ঢাকা সোমবার, ০১ ডিসেম্বর, ২০২৫

কৃষ্ণসাগরে রুশ ট্যাংকারে ইউক্রেনের ড্রোন হামলা

ভিনদেশ ডেস্ক
প্রকাশিত: ডিসেম্বর ১, ২০২৫, ০৪:২৫ এএম

কৃষ্ণসাগরে দুটি রুশ তেলবাহী ট্যাংকারে ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইউক্রেন। ওই ট্যাংকারগুলো মস্কোর কথিত ‘শ্যাডো ফ্লিট’ বা ছায়া বহরের অংশ ছিল। ইউক্রেনীয় কর্মকর্তাদের বরাতে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি এ খবর জানিয়েছে।

২০২২ সালে ইউক্রেনে সামরিক অভিযান শুরুর পর থেকেই পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞা এড়িয়ে তেল বিক্রির এই কথিত ‘শ্যাডো ফ্লিটের’ ব্যবহার করছে মস্কো। সাধারণত, এই বহরের জাহাজগুলোর নিবন্ধন বা অন্যান্য আইনি নথিপত্রে অস্পষ্টতার কারণে তাদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া জটিল হয়ে পড়ে।

বিবিসির যাচাই করা ফুটেজে দেখা যায়, ইউক্রেনের জলজ ড্রোনগুলো ঢেউ ভেঙে জাহাজগুলোর দিকে ছুটে যাচ্ছে। ট্যাংকারে হামলা চালালে বিস্ফোরণের আগুনের গোলায় রূপ নিয়ে কালো ধোঁয়া আকাশে উঠতে দেখা যায়।

হামলার শিকার ট্যাংকারগুলোর নাম কাইরস ও ভিরাট বলে জানিয়েছে তুরস্ক। দুটি জাহাজই দুটি গাম্বিয়ায় নিবন্ধিত। লন্ডন স্টক এক্সচেঞ্জের তথ্য অনুযায়ী, দুটিই নিষেধাজ্ঞার আওতাধীন জাহাজের তালিকায় রয়েছে।

এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত, ড্রোন হামলায় কোনো প্রাণহানির খবর পাওয়া যায়নি।

যুদ্ধে রাশিয়ার অর্থায়ন সক্ষমতা ক্ষতিগ্রস্ত করতে তাদের জ¦ালানি বাণিজ্যে বিভিন্নরকম বিঘœ ঘটানোর চেষ্টা করছে কিয়েভ ও তার মিত্ররা। সর্বশেষ হামলা সেই প্রচেষ্টার নতুন মাত্রা বলেই ধারণা করা হচ্ছে।

কৃষ্ণসাগরে রাশিয়ার তেলবাহী জাহাজগুলো কেবল পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞাই নয়, সরাসরি সামরিক হামলার ঝুঁকিতেও রয়েছে, হামলার মাধ্যমে সেই সতর্কবার্তা দিল ইউক্রেন। তুরস্ক জানায়, তারা জাহাজগুলোকে সহায়তা করেছে এবং কাইরসের আগুন নেভাতে দুটি তুর্কি নৌযান চেষ্টা করছে এমন ফুটেজও প্রকাশ করেছে।

এদিকে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি শনিবার জানান, শীর্ষ নিরাপত্তা কর্মকর্তা রুস্তেম উমেরভের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল যুদ্ধাবসানের বিষয়ে আলোচনার জন্য যুক্তরাষ্ট্রে যাচ্ছে।

ইউক্রেনের পূর্ববর্তী প্রধান প্রতিনিধি, জেলেনস্কির প্রভাবশালী চিফ অব স্টাফ আন্দ্রি ইয়েরমাক শুক্রবার দুর্নীতিবিরোধী গোয়েন্দাদের তার অ্যাপার্টমেন্টে তল্লাশির পর পদত্যাগ করায় এবার উমেরভই ইউক্রেনীয় দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন।