুরু করেছেন।

আন্তর্জাতিক মানদ- অনুযায়ী তেলের দাম দ্রুত বেড়ে ব্যারেলপ্রতি একশ ডলারের কাছাকাছি পৌঁছে যায়। যদিও পরবর্তীতে কিছুটা সংশোধন দেখা গেছে, তবে বাজারে অস্থিরতা এখনো কাটেনি। বিশ্লেষকদের মতে, যুদ্ধ পুনরায় শুরু হবে কি নাÑ এই অনিশ্চয়তাই দামের ওঠানামার প্রধান কারণ।

বিশ্ব জ্বালানি পরিস্থিতি নিয়ে সতর্ক করে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বর্তমান সংকট ইতিহাসের অন্যতম বড় জ্বালানি নিরাপত্তা ঝুঁকিতে পরিণত হয়েছে। সংঘাতের কারণে প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ তেল উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে, যা বৈশি^ক সরবরাহব্যবস্থাকে চাপে ফেলেছে।

হরমুজ প্রণালি বিশ্ব জ্বালানি সরবরাহের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পথ। এই জলপথে উত্তেজনা এবং জাহাজ চলাচলে বাধা তৈরি হওয়ায় মধ্যপ্রাচ্য থেকে তেল রপ্তানি মারাত্মকভাবে বিঘিœত হচ্ছে। এর প্রভাব বিশ^জুড়ে জ্বালানি দামের ওপর সরাসরি পড়ছে।

এই পরিস্থিতির প্রভাব ইতোমধ্যে বিভিন্ন দেশের অর্থনীতিতে দেখা যাচ্ছে। বিশেষ করে তেল আমদানিনির্ভর এশীয় দেশগুলো বেশি চাপে পড়েছে। তেলের দাম বাড়ায় এসব দেশের মুদ্রার মান কমছে এবং মুদ্রাস্ফীতির ঝুঁকি বাড়ছে।

ইন্দোনেশিয়ার মুদ্রা রেকর্ড সর্বনি¤œ পর্যায়ে নেমে গেছে। একইভাবে ফিলিপাইন ও থাইল্যান্ডের মুদ্রাও দুর্বল হয়ে পড়েছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর কেন্দ্রীয় ব্যাংক বিভিন্ন পদক্ষেপ নিচ্ছে।

ইউরোপেও জ্বালানি সংকট তীব্র আকার ধারণ করেছে। তেলের দাম বৃদ্ধির কারণে পরিবহন খাতসহ বিভিন্ন খাতে ব্যয় বেড়ে গেছে। সাধারণ মানুষ জ্বালানি ব্যয়ের চাপ সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছেন। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় ইউরোপীয় দেশগুলোর নেতারা জরুরি বৈঠকে বসেছেন।

বিশ্লেষকদের মতে, যুদ্ধ দীর্ঘস্থায়ী হলে এর প্রভাব শুধু জ্বালানি বাজারেই সীমাবদ্ধ থাকবে না; বরং বিশ্ব অর্থনীতিতে দীর্ঘমেয়াদি নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে। খাদ্যদ্রব্যের দাম বৃদ্ধি, উৎপাদন খরচ বেড়ে যাওয়া এবং বাণিজ্য ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দ্রুত কূটনৈতিক সমাধান এবং সরবরাহব্যবস্থা স্বাভাবিক করা না গেলে বৈশি^ক অর্থনীতি আরও বড় সংকটে পড়তে পারে।
 

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!