বাধ্য হয়ে জ্বালানির দামে সমন্বয় করতে হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। গতকাল সোমবার সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন তিনি।
গত রোববার রাতে পেট্রোল, অকটেন ও কেরোসিন তেলের দাম লিটারে ৫ টাকা করে বাড়িয়েছে সরকার। এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রতি মাসে জ্বালানির মূল্য সমন্বয় হয়। আমরা একটি কথা কিন্তু বারবার বলবার চেষ্টা করেছি যে, একান্ত যখন উপায়হীন হবে সরকার তখনই এ ধরনের অপ্রিয় কিছু সিদ্ধান্ত হয়তো সরকার নিতে বাধ্য হবে। মধ্যপ্রাচ্যে সংকটের কারণে এ ধরনের বাস্তবতা এসেছে।
বাংলাদেশে জ্বালানির ৬৬ শতাংশ ডিজেল জানিয়ে অনিন্দ্য অমিত বলেন, এটার পেছনেই সবচেয়ে বেশি ভর্তুকি সরকারকে দেওয়া লাগে। কিন্তু তারপরও ডিজেলের দাম বাড়ানো হয়নি। কারণ সাধারণ মানুষ যেন কোনোভাবে দুর্ভোগে না পড়েন। কিন্তু আমরা উপায়হীন। ...সে ক্ষেত্রে কিছু কিছু জায়গায় বাধ্য হয়ে কিছু সমন্বয় করতে হচ্ছে।
তবে বাজেটে নবায়নযোগ্য জ্বালানি বিষয়ে সুখবর থাকবে জানিয়ে জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমি দায়িত্ব নিয়েই বলতে পারি যদি গ্লোবাল প্রাইস মানে শার্পলি ডিক্লাইন করে আমরাও খুব শার্পলি এটা অ্যাডজাস্ট (আন্তর্জাতিক বাজারে কমলে দেশের বাজারেও কমবে) করবার চেষ্টা করব।
দেশের বিভিন্ন জায়গায় ঈদের দিন লোডশেডিং হওয়ার বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ঈদের দিন সকালে ৫৭০০ মেগাওয়াট চাহিদা ছিল। লোডশেডিং হওয়ার কোনো কারণ ছিল না। তবে ঈদে কিছু জায়গায় ঝড়-বৃষ্টির কারণে বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যাহত হয়েছে।

