পর্দায় কখনো সে মেঘের মতো চঞ্চল, কখনো বা শান্ত দিঘির জল। তার শুরুটা হয়েছিল মডেলিং দিয়ে। এরপর দীর্ঘ সময় অভিনয় করেন নাটকে। ছোট পর্দায় তুমুল জনপ্রিয়তা অর্জনের পর সাবিলা নূর বড় পর্দায়ও নিজের জায়গা শক্ত করছেন। ক্যারিয়ারে ছকবাঁধা চরিত্রের বাইরে গিয়ে এখন বৈচিত্র্যময় কাজ করছেন এই অভিনেত্রী।
এবারের কোরবানির ঈদে ঢালিউড চিত্রতারকা শাকিব খানের বিপরীতে দ্বিতীয়বারের মতো জুটি হয়ে ‘রকস্টার’ সিনেমা নিয়ে দর্শকদের সামনে হাজির হয়েছেন তিনি। সিনেমাটিতে ‘মীরা’ চরিত্রে অভিনয় করে সাবিলা দর্শকদের নজর কেড়েছেন।
সাবিলা বলেন, ‘আমি সবসময় ব্যতিক্রম চরিত্রে কাজ করতে চাই। যখন ‘তা-ব’ করি তখন দর্শক প্রত্যাশা করেনি ‘লিচুর বাগানে’ গানে দেখবে। সেই ইমেজ ভেঙে নতুন কিছু করার চেষ্টা করেছি। ‘বনলতা এক্সপ্রেস’ সিনেমায় ভিন্ন একটি চরিত্রে হাজির হয়েছিলাম। দর্শক আমার চরিত্রটি বেশ পছন্দ করেছিল। সিনেমাটি ওটিটিতে আসার পরও বেশ সাড়া পাচ্ছি। ‘রকস্টার’ সিনেমায় নতুন আরেকটি চরিত্রে হাজির হয়েছি। ভবিষ্যতেও আমার দর্শক নতুন কিছু পাবে। মীরা চরিত্রটি দর্শক পছন্দ করেছে, এক জীবনে এটাই অনেক বড় প্রাপ্তি।’
চলচ্চিত্রটিতে নিজের চরিত্র ‘মিরা’র প্রস্তুতি ও টিমওয়ার্ক প্রসঙ্গে সাবিলা নূর বলেন, ‘মিরার জার্নির কথা যদি বলি, আসলে আমরা খুব বেশি সময় পাইনি প্রস্তুতি নেওয়ার। মনে হয় দুই বা তিন সপ্তাহের মতো সময় পেয়েছি। তবে এই অল্প সময়ের মধ্যেই পরিচালক, ডিওপি, আর্ট এবং বিশেষ করে কস্টিউম, মেকআপ ও হেয়ার টিমের কোলাবরেটিভ এফোর্টের কারণেই মিরার এই রূপটি পর্দায় ফুটিয়ে তোলা সম্ভব হয়েছে। তাই মিরার পুরো জার্নিটা টিমকে ডেডিকেট করছি। তবে দর্শক দেখে কখনো অনুভব করতে পারবে না যে, অল্প সময়ে এই চরিত্রটা ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। চরিত্রটি বিশ্বাসযোগ্য করতে নিজের সেরাটা দিয়ে কাজটি করেছি।’
শাকিব খানের সঙ্গে কাজের অভিজ্ঞতা নিয়ে এই অভিনেত্রী বলেন, ‘শাকিব ভাইয়ের সঙ্গে স্ক্রিন শেয়ার করা সবসময়ই খুব ভালো লাগার বিষয়। উনি ভীষণ ডেডিকেটেড এবং ডিসিপ্লিনড। একজন সহশিল্পী হিসেবে তিনি খুবই সাপোর্টিভ।’
এদিকে, আজমান রুশো পরিচালিত ঈদে মুক্তি পাওয়া আলোচিত সিনেমা ‘রকস্টার’ দেশের গ-ি পেরিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে মুক্তি পাচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও যুক্তরাজ্যের ৪১টি থিয়েটারে সিনেমাটি আগামীকাল মুক্তি পাচ্ছে বলে জানা গেছে।

