শনিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৫

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


ভিনদেশ ডেস্ক

প্রকাশিত: আগস্ট ৩০, ২০২৫, ১১:৫৭ এএম

পশ্চিমবঙ্গ ও বিহারে কংগ্রেস কার্যালয়ে বিজেপির হামলা

ভিনদেশ ডেস্ক

প্রকাশিত: আগস্ট ৩০, ২০২৫, ১১:৫৭ এএম

বিজেপির হামলা

বিজেপির হামলা

ভারতের পশ্চিমবঙ্গ ও বিহার রাজ্যের ধুন্ধুমার কংগ্রেস কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে বিজেপি কর্মী সমর্থকদের বিরুদ্ধে। দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও তার প্রয়াত মাকে নিয়ে মন্তব্যের জেরে এ ঘটনার সূত্রপাত বলে জানা গেছে।

সংবাদমাধ্যমের হাতে যে ভিডিও এসেছে, তাতে দেখা যাচ্ছে, দুই দলের কর্মীরা দলীয় পতাকার ডান্ডা দিয়ে একে অপরকে মারছেন। দুই রাজ্যেই সংঘর্ষের ঘটনায় আহত হয়েছেন উভয় দলের বেশ কয়েকজন নেতাকর্মী। তবে এখনো পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়নি কাউকেই। গোটা ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে কংগ্রেস।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং তার প্রয়াত মাকে নিয়ে অশালীন মন্তব্যের জেরে এ ঘটনা ঘটে। অভিযোগ উঠেছে, ‘ভোটার অধিকারের যাত্রা’ চলাকালীন দরভাঙ্গায় কংগ্রেসের পতাকা গায়ে জড়ানো এক ব্যক্তি প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ করে অশ্লীল মন্তব্য করেন। ওই ভিডিও ভাইরাল হয়। এরপর বিজেপি থানায় এফআইআর করে এবং কংগ্রেসের কাছে ক্ষমা চাওয়ার দাবি জানায়।

ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম এক্সে পোস্ট করেন রাহুল গান্ধী। তিনি লেখেন, ‘সত্য আর অহিংসার বিরুদ্ধে মিথ্যা আর হিংসা কোনো দিন জিততে পারে না। যতই মারো, যতই ভাঙো, আমরা সত্য ও সংবিধানের পক্ষে লড়াই চালিয়ে যাব। সত্যমেব জয়তে।’

দরভাঙ্গা পুলিশ জানিয়েছে, ওই ঘটনায় অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এক্সে দারভাঙ্গা পুলিশ লিখেছে, ‘সিমরি থানায় মামলা নথিভুক্ত হয়েছে। এক অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পেশ করা হচ্ছে।’

গতকাল শুক্রবার বিহারের পাটনায় রাস্তায় নেমে প্রতিবাদে শামিল হয় বিজেপি। পালটা কংগ্রেস কর্মীরাও মাঠে নামতেই দুই শিবিরের মধ্যে মারপিট লেগে যায়। সামাল দিতে নামানো হয় বিশাল পুলিশ বাহিনী। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা গেলেও পাটনায় রয়েছে থমথমে পরিস্থিতি।

এদিকে বিহারের আঁচ এসে পড়ে কলকাতাতেও। কলকাতায় জাতীয় কংগ্রেসের রাজ্য সদরদপ্তর বিধান ভবনের সামনে শুক্রবার বিক্ষোভ সমাবেশ আয়োজন করে বিজেপি। বিক্ষোভ সমাবেশ চলাকালীন একদল বিজেপি সমর্থক কংগ্রেস দপ্তরে ঢুকে ভাঙচুর ও তা-ব চালান বলে অভিযোগ উঠেছে। বিজেপি নেতা রাকেশ সিংয়ের নেতৃত্বে ভবনের বাইরে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে বলেও অভিযোগ।

লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধীর ছবিসহ একাধিক ব্যানার, পোস্টারও ছেঁড়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে প্রদেশ কংগ্রেস। ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে অভিযোগ করা হয়েছে এন্টালি থানায়।

পুরো ঘটনার নিন্দা জানিয়ে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য প্রদেশ কংগ্রেসের মুখপাত্র সৌম্য আইচ রায় বলেন, ‘রাজনীতিতে দেউলিয়া না হলে কেউ এ কাজ করে না। গোটা দেশে কংগ্রেস যেহেতু বিজেপির চুরি ধরছে; তাই তাদের রাগ আমাদের দলের ওপর। এ কাজ করার জন্য এমন একটা সময় তারা বেছে নিয়েছে যখন দপ্তর ফাঁকা ছিল। আমরা রাজ্য প্রশাসনের কাছে দাবি জানাচ্ছি, দোষীদের বিরুদ্ধে যেন ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

বিহার কংগ্রেসের নেতা অশুতোষের অভিযোগ, ঘটনায় সরকারেরই মদদ রয়েছে। নীতীশ কুমার ভুল করছেন। আমরাও জবাব দেব।

এদিকে বিজেপি নেতা নীতিন নবীন হুঁশিয়ারি দিয়ে বলছেন, মায়ের অপমানের বদলা বাংলার প্রতিটি ছেলে কংগ্রেসকে দেবে। এর জবাব আমরা অবশ্যই নেব।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কড়া ভাষায় নিন্দা করে লেখেন, রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বে কংগ্রেসের রাজনীতি সবচেয়ে নিচে নেমে গেছে। একজন গরিব মায়ের ছেলে ১১ বছর ধরে প্রধানমন্ত্রী পদে বসে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন, তা তারা মেনে নিতে পারছে না। প্রধানমন্ত্রীকে এবং তার প্রয়াত মাকে নিয়ে এ ধরনের ভাষা কেবল লজ্জাজনকই নয়, গণতন্ত্রের ওপরও কলঙ্ক।

বিজেপি সভাপতি জে পি নাড্ডা লেখেন, এ ধরনের অশালীন আক্রমণ সব সীমা ছাড়িয়েছে। রাহুল গান্ধী ও তেজস্বী যাদবের ক্ষমা চাওয়া উচিত।

ঘটনার তীব্র সমালোচনা করেছেন বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমারও। তার বক্তব্য, ‘প্রধানমন্ত্রী এবং তার প্রয়াত মাকে নিয়ে অশ্লীল মন্তব্য করা অনুচিত। আমি এর তীব্র নিন্দা করছি।’

 

 

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!